Md Razib Ali
Senior Reporter
রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিটে নতুন নিয়ম, আবেদন থেকে খরচ জানুন
রোমানিয়ায় কাজের উদ্দেশ্যে যেতে আগ্রহীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে সামনে এসেছে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কর্মীর কাছ থেকে কমিশন, গ্যারান্টি বা ডিপোজিট নেওয়ার সুযোগ না থাকা। তবে এর অর্থ এই নয় যে রোমানিয়ায় যেতে একজন কর্মীর কোনো খরচই থাকবে না। ভিসা, বিমান টিকিট, প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ও থাকার খরচের মতো ব্যয় কর্মীকেই বহন করতে হতে পারে।
নতুন এই ব্যবস্থায় রোমানিয়া সরকার দুটি ভিসা ক্যাটাগরির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের কাঠামো করেছে—D/AMO এবং D/AM2। কোন ধরনের কর্মী কোন ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন, অনুমোদিত প্লেসমেন্ট এজেন্সির কাজ কী এবং ওয়ার্ক পারমিটের খরচ কে বহন করবে—এসব বিষয় সরকারি পোর্টালে আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ওয়ার্ক পারমিটের টাকা কে দেবে?
নতুন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ওয়ার্ক পারমিটের খরচ নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার বিষয়টিকে। রোমানিয়ার অনুমোদিত প্লেসমেন্ট এজেন্সিগুলো কোনো কর্মীর কাছ থেকে কমিশন ফি, চার্জ, গ্যারান্টি বা ডিপোজিট নিতে পারবে না বলে সরকারি ব্যবস্থায় উল্লেখ রয়েছে।
তবে ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসা-সংক্রান্ত খরচকে এক করে দেখলে ভুল হবে। রোমানিয়া সরকারের কাছ থেকে কর্মীর জন্য যে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হবে, সেটির আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি ফি নিয়োগকারী কোম্পানি পরিশোধ করবে। এই ব্যয়ই ওয়ার্ক পারমিটের খরচ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
অন্যদিকে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পর ভিসার আবেদন করতে যে অর্থ লাগবে, সেটি আলাদা। বাংলাদেশ থেকে আবেদন করলে ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য ভারতে যেতে হবে এবং সেখানে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের ফি দিতে হবে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাতায়াত, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত, ভিসা এবং বিমান টিকিটের ব্যয়ও কর্মীর নিজের হতে পারে।
রোমানিয়ায় পৌঁছানোর পর রেসিডেন্স পারমিটের জন্যও আলাদা ফি রয়েছে। একইভাবে রোমানিয়ার ভেতরে যাতায়াত ও থাকার খরচও কর্মীর বহন করার বিষয় রয়েছে। তবে কোনো কোম্পানি যদি তার অফার লেটারে বিমান বা পরিবহন ব্যয় বহনের কথা উল্লেখ করে, তাহলে সেই খরচ কোম্পানিকেই দিতে হবে।
অর্থাৎ ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কর্মীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়া এবং ভিসা, টিকিট বা অন্যান্য ব্যক্তিগত যাতায়াতের খরচ—দুটি আলাদা বিষয়।
দুই ধরনের ওয়ার্ক ভিসা কাঠামো
২০২৬ সাল থেকে রোমানিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ব্যবস্থায় পরিবর্তনের অংশ হিসেবে D/AMO এবং D/AM2 নামে দুটি ক্যাটাগরির কথা বলা হয়েছে।
D/AMO মূলত উচ্চ দক্ষতার পেশাজীবীদের জন্য। এর মধ্যে আইটি প্রফেশনাল, ইঞ্জিনিয়ার, ইকোনমিস্ট এবং ম্যানেজারদের মতো পেশা রয়েছে। অর্থাৎ উচ্চশিক্ষিত ও হাইলি স্কিলড কর্মীদের এই ক্যাটাগরির আওতায় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে D/AM2-এর আওতায় স্কিলড ওয়ার্কারদের রাখা হয়েছে। কুক, ড্রাইভার, কার্পেন্টার এবং ইলেকট্রিশিয়ানের মতো পেশাজীবীরা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন। সাধারণ বা স্কিলড ওয়ার্কার হিসেবে যারা রোমানিয়ায় যেতে চান, তাদের জন্য D/AM2 বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়ায় কার ভূমিকা কোথায়
রোমানিয়ার নতুন কাঠামোতে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে মূলত তিনটি পক্ষের মধ্যে ভাগ করে দেখানো হয়েছে—Employer, Placement Agency এবং Foreign Worker।
এখানে নিয়োগদাতা হলো সেই রোমানিয়ান কোম্পানি, যে বিদেশি কর্মী নিতে চায়। কর্মী নিয়োগের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে প্রথমে সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পর কোম্পানি বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পারবে।
এরপর কোম্পানি তার জব অফার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনুমোদিত প্লেসমেন্ট এজেন্সির কাছে জমা দেবে। সেই এজেন্সি কোম্পানির হয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি কার্যক্রম, ডকুমেন্ট প্রস্তুতি এবং ওয়ার্ক পারমিট ইস্যুর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অনুমোদিত প্লেসমেন্ট এজেন্সিগুলো সরাসরি কর্মী নিয়োগকারী বাংলাদেশি ম্যানপাওয়ার এজেন্সির মতো কাজ করবে না। তাদের দায়িত্ব মূলত নিয়োগকারী কোম্পানিকে কেন্দ্র করে। ফলে কোনো কর্মীর কাছে বৈধ জব অফার না থাকলে শুধু এজেন্সির নাম সংগ্রহ করে সরাসরি যোগাযোগ করলেই ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে না।
