Md Razib Ali
Senior Reporter
Redmi Note 17 Pro Max Review: বিশাল ব্যাটারি ও শক্তিশালী পারফরম্যান্স
বাংলাদেশের বাজারে অফিসিয়ালভাবে এসেছে Redmi Note 17 Pro Max। বড় ব্যাটারি, উন্নত ডিসপ্লে, Snapdragon 6Z5 চিপসেট এবং UFS 4.1 স্টোরেজ—এই চার দিককে ফোনটির বড় শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সব সুবিধাকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে এর দাম। বেস ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে ৬৪,৯৯৯ টাকা এবং পরের ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৯,৯৯৯ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ৬৫ হাজার ও ৭০ হাজার টাকার বাজারে ঢুকেছে Redmi Note সিরিজের এই মডেল।
Redmi Note 17 Pro Max একা বাংলাদেশে আসেনি। একই সিরিজে রয়েছে Redmi Note 17 ও Redmi Note 17 Pro। এর মধ্যে Note 17 Pro Max-এর ওপরই মূলত এই পর্যালোচনা করা হয়েছে। Note 17 Pro নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে জানা গেলেও সেটির বিস্তারিত আলোচনা পরে করা হবে।
১০,০০০mAh ব্যাটারিই বড় চমক
ফোনটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর একটি হলো ১০,০০০mAh ব্যাটারি। এত বড় ব্যাটারির কারণে ডিভাইসটি কিছুটা ভারী ও মোটা অনুভূত হতে পারে। তবে বিনিময়ে দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা মিলছে।
রিভিউতে নিয়মিত কাজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা, ছবি তোলা এবং গেমিং—সব মিলিয়ে ব্যালান্সড ব্যবহারে প্রায় দুই দিনের কাছাকাছি ব্যাকআপ পাওয়া গেছে। একদিনের পরের দিনও ব্যবহার করে বিকেল বা সন্ধ্যায় চার্জ দিলেই চলার মতো ব্যাকআপ পাওয়া সম্ভব বলে দেখা গেছে।
যারা তুলনামূলকভাবে কম ব্যবহার করবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সময় আরও বাড়তে পারে। আবার অতিরিক্ত গেমিং, বেশি উজ্জ্বলতায় ডিসপ্লে ব্যবহার বা ভারী ব্যবহারে ব্যাকআপ কিছুটা কমবে। তারপরও দেড় দিনের নিচে নামার কারণ নেই বলে রিভিউতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু ব্যাটারি ধারণক্ষমতাই নয়, ফোনটি ২৭ ওয়াট রিভার্স চার্জিংও সমর্থন করে। ফলে এটি ব্যবহার করে অন্য স্মার্টফোনও চার্জ দেওয়া সম্ভব। বক্সে রয়েছে ১০০ ওয়াটের চার্জিং সিস্টেম, যা ফোনটিকে প্রায় ১২ থেকে ১৫ মিনিটে চার্জ করতে পারে বলে রিভিউতে বলা হয়েছে।
বড় ডিসপ্লেতে ফ্ল্যাগশিপের আবহ
Redmi Note 17 Pro Max-এর সামনে রয়েছে ৬.৮৩ ইঞ্চির ডিসপ্লে। 1.5K রেজল্যুশনের এই প্যানেলে সরু ও প্রায় সিমেট্রিক্যাল বেজেল ব্যবহার করা হয়েছে। কোণাগুলো কিছুটা গোল হওয়ায় স্ক্রিনে হাই-মিডরেঞ্জ বা ফ্ল্যাগশিপ ফোনের মতো অনুভূতি পাওয়া যায়।
ডিসপ্লের ওপরের মাঝামাঝি অংশে রয়েছে তুলনামূলক ছোট পাঞ্চ-হোল কাটআউট। রঙের দিক থেকেও স্ক্রিনটি প্রাণবন্ত। এতে HDR10+ ও Widevine L1 সাপোর্ট রয়েছে।
সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা প্রায় ৩৫০০ নিট পর্যন্ত যেতে পারে। ফলে ঘরের ভেতর ব্যবহারের পাশাপাশি বাইরে সরাসরি আলোতেও কনটেন্ট দেখা বা ছবি তোলার সময় স্ক্রিন দেখতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কালার রিপ্রোডাকশন ভালো হওয়ায় ভিডিও ও অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট দেখার অভিজ্ঞতাও সন্তোষজনক।
টাচ রেসপন্স ভালো এবং রিফ্রেশ রেট বেশিরভাগ সময় ১২০Hz পাওয়া গেছে; এটি ৯০Hz থেকে ১২০Hz-এর নিচে নামে না বলে রিভিউতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিসপ্লেকে Gorilla Glass Victus 2 দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তারপরও অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডিজাইনে বড় ফোনের অনুভূতি
