৫ বিষয়ে ৪০০ নম্বর, ২০-৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাবে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ডিসেম্বরের এই পরীক্ষায় পাঁচ বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ করে এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৫০ করে নম্বর থাকবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ‘জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা’ প্রকাশ করে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবই অনুসরণ করে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলা, ইংরেজি ও গণিত—এই তিন বিষয়ের প্রতিটির পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরে। প্রতিটি পরীক্ষার জন্য সময় থাকবে তিন ঘণ্টা। বাংলা বিষয়ের কোড ১০১, ইংরেজির ১০৭ এবং গণিতের ১০৯।
অন্যদিকে, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে থাকবে ৫০ করে নম্বর। দুটি বিষয়ের পরীক্ষা একই দিনে নেওয়া হবে। মোট ১০০ নম্বরের এই পরীক্ষার জন্য সময় থাকবে তিন ঘণ্টা। এর মধ্যে বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের জন্য দেড় ঘণ্টা করে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। এ সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি নিতে হবে। শ্রুতিলেখকের প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া কোনো শিক্ষার্থীকে এ দায়িত্ব দেওয়া যাবে।
কারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অষ্টম শ্রেণির সব শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারবে না। সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক ও সামগ্রিক মূল্যায়নের ফল বিবেচনায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অন্তত ২০ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার জন্য মনোনয়ন দেওয়া যাবে। প্রয়োজনে এই হার পরিবর্তনের ক্ষমতা জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির থাকবে।
কোনো শিক্ষার্থী টিসি নিয়ে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও আগের প্রতিষ্ঠানের মেধাক্রম বিবেচনায় নিয়ে তাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
পরীক্ষার ফি কত?
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে বোর্ড ফি ৪০০ টাকা এবং কেন্দ্র ফি ২০০ টাকা। অর্থাৎ একজন পরীক্ষার্থীকে মোট ৬০০ টাকা দিতে হবে।
অনলাইনে ফরম পূরণের সময় বোর্ড ফি দিতে হবে। আর কেন্দ্র নির্ধারণের পর কেন্দ্রসচিবের কাছে কেন্দ্র ফি জমা দিতে হবে।
পরীক্ষার হলে প্রতি বেঞ্চে সর্বোচ্চ দুজন শিক্ষার্থী বসতে পারবে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রসচিবের উপস্থিতিতে প্রশ্নপত্রের গোপন প্যাকেট খোলা হবে।
ওএমআর শিটের নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে রোল নম্বরের ক্রমানুসারে জমা নেওয়া হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ১০০ গজের মধ্যে পরীক্ষা চলাকালে ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে। দায়িত্বে অবহেলা করলে শিক্ষক বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ফরম পূরণের সময়সূচি
এ বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূরণ শুরু হবে ১ সেপ্টেম্বর এবং চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩১ আগস্ট।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে প্রবেশ করে সম্ভাব্য তালিকা থেকে নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। তালিকা যাচাই ও চূড়ান্তকরণ এবং ফি জমা দেওয়ার পরই ফরম পূরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৩ সেপ্টেম্বর। ফি জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ না করলে ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে না এবং পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রও দেওয়া হবে না।
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আপনার নামে কত জমি আছে, কোথায় কোথায় আছে—অনলাইনে জানবেন যেভাবে
- জমির নামজারি করতে কী কী লাগে, খরচ কত ও সময় কত দিন?
- ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- Honor Magic9 Pro Max: ৮৮০০mAh ব্যাটারি ও ডুয়াল ২০০MP ক্যামেরা
- ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করবেন যেভাবে, জানুন নিয়ম
- আজকের সোনার দাম: ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন দর
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৩টি দেশের টাকার মান
- বর্তমানে vivo-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটার দাম কত, কেন সেরা?
- আজকের সোনার দাম: প্রতি ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কত
- জিকিউ বলপেনের ১২.৫০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
- iQOO Neo 12: ১৮৫Hz ডিসপ্লে ও ৯০০০mAh ব্যাটারির চমক
- আজকের সোনার দাম কত? ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন দর
- অনলাইনে জমির নামজারি করবেন যেভাবে, খরচ ১১৭০ টাকা
- জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে? জানুন পুরো নিয়ম
- Infinix Smart 20E: ১২০Hz ডিসপ্লে ও বড় ব্যাটারি?