ঢাকা, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

জমির কাগজে ওয়ারিশের নাম নেই? অধিকার হারাবেন কি?

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১৮ ১৩:১৪:১৭
জমির কাগজে ওয়ারিশের নাম নেই? অধিকার হারাবেন কি?

কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তাঁর রেখে যাওয়া জমির খতিয়ান, নামজারি বা বণ্টনসংক্রান্ত কাগজে সব ওয়ারিশের নাম না থাকলে জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে কাগজে কোনো ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লেই তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন না। প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তাঁর বৈধ অংশ থাকলে, শুধু নাম না থাকার কারণে সেই অধিকার সাধারণত শেষ হয়ে যায় না।

বাংলাদেশে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে কারা ওয়ারিশ হবেন এবং কে কতটুকু জমি পাবেন, তা নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির ধর্ম, প্রযোজ্য ব্যক্তিগত উত্তরাধিকার আইন, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির ওপর। অন্যদিকে, জমির রেকর্ডে সব ওয়ারিশের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, সেটি আলাদা বিষয়। তাই কোনো ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লে জমির কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজন অনুযায়ী নামজারি সংশোধন, রেকর্ড সংশোধন কিংবা আইনগত প্রতিকার নেওয়া যেতে পারে।

সব ওয়ারিশের নাম না থাকলে কি জমির মালিকানা বাতিল হয়ে যায়?

না, শুধু সব ওয়ারিশের নাম খতিয়ান বা নামজারির কাগজে না থাকলেই জমির মালিকানা বাতিল হয়ে যায় না। উত্তরাধিকারসূত্রে কারা সম্পত্তির অধিকারী হবেন, তা নির্ধারিত হয় প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী। সরকারি রেকর্ডে নাম থাকা বা না থাকা এবং উত্তরাধিকারসূত্রে বৈধ অধিকার অর্জন করা এক বিষয় নয়।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে উত্তরাধিকারী হলেন। কিন্তু জমির নামজারি করার সময় শুধু ছেলেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলো, মেয়েদের নাম রাখা হলো না। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী মেয়েদের বৈধ অংশ থাকলে, শুধু নামজারিতে নাম না থাকার কারণে তাঁদের অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যাবে না।

তবে কার কতটুকু অংশ রয়েছে, তা নির্ধারণ করতে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তি, জীবিত ওয়ারিশদের পরিচয়, প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইন এবং অন্য কোনো বৈধ হস্তান্তর বা বণ্টন হয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি।

কোন কোন কাগজে সব ওয়ারিশের নাম থাকা জরুরি?

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে বিভিন্ন নথিতে ওয়ারিশদের নাম ও অধিকার যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে সব নথির কাজ এক নয়। কোনো নথিতে নাম না থাকলেই সব ক্ষেত্রে সেটি অবৈধ হয়ে যায়, এমন নয়।

খতিয়ান: জমির রেকর্ডে মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট ভূমির বিবরণ থাকে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, তা যাচাই করা দরকার।

নামজারি খতিয়ান: উত্তরাধিকারসূত্রে মালিকানা পরিবর্তনের পর ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় নতুন মালিকদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নামজারি করা হয়। কোনো বৈধ ওয়ারিশ বাদ পড়লে নামজারির তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।

ওয়ারিশ সনদ: সাধারণত স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংগ্রহ করা এই সনদে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের পরিচয় উল্লেখ থাকে। জমির উত্তরাধিকারসংক্রান্ত কাজে এটি সহায়ক নথি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে সনদে নাম থাকলেই প্রত্যেকের চূড়ান্ত অংশ নির্ধারিত হয়ে যায় না।

বণ্টননামা: ওয়ারিশদের মধ্যে জমি ভাগ করার জন্য বণ্টনসংক্রান্ত দলিল করা হলে তাতে কারা পক্ষ হয়েছেন, কী সম্পত্তি বণ্টন হয়েছে এবং কার ভাগে কতটুকু জমি পড়েছে, তা পরীক্ষা করতে হবে। কোনো ওয়ারিশকে বাদ দিয়ে করা বণ্টন তাঁর অধিকারের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা দলিলের বিষয়বস্তু ও প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে।

আরও পড়ুন:

দলিল ও খতিয়ানে দাগ নম্বর আলাদা? সঠিকটি জানবেন যেভাবে

প্রতিবেশী জমি দখল করেছে? জানুন আইনি প্রতিকারের উপায়

অন্যের নামে জমি রেকর্ড হয়ে গেলে নিজের নামে করবেন কীভাবে?

মূল দলিল ও পূর্ববর্তী নথি: মৃত ব্যক্তি কীভাবে জমির মালিক হয়েছিলেন এবং পরে কোনো বৈধ হস্তান্তর, দান, বিক্রয় বা বণ্টন হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে এসব নথি গুরুত্বপূর্ণ।

কোনো ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লে কী করবেন?