পেছন থেকে Redmi Note 17 Pro Max ও Note 17 Pro-এর নকশায় বেশ মিল রয়েছে। ক্যামেরা মডিউলও প্রায় একই ধরনের। পার্থক্য হিসেবে Pro মডেলে দুই ক্যামেরার মাঝামাঝি অংশে ফ্ল্যাশলাইট থাকলেও Pro Max-এ সেটি কিছুটা উপরের দিকে রাখা হয়েছে।
Pro Max তিনটি রঙের ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে। বাংলাদেশে RAM ও স্টোরেজের ক্ষেত্রে ৮/২৫৬GB এবং ১২/২৫৬GB—দুটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে।
এখানে ১২৮GB-এর বেস ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে আনা হয়নি। এর একটি সুবিধা হলো দুটি ভ্যারিয়েন্টেই UFS 4.1 স্টোরেজ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে অ্যাপ পরিবর্তন, ডেটা ট্রান্সফার এবং প্রতিদিনের নানা কাজে ফোনের সামগ্রিক প্রতিক্রিয়া দ্রুত ও মসৃণ থাকে।
ফোনটিতে IP68 ও IP69 রেটিংও রয়েছে। অর্থাৎ পানি ও ধুলাবালির বিরুদ্ধে শক্তিশালী সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি পানিতে ডুবে যাওয়ার পরিস্থিতিও সামলানোর সক্ষমতা রয়েছে।
Snapdragon 6Z5-এ কেমন পারফরম্যান্স?
Redmi Note 17 Pro Max চলছে Android 16 এবং HyperOS-এ। সফটওয়্যার আপডেটের ক্ষেত্রে চারটি মেজর আপডেট ও ছয়টি সিকিউরিটি আপডেট পাওয়ার কথা রয়েছে।
পারফরম্যান্সের কেন্দ্রে রয়েছে ৪nm-এর Snapdragon 6Z5 SoC। রিভিউতে এটিকে Dimensity 7400 ও Dimensity 7300-এর মতো চিপসেটের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি কাছাকাছি ফল দিয়েছে, আবার কিছু পরীক্ষায় এগিয়েও ছিল।
চিপসেটটির একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে কম তাপ উৎপাদনের বিষয়টি উঠে এসেছে। Dimensity 7300 বা 7400-এর তুলনায় এটি তুলনামূলকভাবে কম গরম হয়েছে এবং ব্যাটারিও কিছুটা কম খরচ করেছে বলে রিভিউতে দেখা গেছে।
ফোনটির AnTuTu স্কোর প্রায় ১০ লাখের কাছাকাছি। একই সঙ্গে UFS 4.1 স্টোরেজের গতি পরীক্ষাতেও ভালো ফল পাওয়া গেছে।
ভারী কাজ ও গেমিংয়ে অবস্থান
শুধু সাধারণ ব্যবহার নয়, CapCut-এর মতো তুলনামূলক ভারী অ্যাপও চালিয়ে দেখা হয়েছে। অন্যান্য ভারী ইন্টারনেট-নির্ভর অ্যাপ ব্যবহারের পাশাপাশি গেমিংও পরীক্ষা করা হয়েছে।
COD সর্বোচ্চ সেটিংসে স্মুথ ফল দিয়েছে। PUBG-তে Extreme Plus সেটিংসে প্রায় ২০–২৫ মিনিট পর্যন্ত পারফরম্যান্স স্থিতিশীল ছিল। এরপর মাঝে মাঝে ফ্রেমরেট ওঠানামা দেখা গেছে। তবে সামগ্রিকভাবে খেলার অভিজ্ঞতা স্মুথ ছিল এবং সর্বোচ্চ গ্রাফিক্সেও প্লেয়েবল ফল পাওয়া গেছে।
Genshin Impact 60 FPS-এ চালানোর সময় ফ্রেমরেট কয়েকবার ৫৭ থেকে ৫৪-এর আশপাশে নেমেছে। তবুও মোটের ওপর গেমিং অভিজ্ঞতা মসৃণ ছিল।
গেম খেলার সময় অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন চোখে পড়েনি। একই সঙ্গে ব্যাটারি খরচও তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ৮GB RAM-এর ব্যবস্থাপনাও ভালো এবং একসঙ্গে বেশ কিছু অ্যাপ ব্যবহারে বড় ধরনের সমস্যা পাওয়া যায়নি। যারা আরও বেশি চাপ দিয়ে কাজ করতে চান, তারা ১২GB RAM-এর ভ্যারিয়েন্ট বেছে নিতে পারেন।
ক্যামেরায় প্রয়োজনীয় সব আছে, কিন্তু টেলিফটো নেই
ক্যামেরা সেটআপে Redmi Note 17 Pro Max-এর পেছনে রয়েছে দুটি ক্যামেরা। প্রধান সেন্সরটি ৫০ মেগাপিক্সেলের এবং এতে OIS রয়েছে। দ্বিতীয়টি ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা।