কোনো কর্মীর কাছে বৈধ রোমানিয়ান কোম্পানির জব অফার থাকলে সেই কোম্পানির সঙ্গে সমন্বয় করেই পরবর্তী প্রক্রিয়া এগোবে।
কোন কোন পেশায় সুযোগ রয়েছে
রোমানিয়ার সরকারি পোর্টালে বিভিন্ন পেশার নাম এবং সংশ্লিষ্ট কোড উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে বিল্ডিং অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট, ক্লিনিং এজেন্ট, কুরিয়ার এজেন্ট, সেলস পারসন, ফার্মার, কুক অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ওয়েটারস অ্যাসিস্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশা রয়েছে।
২০২৬ সালে রোমানিয়া প্রায় ৯০,০০০ ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করবে বলেও ওই সরকারি পোর্টালের তথ্যের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কোন খাতে কী পরিমাণ কর্মীর সুযোগ থাকবে, তার আলাদা তালিকাও সেখানে দেওয়া হয়েছে।
কুক অ্যাসিস্ট্যান্ট পেশার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, এই পেশার কোড 94101। একই তথ্য উপস্থাপনায় প্রথমে এই পেশায় রোমানিয়াজুড়ে প্রায় ১,২৭৭টি ভ্যাকেন্সি থাকার কথা বলা হয়েছে। পরে আবার একই পেশার অধীনে ১২,০০০-এর বেশি ভ্যাকেন্সি থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তাই পেশাভিত্তিক আবেদন করতে আগ্রহীদের সংশ্লিষ্ট সরকারি তালিকায় পেশা, কোড এবং ভ্যাকেন্সির তথ্য যাচাই করে এগোনোর কথা বলা হয়েছে।
জব অফার পাওয়ার পরই আসল প্রক্রিয়া
কোনো প্রার্থী নিজের যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পেশা এবং রোমানিয়ান কোম্পানি খুঁজে আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করে আবেদন পাঠানোর একটি প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে।
প্রথমে আবেদনকারীর যোগ্যতা অনুযায়ী Europass format CV প্রস্তুত করা হবে। এরপর তৈরি করা হবে cover letter। এসব ডকুমেন্ট সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সংগৃহীত contact mail-এ পাঠানো হবে।
কোম্পানি আবেদনকারীর যোগ্যতা পছন্দ করলে পরবর্তী যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এরপর ইন্টারভিউ, সরাসরি অফার অথবা কোম্পানির নিজস্ব recruiting process-এর মাধ্যমে চাকরির সুযোগ আসতে পারে। চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার পর নিয়োগকারী কোম্পানি অনুমোদিত প্লেসমেন্ট এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
MRC প্ল্যাটফর্মের কাজ কী
এই পুরো ব্যবস্থায় MRC প্ল্যাটফর্ম নিজেদের ভূমিকা নিয়োগদাতা বা প্লেসমেন্ট এজেন্সি হিসেবে নয়, বরং আবেদনকারীদের জন্য গাইডলাইন ও সহায়তাকারী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।
প্ল্যাটফর্মটির কাজ হিসেবে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর দক্ষতা অনুযায়ী সম্ভাব্য কোম্পানি খুঁজে তাদের কাছে আবেদন পাঠানো। এরপর কোম্পানি কাউকে নিয়োগ দেবে কি না, সেটি সম্পূর্ণ সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সিদ্ধান্ত।
রোমানিয়ার ১০টি কনস্ট্রাকশন কোম্পানির উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয়েছে কীভাবে কোম্পানিগুলোর ওয়েবসাইট থেকে যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করে একটি Excel sheet-এ রাখা হয়। পরে আবেদনকারীর যোগ্যতা অনুযায়ী CV ও cover letter তৈরি করে নিয়মিত আবেদন পাঠানো হয়।
MRC প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, তাদের মাধ্যমে আবেদন করা অনেকেই বিভিন্ন কোম্পানি থেকে সাড়া পেয়েছেন এবং এসব প্রতিক্রিয়া তাদের Facebook page-এও দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক একটি উদাহরণ হিসেবে Malta থেকে একজন আবেদনকারীর response পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই ব্যক্তির work permit এসেছে এবং pre-departure course সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তী ধাপে তার VFS-এর ডকুমেন্ট প্রস্তুত করে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে, রোমানিয়ার নতুন ব্যবস্থায় ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কর্মীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি এবং ভিসা ও যাতায়াতের ব্যক্তিগত খরচ—দুটিকে আলাদা করে দেখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ জব অফার ছাড়া অনুমোদিত প্লেসমেন্ট এজেন্সির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে লাভ নেই বলেও প্রক্রিয়াটিতে স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে রোমানিয়ায় কাজের জন্য যেতে আগ্রহীদের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হিসেবে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা ও বৈধ নিয়োগদাতা খুঁজে বের করার বিষয়টিই সামনে আসছে।
FAQ
প্রশ্ন: রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিটের জন্য কর্মীকে কমিশন দিতে হবে কি?
