Md Razib Ali
Senior Reporter
শেয়ারবাজারে এখন বিনিয়োগের সময়? সুযোগ-ঝুঁকির হিসাব
সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও স্বস্তি পুরোপুরি ফেরেনি, ভালো কোম্পানিতে সুযোগ দেখছেন বিশ্লেষকেরা
বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে আবারও কিছুটা গতি ফিরেছে। টানা কয়েকটি সেশনের দরপতনের পর সর্বশেষ লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৮ পয়েন্টের বেশি বেড়ে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে উঠেছে। শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি এবং বিভিন্ন খাতে ব্যাপক ক্রয়চাপ বাজারকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেছে। তবে এর মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে—এখন কি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের উপযুক্ত সময়, নাকি সামনে আরও ঝুঁকি রয়েছে?
সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, বর্তমান বাজারে একই সঙ্গে সুযোগ ও ঝুঁকি—দুটিই রয়েছে। সূচকের সাময়িক পুনরুদ্ধারকে দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার নিশ্চয়তা বলা যাচ্ছে না। কারণ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক খাতের বিপুল খেলাপি ঋণ, দুর্বল ঋণ প্রবৃদ্ধি, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখনো বাজারের ওপর চাপ তৈরি করছে।
এক সপ্তাহেই বড় পতন, আবার দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো
সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ডিএসইএক্স ৯৬ পয়েন্ট বা প্রায় ১.৭ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৪১৮ পয়েন্টে নেমেছিল। ওই সপ্তাহে ৩৩৬টি শেয়ারের দর কমেছিল, বিপরীতে বেড়েছিল মাত্র ২৭টির। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছিল।
এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর ডিএসইএক্স ৩৮.১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ওই দিন ৩৯৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ২৫৯টির দর বেড়েছে, কমেছে ৭৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৮টির। লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় ১৭.৮ শতাংশ বেড়ে ৬৬০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
এই দুই দিনের চিত্রই বর্তমান বাজারের চরিত্র বোঝার জন্য যথেষ্ট—বাজারে ক্রেতা আছে, কিন্তু অনিশ্চয়তাও প্রবল।
তাহলে কি এখন লাভ করা সম্ভব?
সম্ভব। তবে বাজারের সামগ্রিক সূচক বাড়লেই বিনিয়োগকারী লাভ করবেন—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য লাভের জায়গা বেশি তৈরি হতে পারে এমন কোম্পানিগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো—
ধারাবাহিকভাবে মুনাফা করছে;
EPS বাড়ছে বা স্থিতিশীল;
ব্যবসা থেকে পর্যাপ্ত নগদ প্রবাহ তৈরি করছে;
অতিরিক্ত ঋণের ওপর নির্ভরশীল নয়;
নিয়মিত লভ্যাংশ দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে;
ব্যবসার ওপর গ্যাস, ডলার, সুদহার বা আমদানির অতিরিক্ত চাপ তুলনামূলক কম;
শেয়ারদর কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অতিরিক্ত মূল্যায়িত নয়।
অন্যদিকে শুধু শেয়ারদর অনেক কমে গেছে—এই যুক্তিতে দুর্বল কোম্পানিতে প্রবেশ করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ব্যাংক খাত: সবচেয়ে বড় সুযোগ, আবার বড় ঝুঁকিও
বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে ব্যাংক খাতের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু এই খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় সতর্কতার জায়গাগুলোর একটি।
ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কয়েক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুর্বল ঋণ প্রবৃদ্ধি এবং সুদ আয়ে চাপ। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বেশ কিছু তালিকাভুক্ত ব্যাংকের মূল ব্যবসা থেকে সুদ আয় কমেছে।
তবে সব ব্যাংকের পরিস্থিতি এক নয়। উদাহরণ হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংকের ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে নিট মুনাফা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অর্থাৎ ব্যাংক খাতকে একসঙ্গে ভালো বা খারাপ না দেখে ব্যাংকভিত্তিক বিশ্লেষণ করা জরুরি।
বর্তমান বাজারে ব্যাংকের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের আগে বিশেষভাবে দেখতে হবে—
খেলাপি ঋণের হার, provision coverage, net interest income, capital adequacy, EPS, ROE এবং মূল ঋণ ব্যবসার প্রবৃদ্ধি।
শুধু শেয়ারদর কম দেখে ব্যাংকের শেয়ার কেনা তাই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে তুলনামূলক স্থিতিশীল ব্যবসার সুবিধা
অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় ওষুধের চাহিদা সাধারণত অন্যান্য অনেক পণ্যের তুলনায় বেশি স্থিতিশীল থাকে। এই কারণে ফার্মাসিউটিক্যাল খাত বিনিয়োগকারীদের নজরে থাকতে পারে।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সাম্প্রতিক আর্থিক ফলাফলে রাজস্ব ও মুনাফা বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। ফলে কোম্পানিটির মৌলভিত্তি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে রাজস্ব, EPS, NAV এবং নগদ প্রবাহ—সবগুলো সূচক একসঙ্গে দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে শক্তিশালী কোম্পানিও যে কোনো দামে ভালো বিনিয়োগ—এমন ধারণা ঠিক নয়। একটি কোম্পানির ব্যবসা ভালো হওয়ার পাশাপাশি শেয়ারটির বর্তমান মূল্যায়নও যুক্তিসঙ্গত কি না সেটি দেখতে হবে।
টেলিকমে নগদ প্রবাহ ও লভ্যাংশের গুরুত্ব
গ্রামীণফোনের মতো পরিণত টেলিকম কোম্পানির ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত মুনাফা, নগদ প্রবাহ এবং লভ্যাংশের দিকে বেশি নজর দেন।
গ্রামীণফোনের সাম্প্রতিক ফলাফলে উচ্চ মুনাফা ও শক্তিশালী EBITDA margin দেখা গেলেও রাজস্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চাপ রয়েছে। ফলে এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু লভ্যাংশ নয়, গ্রাহকসংখ্যা, ARPU, রাজস্ব প্রবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বিমা খাতে মুনাফা বেড়েছে, কিন্তু সতর্কতা জরুরি
২০২৬ সালের প্রথমার্ধে তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি সাধারণ বিমা কোম্পানির EPS উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কেরও বেশি।
এটি ইতিবাচক সংকেত হলেও বিনিয়োগকারীদের খেয়াল রাখতে হবে—মুনাফা বৃদ্ধির উৎস কী?
শুধু বিনিয়োগ থেকে আয় বেড়ে EPS বাড়ছে, নাকি মূল বিমা ব্যবসা ও premium collection-ও শক্তিশালী হচ্ছে—এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
টেক্সটাইল: লেনদেন বেশি মানেই শেয়ার ভালো নয়
বর্তমানে ডিএসইতে টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের আগ্রহ বেশ বেশি। সর্বশেষ একটি সেশনে মোট লেনদেনের ২৬.৩ শতাংশই এসেছে টেক্সটাইল খাত থেকে।
কিন্তু এখানেও কোম্পানি ধরে বিশ্লেষণ জরুরি। কোনো কোম্পানির শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হচ্ছে মানেই সেটি মৌলভিত্তিতে শক্তিশালী—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া যাবে না।
রপ্তানিনির্ভর টেক্সটাইল কোম্পানির ক্ষেত্রে ডলারের দাম, জ্বালানি ব্যয়, শ্রম ব্যয়, অর্ডার, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এবং ঋণের পরিমাণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
শিল্প খাতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—গ্যাস ও বিদ্যুৎ
বর্তমান বাজারের অন্যতম বড় ঝুঁকি হলো জ্বালানি সংকট।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে উদ্বেগের কারণে ডিএসইএক্সে ব্যাপক দরপতন হয়েছিল। বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছিল, দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট কোম্পানির উৎপাদন ও মুনাফাকে চাপে ফেলতে পারে।
এ কারণে সিমেন্ট, টেক্সটাইল, সিরামিক, স্টিল, কাগজ ও অন্যান্য উৎপাদননির্ভর কোম্পানির ক্ষেত্রে শুধু আয় ও EPS নয়—কারখানার সক্ষমতা কতটা ব্যবহার হচ্ছে এবং জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাব কতটা সেটিও দেখতে হবে।
মূল্যস্ফীতি কমলেও অর্থনীতির চাপ শেষ হয়নি
মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমা বাজারের জন্য ইতিবাচক। কিন্তু মূল্যস্ফীতি এখনো অর্থনীতিতে বড় চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে সুদহার, ঋণের খরচ এবং দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগ কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করতে পারে।
ফলে আগামী কয়েকটি প্রান্তিকে কোম্পানিগুলোর আর্থিক ফলাফল খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বাজারের ভবিষ্যৎ শুধু সূচকের ওপর নয়, কোম্পানির বাস্তব মুনাফা বৃদ্ধির ওপরও নির্ভর করবে।
কোন কোম্পানিগুলো নজরে রাখা যেতে পারে?
| কোম্পানি | কেন নজরে রাখা যায় | যে ঝুঁকি দেখতে হবে |
|---|---|---|
| Square Pharmaceuticals | রাজস্ব ও মুনাফায় সাম্প্রতিক প্রবৃদ্ধি | মূল্যায়ন, ওষুধের বাজার ও নিয়ন্ত্রক ঝুঁকি |
| Renata | সাম্প্রতিক মুনাফা ও EPS বৃদ্ধির প্রবণতা | ঋণ, উৎপাদন ব্যয় ও মূল্যায়ন |
| BRAC Bank | সাম্প্রতিক মুনাফা বৃদ্ধির শক্তিশালী তথ্য | ব্যাংক খাতের NPL ও সুদ আয় |
| Grameenphone | শক্তিশালী নগদ আয় ও লভ্যাংশ সক্ষমতা | রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রক চাপ |
| LafargeHolcim Bangladesh | সাম্প্রতিক প্রান্তিকে রাজস্ব ও মুনাফা বৃদ্ধি | জ্বালানি, নির্মাণ খাত ও সামগ্রিক চাহিদা |
বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি কোম্পানি বিশ্লেষণের জন্য নজরে রাখার মতো। এটি কেনার পরামর্শ নয়।
চাহিদা
এই তালিকার উদ্দেশ্য কোনো কোম্পানিকে ‘সেরা’ বা ‘লাভজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করা নয়; বরং বর্তমান আর্থিক ফলাফল ও ব্যবসার অবস্থার কারণে আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার মতো কোম্পানি হিসেবে দেখা।
কোন ধরনের কোম্পানি থেকে বেশি সতর্ক থাকা দরকার?