এখানে টেলিফটো ক্যামেরা নেই। রিভিউ অনুযায়ী, এই দামের ফোনে টেলিফটো থাকলে ক্যামেরা বিভাগটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারত।
প্রধান ক্যামেরায় দিনের আলোতে ছবি বেশ শার্প আসে এবং পর্যাপ্ত আলো পাওয়া যায়। রঙ কিছু ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি স্যাচুরেটেড মনে হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের জন্য ছবিগুলো আকর্ষণীয় দেখায়। ক্লোজ-আপ ছবিতে স্বাভাবিক ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার বা Depth of Field-ও ভালো পাওয়া গেছে।
ডায়নামিক রেঞ্জ যথেষ্ট প্রশস্ত এবং ভালো আলোতে অধিকাংশ ছবিই ব্যবহারযোগ্য হওয়ার মতো। বেশি এক্সপোজড অংশও মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
তবে আলো কমে গেলে পরিস্থিতি বদলায়। তখন ছবিতে কিছুটা সফটনেস দেখা যায় এবং এই অবস্থায় ফোনটির ক্যামেরা ৬০ হাজার টাকার বেশি দামের ডিভাইস হিসেবে খুব শক্তিশালী মনে হয় না।
আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরার সক্ষমতাও মূল ক্যামেরার মতো নয়। ভালো আলোতে এটি ব্যবহারযোগ্য ছবি দিতে পারে, কিন্তু অসাধারণ ফল আশা করার সুযোগ নেই। কম আলোতে এর দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়।
পোর্ট্রেট ও সেলফিতে কেমন ফল?
পোর্ট্রেট মোডে বিভিন্ন ফোকাল লেন্থে ছবি তোলার সুবিধা রয়েছে। তুলনামূলক বেশি ফোকাল লেন্থের ছবিগুলো ভালো লাগতে পারে। দিনের আলোতে পোর্ট্রেট ছবিতে অতিরিক্ত ডিটেল হারানোর প্রবণতা খুব বেশি দেখা যায়নি।
তবে কম আলোতে পোর্ট্রেট মোডও সমস্যায় পড়ে। স্কিন টোনে কিছুটা পরিবর্তন এবং সফটনেস দেখা যায়।
সামনের ক্যামেরা ভালো আলোতে শার্প ও ডিটেইলড সেলফি দিতে পারে। লো-লাইটে সেটিও কিছুটা সফট হয়ে যায়। রঙে কিছুটা পরিবর্তন এবং মুখে স্মুথনেসের অনুভূতি থাকে, এমনকি সেটিংস থেকে এসব বন্ধ রাখলেও সেই প্রভাব কিছুটা অনুভব করা যায়।
ভিডিওতে 4K 30fps, তবে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে
রিয়ার ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ 4K 30fps ভিডিও রেকর্ড করা যায়। ভিডিওর রেজল্যুশন ও স্ট্যাবিলিটি ভালো হলেও স্ট্যাবিলাইজেশনের সময় কিছুটা বেশি জুম করে দেখায়।
OIS ও EIS একসঙ্গে কাজ করার কারণে এই জুম দেখা যায়। একই সঙ্গে কিছু জিটারিংও পাওয়া গেছে। ফলে বেশি নড়াচড়া করে ভিডিও ধারণ করার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো নাও লাগতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ফোকাস হান্টিংয়ের ঘটনাও দেখা গেছে।
ফ্রন্ট ক্যামেরার ভিডিওও সর্বোচ্চ 4K 30fps-এ রেকর্ড করা যায়। সামগ্রিকভাবে এটি ব্যবহারযোগ্য হলেও হাইলাইট নিয়ন্ত্রণের সময় কিছুটা সমস্যা দেখা যায়। ফোনের মাইক্রোফোনের মাধ্যমে রেকর্ড করা অডিওও ভিডিওর সঙ্গে পাওয়া যায়।
স্পিকার ও অন্যান্য ফিচার
স্টেরিও স্পিকার Redmi Note 17 Pro Max-এর আরেকটি শক্তিশালী দিক। সাউন্ড যথেষ্ট জোরালো ও পরিষ্কার। সম্পূর্ণ নিখুঁত ব্যালান্স না থাকলেও উল্লেখযোগ্য ডিস্টর্শন বা অস্বস্তিকর ইমব্যালান্স অনুভূত হয়নি।
নোটিফিকেশন নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি এবং অন্যান্য সেন্সরও ঠিকভাবে কাজ করেছে।
ফোনটিতে আন্ডার-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার রয়েছে। বড় আকারের ডিভাইস হওয়ায় স্ক্যানারের অবস্থান শুরুতে কিছুটা নিচে মনে হতে পারে। কয়েকদিন ব্যবহারের পর অবশ্য এতে অভ্যস্ত হওয়া সম্ভব। স্ক্যানারটি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কাজ করেছে বলে রিভিউতে উল্লেখ করা হয়েছে।
দামের সঙ্গে কি মিলছে Redmi Note 17 Pro Max?
Redmi Note সিরিজকে আগে সাধারণত প্রায় ২০ হাজার, পরে ৩০ হাজার টাকার আশপাশের বাজেটেই দেখা গেছে। সেই তুলনায় Note 17 Pro Max-এর প্রায় ৬৫ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার দাম বড় পরিবর্তন।
তবে শুধু Redmi-এর দাম বাড়েনি। Vivo-এর V সিরিজ, Honor-এর Number সিরিজ, Infinix-এর Note সিরিজসহ বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী স্মার্টফোনও এখন একই ধরনের দামের পরিসরে অবস্থান করছে। অর্থাৎ বর্তমান বাজারে ফোনটির মূল্যায়ন করতে হলে একই দামের প্রতিযোগীদের সঙ্গেই তুলনা করতে হবে।
এই দামের পরও ফোনটির কিছু জায়গা স্পষ্টভাবে আলাদা করে নজরে আসে। প্রথমত ১০,০০০mAh ব্যাটারি, দ্বিতীয়ত ডিসপ্লে, এরপর Snapdragon 6Z5 ও UFS 4.1 স্টোরেজ। স্পিকারও ভালো। ক্যামেরায় টেলিফটো না থাকলেও একই দামের অন্য অনেক ফোনেও এই সুবিধা নেই বলে রিভিউতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে সামগ্রিক প্যাকেজ হিসেবে Redmi Note 17 Pro Max-কে প্রতিযোগিতামূলক জায়গায় রাখা যায়। কিন্তু বর্তমান মূল্যকে কম বলা যাচ্ছে না। বরং রিভিউয়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সামগ্রিক স্মার্টফোন বাজারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এই সিরিজও আগের দামের জায়গায় নেই।
ক্রেতাদের জন্য অতিরিক্ত অফার
ফোনটির সঙ্গে বর্তমানে ২,০০০ টাকার একটি গিফট ভাউচার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি Redmi হেডফোনসহ একটি বান্ডেলও পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে আরও কিছু সুবিধা রয়েছে।
তবে এই অফারগুলো কতদিন থাকবে, তা নিশ্চিত নয়। তাই কেনার সময় সংশ্লিষ্ট অফারটি তখনও চালু আছে কি না, সেটি দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
সবকিছু বিবেচনায় Redmi Note 17 Pro Max মূলত বড় ব্যাটারি, ভালো ডিসপ্লে, দ্রুত স্টোরেজ এবং শক্তিশালী দৈনন্দিন পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি প্যাকেজ। ক্যামেরায় টেলিফটো না থাকা এবং লো-লাইট ক্যামেরা পারফরম্যান্সের সীমাবদ্ধতা থাকলেও গেমিং, মাল্টিমিডিয়া ও দীর্ঘ ব্যাকআপের দিক থেকে ফোনটি আলাদা অবস্থান তৈরি করতে পারছে। তবে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—প্রায় ৬৫–৭০ হাজার টাকার দামে এই সুবিধাগুলো কতটা মূল্যবান, সেটিই হবে সম্ভাব্য ক্রেতাদের সিদ্ধান্তের মূল বিষয়।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ২১ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় যে ব্যাংক
- শেয়ার বাজারের পতন থামাতে অবকাঠামো সংস্কারের তাগিদ, সিসিপি নিয়ে প্রশ্ন
- দরপতন থামছে না, শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ডিএসই
- ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচ কবে, জেনে নিন পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও প্রতিপক্ষ
- আবারও বাড়লো তেলের দাম, জানুন নতুন মুল্য তালিকা
- পে-স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ, জানা গেল দিন তারিখ
- বিক্রির চাপে ডিএসই, কমেছে প্রধান তিন সূচক
- নিয়মিত ভেজানো ছোলা খাচ্ছেন? জানুন উপকারিতা, ক্ষতি ও কারা খাবেন
- এআই ঘিরে নতুন শঙ্কা, বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি ও চিপ শেয়ারে বড় ধাক্কা
- মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স, যতো উইকেট ও যতো রান করলেন
- আজকের অবহাওয়ার খবর: বৃষ্টি নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- বাংলাদেশ বনাম উত্তর কোরিয়া: গোল বন্যায় শেষ হলো ম্যাচ
- পে-স্কেলের গেজেট কবে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও কেন অপেক্ষা
- প্রতিদিন রসুন খাচ্ছেন? জানুন উপকারিতা, ক্ষতি ও কারা সতর্ক থাকবেন
- সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করল ইসি