উত্তর: দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোমানিয়ার অনুমোদিত প্লেসমেন্ট এজেন্সি কর্মীর কাছ থেকে কমিশন ফি, গ্যারান্টি বা ডিপোজিট নিতে পারবে না।
প্রশ্ন: তাহলে রোমানিয়ায় যেতে কর্মীর কী কী খরচ হতে পারে?
উত্তর: ভিসা ফি, বিমান টিকিট, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাতায়াত, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুতি, রোমানিয়ার অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ও থাকার খরচ এবং রেসিডেন্স পারমিটের ফি থাকতে পারে। তবে অফার লেটারে কোম্পানি কোনো পরিবহন বা টিকিটের খরচ বহনের কথা উল্লেখ করলে সেই খরচ কোম্পানিকে দিতে হবে।
প্রশ্ন: D/AMO ও D/AM2-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: D/AMO ক্যাটাগরিতে আইটি প্রফেশনাল, ইঞ্জিনিয়ার, ইকোনমিস্ট ও ম্যানেজারের মতো উচ্চ দক্ষতার পেশাজীবীদের কথা বলা হয়েছে। D/AM2-এর আওতায় কুক, ড্রাইভার, কার্পেন্টার ও ইলেকট্রিশিয়ানের মতো স্কিলড ওয়ার্কারদের রাখা হয়েছে।
প্রশ্ন: বৈধ জব অফার ছাড়া কি প্লেসমেন্ট এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে?
উত্তর: দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে লাভ নেই। বৈধ রোমানিয়ান কোম্পানির জব অফার থাকলে কোম্পানির সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রশ্ন: MRC প্ল্যাটফর্মের কাজ কী?
উত্তর: MRC প্ল্যাটফর্মের বর্ণনা অনুযায়ী, তারা আবেদনকারীর যোগ্যতা অনুযায়ী কোম্পানি খুঁজে আবেদন করতে সহায়তা করে, Europass CV ও cover letter প্রস্তুত করে এবং আবেদন পাঠানোর প্রক্রিয়ায় গাইডলাইন দেয়। চাকরি দেবে কি না, সেটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সিদ্ধান্ত।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- Samsung-এর সেরা ৫ ফোন: ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দাম
- HONOR-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটির দাম কত বাংলাদেশে?
- Redmi Note 17 Pro 5G: ৮,৩৪০mAh ব্যাটারি, ১২০Hz AMOLED ডিসপ্লে
- ওয়ারিশি জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে, জানুন নিয়ম
- OPPO Find X10 Pro Max: ২০০MP ক্যামেরা ও ৮,০০০mAh ব্যাটারি
- HSC Result২০২৬ কবে? জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ
- আজকের সোনার দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম কত
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ৩টি দেশের টাকার মান
- ব্রাজিলের পরের ম্যাচের তারিখ ও সময়, থাকছে পূর্ণ সূচি
- Galaxy S27 Ultra-এর ব্যাটারি, ক্যামেরা ও দাম নিয়ে যত তথ্য
- আজকের স্বর্ণের দাম:১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম কত
- আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ টেস্টের লাইভ স্কোর ও সর্বশেষ অবস্থা
- Honor X6E: ৭৫০০mAh ব্যাটারি, ২৪ হাজারে কতটা ভালো?
- এইচএসসি ফল ২০২৬ কবে? জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ
- আজকের সোনার দাম: প্রতি ভরি ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কত