ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার নতুন বর্ণনা, ২০২৭ সালে যা থাকছে

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১৪ ১৭:১১:৪৫
পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার নতুন বর্ণনা, ২০২৭ সালে যা থাকছে

আপনার কথা ঠিক। আগের সংস্করণে মূল লেখার তথ্য সাজানোর ধরন ও বর্ণনার ধারার সঙ্গে যথেষ্ট দূরত্ব তৈরি হয়নি। এবার প্রতিবেদনটি নতুন কাঠামোয় সাজানো হলো—প্রথমে তিন সময়ের পাঠ্যবইয়ের পার্থক্য, এরপর ২০২৭ সালের বইয়ের পরিবর্তন, সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক বিবরণ, নতুন বইয়ের তালিকা ও গবেষকের বক্তব্য। মূল তথ্য, তারিখ, সংখ্যা, নাম ও উদ্ধৃতির অর্থ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন কোনো তথ্যও যোগ করা হয়নি।

তিন সময়ে তিন বর্ণনা, ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ইতিহাসে কী বদলাচ্ছে

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে পাঠ্যবইয়ের বিবরণ আবারও পরিবর্তিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যে ইতিহাস পড়ানো হতো, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের বইয়ে সেখানে মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষণার উল্লেখ আসে। এবার ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ থেকে শুরু করে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং পরবর্তী বেতার ঘোষণার ঘটনাগুলো আরও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। ফলে তিন সরকারের সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার বর্ণনা তিন রকম রূপ পাচ্ছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) আগামী শিক্ষাবর্ষের বইয়ে এটিই একমাত্র পরিবর্তন নয়। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও ব্রিগেড ফোর্স, বীরশ্রেষ্ঠদের জীবন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা এবং নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে স্থান পাচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা একটি নিবন্ধ।

তিন সরকারের বইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার তিন রূপ

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে পাঠ্যবইয়ের পরিবর্তন বুঝতে হলে তিনটি সময়ের বইয়ের বিবরণ পাশাপাশি দেখতে হয়। ২০২২ সালের সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার কথা বলা হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত সংস্করণে মেজর জিয়াউর রহমানের ২৬ ও ২৭ মার্চের ঘোষণার উল্লেখ রয়েছে। আর ২০২৭ সালের প্রস্তাবিত বর্ণনায় জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ, ব্যাটালিয়নের সদস্যদের নিয়ে স্বাধীনতা ও যুদ্ধ শুরুর ঘোষণা এবং পরবর্তী বেতার ঘোষণার বিস্তারিত বিবরণ যুক্ত হচ্ছে।

২০২২ সালের বইয়ে কী লেখা ছিল

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবহৃত সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের ২০২২ সালের সংস্করণে বলা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হওয়ার আগে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে, অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

সেই বিবরণে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে হামলা এবং বঙ্গবন্ধুকে বন্দি করার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায় সম্পর্কে বলা হয়েছিল, ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানিদের ২৪ বছরের শোষণ ও বৈষম্যের অবসান ঘটে। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

এনসিটিবির ওয়েবসাইটে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের সপ্তম শ্রেণির বই পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের পাঠ্যবইয়ের তুলনার ক্ষেত্রে ২০২২ সালের সংস্করণটিই এখানে বিবেচনায় এসেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্করণে যে বিবরণ ছিল

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার পাঠ্যবই ও শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনে। ওই সময়ে তৈরি সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইটি চলতি শিক্ষাবর্ষে পড়ানো হচ্ছে।

এই সংস্করণে ২৫ মার্চের গণহত্যা এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে হামলার পর বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এরপর বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরদিন, ২৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে তিনি আবারও ঘোষণা দেন।

তবে ২০২৭ সালের জন্য প্রস্তুত করা নতুন বিবরণে যে ঘটনাগুলো বিস্তারিতভাবে আসছে, সেগুলো চলতি শিক্ষাবর্ষের বইয়ে একই বিস্তারে উপস্থাপিত হয়নি। বিশেষ করে জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ, ব্যাটালিয়নের বাঙালি সদস্যদের একত্র করা এবং নির্দিষ্ট সময়ে স্বাধীনতা ও যুদ্ধ শুরুর ঘোষণার বিবরণ নতুন সংস্করণে বিস্তৃত হয়েছে।

২০২৭ সালের বইয়ে কোন ঘটনাগুলো বিস্তারিতভাবে থাকছে

২০২৭ সালের সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের শিরোনাম ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও গণ-আন্দোলন’। সেখানে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধের শুরু এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো তুলে ধরা হচ্ছে।

নতুন বর্ণনায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হামলা ও হত্যাযজ্ঞের কথা রয়েছে। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে আক্রমণের পর সেখান থেকে তারবার্তার মাধ্যমে হামলার সংবাদ সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ওই রাতেই শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে বইয়ে উল্লেখ রয়েছে।