জমির খতিয়ান বা নামজারিতে কোনো বৈধ ওয়ারিশের নাম না থাকলে প্রথমেই নথির ভুল এবং প্রকৃত মালিকানার অবস্থা যাচাই করতে হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে।

প্রথম ধাপ: ওয়ারিশদের পরিচয় নিশ্চিত করুন

মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, প্রয়োজনীয় পারিবারিক তথ্য এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য নথি সংগ্রহ করুন। কে কে উত্তরাধিকারী, তা নিশ্চিত না হয়ে জমির অংশ নির্ধারণ করা উচিত নয়।

দ্বিতীয় ধাপ: জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করুন

মূল দলিল, খতিয়ান, নামজারি খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ এবং আগে কোনো বণ্টন বা হস্তান্তর হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট দলিল সংগ্রহ করুন। এগুলো থেকে জমির বর্তমান রেকর্ড এবং মালিকানার ধারাবাহিকতা যাচাই করা সম্ভব হবে।

তৃতীয় ধাপ: নামজারি বা রেকর্ড সংশোধনের ব্যবস্থা নিন

শুধু নামজারির আবেদনে কোনো ওয়ারিশ বাদ পড়লে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে প্রযোজ্য প্রক্রিয়ায় নাম অন্তর্ভুক্তি বা সংশোধনের আবেদন করা যেতে পারে। কিন্তু বিরোধপূর্ণ মালিকানা বা জটিল রেকর্ডের ক্ষেত্রে কেবল নামজারি সংশোধনই যথেষ্ট নাও হতে পারে।

চতুর্থ ধাপ: প্রয়োজনে আইনগত প্রতিকার নিন

অন্য ওয়ারিশরা নাম অন্তর্ভুক্ত করতে রাজি না হলে, জমির অংশ অস্বীকার করলে বা বাদ পড়া ব্যক্তির অধিকার নিয়ে বিরোধ তৈরি হলে ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিন। পরিস্থিতি অনুযায়ী আদালতে স্বত্ব ঘোষণার মামলা, বণ্টন মামলা বা অন্য উপযুক্ত প্রতিকার চাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

একজন ওয়ারিশের নাম বাদ দিয়ে জমি বিক্রি করলে কী হবে?

সব ওয়ারিশের নাম বাদ দিয়ে বা কোনো একজনকে বাদ রেখে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি বিক্রি করা হলে দলিলের বৈধতা ও ক্রেতার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এমন বিক্রয় সব পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ বাতিল—এমন সিদ্ধান্তও ঠিক নয়।

সাধারণভাবে, কোনো ওয়ারিশের নিজের বৈধ অংশ থাকলে তিনি প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী সেই অংশ হস্তান্তর করতে পারেন। কিন্তু অন্য ওয়ারিশদের অংশের ওপর তাঁর এককভাবে অধিকার রয়েছে, এমন নয়। একজন সহশরিক বা সহমালিক নিজের অধিকার ও অংশের সীমার বাইরে অন্যের সম্পত্তি বৈধভাবে হস্তান্তর করতে পারেন কি না, তা নির্দিষ্ট পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো মৃত ব্যক্তির জমিতে একাধিক ওয়ারিশের অধিকার থাকলে তাঁদের একজন পুরো জমি নিজের বলে বিক্রি করলেই অন্যদের বৈধ অংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায় না। তবে ক্রেতার অধিকার, বিক্রয় দলিলের কার্যকারিতা এবং জমির দখল নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে।

এমন ঘটনা ঘটলে বিক্রয় দলিল, পূর্ববর্তী মালিকানার নথি, ওয়ারিশদের পরিচয় এবং জমির বর্তমান রেকর্ড যাচাই করা জরুরি। প্রয়োজনে দ্রুত আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

নামজারিতে সব ওয়ারিশের নাম না থাকলে কি জমি বণ্টন করা যাবে?

উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জমি বণ্টনের আগে কারা বৈধ ওয়ারিশ এবং প্রত্যেকের প্রাপ্য অংশ কত, তা নির্ধারণ করা জরুরি। কোনো ওয়ারিশের নাম নামজারিতে না থাকলেও তাঁর উত্তরাধিকার অধিকার থাকতে পারে। তাই শুধু নামজারি খতিয়ানের ভিত্তিতে অন্যদের বাদ দিয়ে পুরো জমি বণ্টন করা ঝুঁকিপূর্ণ।

সব ওয়ারিশের সম্মতি থাকলে প্রযোজ্য আইন অনুসরণ করে বণ্টননামা প্রস্তুত ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কেউ সম্মত না হলে বা নিজের অংশ নিয়ে বিরোধ থাকলে উপযুক্ত আদালতে বণ্টন মামলা করার প্রয়োজন হতে পারে।

মনে রাখতে হবে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কে কতটুকু জমি পাবেন, তা সব পরিবারের ক্ষেত্রে সমান হয় না। মুসলিম, হিন্দু ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইন এবং পারিবারিক পরিস্থিতি অনুযায়ী উত্তরাধিকারের হিসাব ভিন্ন হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট তথ্য যাচাই না করে সবার অংশ সমান ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

উত্তরাধিকারসূত্রে জমির নামজারি করতে কী কী কাগজ লাগে?