বর্তমান বাজারে বিনিয়োগকারীদের বিশেষভাবে সতর্ক হওয়া উচিত এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে—
ধারাবাহিকভাবে লোকসান করছে;
EPS দ্রুত কমছে;
অপারেটিং ক্যাশফ্লো দুর্বল;
ঋণ দ্রুত বাড়ছে;
দীর্ঘদিন লভ্যাংশ দিতে পারছে না;
মূল ব্যবসার পরিবর্তে এককালীন আয় দিয়ে মুনাফা দেখাচ্ছে;
বারবার আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশে সমস্যা করছে;
দুর্বল করপোরেট গভর্ন্যান্স বা নিয়ন্ত্রক ঝুঁকি রয়েছে;
শুধু গুজব বা অস্বাভাবিক লেনদেনের কারণে শেয়ারদর বাড়ছে।
বিশেষ করে ব্যাংক খাতে বিপুল খেলাপি ঋণ এবং দুর্বল মূল ব্যবসার কারণে কোম্পানিভিত্তিক যাচাই ছাড়া বিনিয়োগের ঝুঁকি বেশি।
এখন বিনিয়োগ করলে কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়?
বর্তমান বাজারের অস্থিরতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে একবারে পুরো অর্থ বিনিয়োগ না করা।
একটি পদ্ধতি হতে পারে ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করা। বাজার পড়ে গেলে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ রাখা যায়। একই সঙ্গে একটি খাতে পুরো অর্থ না রেখে বিভিন্ন খাতে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট খাতের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—শেয়ার কেনার আগে কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন দেখা।
কারণ ৫ হাজার ৫০০ বা ৬ হাজার পয়েন্টের DSEX নয়, শেষ পর্যন্ত কোম্পানির আয় ও ব্যবসাই বিনিয়োগের ফল নির্ধারণ করে।
বাজারে সুযোগ আছে, তবে বাছাই ছাড়া নয়
বর্তমান বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে একদিকে পুরোপুরি খারাপ বাজার বলা যাচ্ছে না, অন্যদিকে এটিকে ঝুঁকিমুক্ত বা নিশ্চিত লাভের বাজারও বলা যাচ্ছে না।
সাম্প্রতিক সময়ে DSEX আবার ৫ হাজার ৫০০ পয়েন্টের ওপরে উঠেছে। ১৭ সেপ্টেম্বর একদিনেই সূচক ৩৮ পয়েন্ট বেড়েছে এবং অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে।
কিন্তু কয়েক দিন আগেই গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও ভূরাজনৈতিক উদ্বেগে সূচক এক সপ্তাহে ৯৬ পয়েন্ট পড়ে গিয়েছিল।
এই ওঠানামাই দেখাচ্ছে—বর্তমান বাজারে লাভের সুযোগ যেমন রয়েছে, ভুল শেয়ার বাছাই করলে লোকসানের ঝুঁকিও কম নয়।
তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীর জন্য মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়—‘বাজার এখন উঠবে না নামবে?’
বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত—
কোম্পানিটির আয় কি বাড়ছে?
ঋণ কত?
নগদ প্রবাহ কেমন?
EPS কি টেকসই?
লভ্যাংশ দেওয়ার সক্ষমতা আছে কি?
বর্তমান শেয়ারদর কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক অবস্থার তুলনায় কতটা যৌক্তিক?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ইতিবাচক হলে বাজারের অস্থিরতার মধ্যেও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। আর উত্তর দুর্বল হলে শেয়ারদর যত কমই মনে হোক, সেটি বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ হয়ে যায় না।
অর্থাৎ বর্তমান শেয়ারবাজারে ‘বাজার কিনবেন’ নয়—‘কোম্পানি কিনবেন’।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- নিজের নামে কোথায় কত জমি, অনলাইনে দেখবেন যেভাবে
- সোনার ভরি কত আজ? ২১, ১৮ ও ২২ ক্যারেটের দামও জেনে নিন
- বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ আজ, কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ?
- ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করার নিয়ম, জানুন বিস্তারিত
- অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ: বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান সর্বশেষ স্কোর
- জমির মালিকের নাম দিয়ে খতিয়ান খুঁজবেন যেভাবে