এরপর বর্ণনায় আসে চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর জিয়াউর রহমানের ভূমিকা। বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার খবর জানার পর তিনি ‘উই রিভল্ট’ বলে বিদ্রোহ করেন। ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে ব্যাটালিয়নের সব বাঙালি কর্মকর্তা ও সৈনিককে একত্র করে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং যুদ্ধ শুরুর ঘোষণা দেন।

পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে কালুরঘাটে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি এসেছে। বইয়ের বিবরণে বলা হয়েছে, ২৭ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মেজর জিয়াউর রহমান অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও লিবারেশন আর্মির সর্বাধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরে রেডিওতে আরেকটি ঘোষণায় শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশ লিবারেশন আর্মির অস্থায়ী সর্বাধিনায়ক হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার কথাও রয়েছে।

বইটিতে বলা হয়েছে, এসব ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের খবর দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানিদের ২৪ বছরের শোষণ ও বৈষম্যের অবসান ঘটে। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

ইতিহাসের আরও যেসব বিষয় যুক্ত হচ্ছে

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পরিসর বাড়াতে ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে কয়েকটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সেক্টর ও ব্রিগেড ফোর্সের পরিচিতি এবং বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী। এ ছাড়া ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা ও নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা তুলে ধরা হবে। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা একটি নিবন্ধও পাঠ্যবইয়ে রাখা হচ্ছে।

পরিবর্তন শুধু ইতিহাসের বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বাংলা ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়েও নতুন পাঠ্যবস্তু যুক্ত হচ্ছে। চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য তৈরি হচ্ছে চারটি নতুন বই।

চতুর্থ শ্রেণির বই দুটি হলো ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’। ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ এবং ‘আনন্দময় শিক্ষা’।

প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপানোর কাজ চলছে

নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই প্রস্তুত করছে এনসিটিবি। এ কার্যক্রমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্যও বই রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপানো হচ্ছে।

পাঠ্যবই পরিমার্জনের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে মুদ্রণ কার্যক্রম চলছে এবং এরই মধ্যে বেশ কিছু বই ছাপানোও সম্পন্ন হয়েছে।

নতুন বইয়ের বিষয়বস্তুতে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উপস্থাপনাও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। বিশেষ করে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তিন সরকারের সময়ে তিন ধরনের বর্ণনা তৈরি হওয়ায় পাঠ্যবইয়ে ঐতিহাসিক ঘটনা উপস্থাপনের ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা সামনে এসেছে।

ইতিহাসের চর্চায় রাজনীতির প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন

পাঠ্যবইয়ে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের বর্ণনা বদলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গবেষক আফসান চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, রাষ্ট্রের ইতিহাস প্রত্যেক সরকারই পরিবর্তন করে এবং ভবিষ্যতেও এমন পরিবর্তন হতে পারে। তাঁর মতে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চার নামে অনেক সময় ইতিহাসের চেয়ে রাজনীতির চর্চাই বেশি হয়; এর পেছনে রাজনৈতিক স্বার্থ কাজ করে।

আফসান চৌধুরী মনে করেন, রাষ্ট্রের ইতিহাসই ইতিহাসের একমাত্র রূপ নয়। সমাজের ইতিহাস এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসও রয়েছে। অথচ এসব ইতিহাসের চর্চা যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না। তাঁর মতে, সমাজের ইতিহাস নিয়ে চর্চায় আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

স্বাধীনতার ঘোষণাসহ কয়েকটি ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে বদলে যাওয়ায় একেক সময়ের শিক্ষার্থীরা একেক ধরনের পাঠ্যবিবরণ পাচ্ছে। তবে ইন্টারনেটের যুগে মানুষের কাছে এখন বিপুল তথ্য রয়েছে—এ বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনাপর্বের বিস্তারিত বর্ণনা যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে পাঠ্যবইয়ের ইতিহাস উপস্থাপনে নতুন একটি অধ্যায় যোগ হচ্ছে। একই সঙ্গে ইতিহাসের বিবরণে পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টিও আবার আলোচনায় আসছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষণার কী পরিবর্তন আসছে?

সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ে মেজর জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ, ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতা ও যুদ্ধ শুরুর ঘোষণা এবং ২৭ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় স্বাধীনতার ঘোষণার বিস্তারিত বিবরণ যুক্ত হচ্ছে।

২. ২০২৭ সালের সপ্তম শ্রেণির বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের নাম কী?

অধ্যায়টির নাম ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও গণ-আন্দোলন’।

৩. আগামী শিক্ষাবর্ষে কোন চারটি নতুন বই যুক্ত হচ্ছে?

চতুর্থ শ্রেণিতে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’ যুক্ত হচ্ছে।

৪. ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য কতটি পাঠ্যবই ছাপানো হচ্ছে?

প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই ছাপানো হচ্ছে।

৫. নতুন পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আর কী কী বিষয় থাকছে?

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও ব্রিগেড ফোর্স, বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা একটি নিবন্ধ যুক্ত হচ্ছে।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