উত্তরাধিকারসূত্রে জমির নামজারি করতে সাধারণত কয়েক ধরনের নথির প্রয়োজন হতে পারে। আবেদনের ধরন ও জমির রেকর্ডের অবস্থা অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজও চাওয়া হতে পারে।

1. মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ।

2. ওয়ারিশ সনদ বা উত্তরাধিকারীদের পরিচয় প্রমাণের প্রাসঙ্গিক নথি।

3. জমির মূল দলিল অথবা মালিকানার ধারাবাহিকতা প্রমাণকারী দলিল।

4. প্রযোজ্য খতিয়ান ও দাগ নম্বরের তথ্য।

5. আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা পরিচয়সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি।

6. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বণ্টননামা, পূর্ববর্তী নামজারি খতিয়ান এবং ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য।

নামজারির আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে সরকারি ভূমিসেবা পোর্টালে তথ্য পাওয়া যায়।

সরকারি ওয়েবসাইট: [https://land.gov.bd/](https://land.gov.bd/)

আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস থেকে বর্তমান প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।

সব ওয়ারিশের নাম জমির কাগজে না থাকলে তাঁদের বৈধ উত্তরাধিকার অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায় না। তবে বাদ পড়া নাম, জমির মালিকানা, অংশের পরিমাণ এবং আগের কোনো বণ্টন বা হস্তান্তরের বৈধতা যাচাই করা জরুরি।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রথমে ওয়ারিশ সনদ, দলিল, খতিয়ান ও নামজারির তথ্য মিলিয়ে দেখুন। ভুল থাকলে প্রযোজ্য নিয়মে সংশোধনের উদ্যোগ নিন। আর অন্য ওয়ারিশরা অধিকার অস্বীকার করলে বা জমি বিক্রি করে দিলে পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে উপযুক্ত আইনি প্রতিকার চান। সময়মতো পদক্ষেপ নিলে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি নিয়ে ভবিষ্যতের জটিলতা কমানো সম্ভব।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: সব ওয়ারিশের নাম খতিয়ানে না থাকলে কি বাদ পড়া ওয়ারিশ জমির অংশ পাবেন?

উত্তর: প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তাঁর বৈধ অংশ থাকলে শুধু খতিয়ানে নাম না থাকার কারণে সেই অধিকার সাধারণত শেষ হয় না। তবে তাঁর অধিকার ও অংশের পরিমাণ যাচাই করতে হবে।

প্রশ্ন ২: একজন ওয়ারিশ কি অন্যদের বাদ দিয়ে পুরো জমি বিক্রি করতে পারেন?

উত্তর: সাধারণভাবে একজন ওয়ারিশ অন্যদের বৈধ অংশ নিজের বলে বিক্রি করতে পারেন না। তিনি নিজের আইনসম্মত অংশের বেশি হস্তান্তর করলে তার কার্যকারিতা নিয়ে বিরোধ হতে পারে।

প্রশ্ন ৩: ওয়ারিশের নাম বাদ পড়লে কীভাবে নামজারি সংশোধন করবেন?

উত্তর: সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় নথিসহ প্রযোজ্য সংশোধন বা নামজারির আবেদন করতে পারেন। মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে আদালতের প্রতিকার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রশ্ন ৪: সব ওয়ারিশের সম্মতি ছাড়া জমি বণ্টন করা যায়?

উত্তর: বিষয়টি বণ্টনের ধরন, মালিকানার অবস্থা ও প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে। সমঝোতা না হলে উপযুক্ত আদালতে বণ্টন মামলা করার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রশ্ন ৫: ওয়ারিশ সনদে নাম থাকলেই কি জমির মালিক হওয়া যায়?

উত্তর: ওয়ারিশ সনদ উত্তরাধিকারীদের পরিচয় প্রমাণে সহায়তা করে, কিন্তু এটি একাই চূড়ান্ত মালিকানা বা প্রত্যেকের অংশ নির্ধারণ করে না। সংশ্লিষ্ট দলিল, রেকর্ড ও প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইন বিবেচনা করতে হয়।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: