ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে, জেনে নিন সহজ উপায়
ফ্রিজের দরজা খুলতেই পচা খাবার, মাছ-মাংস কিংবা অস্বস্তিকর গন্ধ নাকে আসছে? নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও অনেক সময় ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর হয় না। এর কারণ শুধু নষ্ট খাবার নয়; ভেতরে পড়ে থাকা খাবারের রস, তাকের কোণে জমে থাকা ময়লা, ড্রেনের ছিদ্রে আটকে থাকা বর্জ্য কিংবা ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা খাবার থেকেও দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। এ সমস্যা দূর করতে প্রথমে গন্ধের উৎস খুঁজে বের করা জরুরি। এরপর উপযুক্তভাবে ফ্রিজ পরিষ্কার, শুকনো রাখা এবং খাবার সঠিক পাত্রে সংরক্ষণের মাধ্যমে দুর্গন্ধ কমানো সম্ভব।
অনেকে ফ্রিজে সুগন্ধি বা বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করে গন্ধ ঢাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে দুর্গন্ধের মূল কারণ দূর হয় না। বরং খাবারের সংস্পর্শে অনুপযুক্ত রাসায়নিক এলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই ফ্রিজের গন্ধ দূর করতে নিরাপদ ও কার্যকর পরিচ্ছন্নতার পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।
ফ্রিজে দুর্গন্ধ হয় কেন?
ফ্রিজের ভেতরে কম তাপমাত্রা থাকলেও খাবার নষ্ট হওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয় না। কিছু খাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেগুলো থেকে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। আবার খাবার ছড়িয়ে পড়া বা ঢাকনাবিহীন পাত্রে রাখার কারণেও পুরো ফ্রিজে গন্ধ ছড়িয়ে যায়।
ফ্রিজে দুর্গন্ধ হওয়ার সাধারণ কারণগুলো হলো—
পচা বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার: দীর্ঘদিন রাখা সবজি, ফল, মাছ, মাংস বা রান্না করা খাবার নষ্ট হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।
খাবারের রস ছড়িয়ে পড়া: মাছ-মাংসের কাঁচা রস বা তরকারি পড়ে থাকলে তাক ও ড্রয়ারে গন্ধ জমে যায়।
ঢাকনাবিহীন পাত্র: খোলা পাত্রে খাবার রাখলে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ড্রেনের ছিদ্রে ময়লা জমা: কিছু ফ্রিজে পানি বের হওয়ার জন্য ড্রেন থাকে। সেখানে খাবারের কণা বা ময়লা জমলে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে।
দরজার রাবারে ময়লা: দরজার চারপাশের রাবার বা গ্যাসকেটের ভাঁজে খাবারের কণা ও আর্দ্রতা জমে থাকতে পারে।
অতিরিক্ত আর্দ্রতা: ফ্রিজের ভেতরে পানি জমে থাকলে বা বাতাস চলাচলে বাধা তৈরি হলে দুর্গন্ধের সমস্যা বাড়তে পারে।
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করার কার্যকর উপায়
দুর্গন্ধ দূর করতে শুধু সুগন্ধি ব্যবহার না করে ফ্রিজের ভেতর পরিষ্কার করা প্রয়োজন। নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
১. নষ্ট ও পুরোনো খাবার বের করে ফেলুন
ফ্রিজ পরিষ্কারের প্রথম কাজ হলো ভেতরে রাখা সব খাবার পরীক্ষা করা। কোন খাবার কত দিন ধরে রাখা হয়েছে, প্যাকেটের মেয়াদ শেষ হয়েছে কি না এবং খাবারে অস্বাভাবিক গন্ধ বা রং দেখা যাচ্ছে কি না, তা খেয়াল করুন।
নষ্ট, পচা বা সন্দেহজনক খাবার ফেলে দিন। খাওয়ার উপযোগিতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে শুধু গন্ধ শুঁকে সিদ্ধান্ত নেবেন না। খাবার দেখতে স্বাভাবিক হলেও তাতে ক্ষতিকর জীবাণু থাকতে পারে।
মাছ, মাংস বা তরকারির রস পড়ে থাকলে দ্রুত পরিষ্কার করুন। কারণ এসব তরল তাকের ফাঁক ও ড্রয়ারের নিচে জমে থেকে দীর্ঘ সময় দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।
২. ফ্রিজের তাক ও ড্রয়ার খুলে পরিষ্কার করুন
খাবার বের করার পর সম্ভব হলে ফ্রিজের তাক, ড্রয়ার ও খুলে নেওয়া যায় এমন অংশগুলো আলাদা করুন। প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষ্কার করুন।
হালকা গরম পানি ও ডিশওয়াশিং লিকুইড দিয়ে এসব অংশ ধুয়ে নেওয়া যায়। পরিষ্কারের পর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুছে বা ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।
খুব ঠান্ডা কাচের তাক সরাসরি গরম পানিতে দেবেন না। তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তনে কাচ ফেটে যেতে পারে। একইভাবে প্লাস্টিকের অংশ পরিষ্কারের সময় শক্ত ব্রাশ বা ঘষামাজার উপকরণ ব্যবহার না করাই ভালো।
৩. বেকিং সোডা দিয়ে গন্ধ কমান
ফ্রিজের দুর্গন্ধ কমাতে বেকিং সোডা একটি পরিচিত ঘরোয়া উপায়। এটি আশপাশের কিছু দুর্গন্ধ শোষণ করতে পারে।
একটি ছোট খোলা পাত্রে কয়েক টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে ফ্রিজের ভেতরে রাখতে পারেন। তবে পাত্রটি এমন জায়গায় রাখুন, যাতে খাবারের সঙ্গে মিশে না যায় বা উল্টে না পড়ে।
নিয়মিত পাত্রের বেকিং সোডা পরিবর্তন করতে হবে। দীর্ঘদিন একই বেকিং সোডা রেখে দিলে এর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
মনে রাখবেন, বেকিং সোডা দুর্গন্ধ কমাতে সহায়তা করলেও নষ্ট খাবার, ছড়িয়ে পড়া তরল বা জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের বিকল্প নয়।
৪. ভিনেগার মিশ্রিত পানি দিয়ে মুছুন
ফ্রিজের ভেতরের কিছু অংশ পরিষ্কারে সাদা ভিনেগার ও পানি ব্যবহার করা যায়। সমপরিমাণ পানি ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে কাপড় ভিজিয়ে তাক, দেয়াল ও ড্রয়ারের উপযোগী অংশ মুছে নিতে পারেন।
এরপর পরিষ্কার ভেজা কাপড় দিয়ে আবার মুছে ফেলুন এবং শুকিয়ে নিন। ভিনেগার ব্যবহার করার আগে ফ্রিজ প্রস্তুতকারকের পরিচর্যার নির্দেশনা দেখে নেওয়া ভালো। কোনো সংবেদনশীল পৃষ্ঠ বা ধাতব অংশে ব্যবহার উপযোগী কি না, সেটিও বিবেচনা করতে হবে।
সতর্কতা: ভিনেগারের সঙ্গে কখনো ব্লিচ বা ব্লিচযুক্ত পরিষ্কারক মেশাবেন না। এতে বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস তৈরি হতে পারে। অন্য কোনো পরিষ্কারক ব্যবহারের পর না ধুয়ে তার ওপর ভিনেগার ব্যবহার করাও ঠিক নয়।
৫. দরজার রাবার ও কোণাগুলো পরিষ্কার করুন
ফ্রিজের দরজার চারপাশে থাকা রাবারকে গ্যাসকেট বলা হয়। এর ভাঁজে ধুলো, খাবারের কণা ও আর্দ্রতা জমে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে।
নরম কাপড় ও হালকা সাবান-পানি দিয়ে রাবারের ভাঁজগুলো সাবধানে পরিষ্কার করুন। এরপর শুকনো কাপড় দিয়ে পানি মুছে ফেলুন।
রাবারে ছত্রাকের মতো দাগ দেখা গেলে বা সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্রিজের প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। দরজার রাবার ঠিকমতো বন্ধ না হলে ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যেতে পারে এবং ফ্রিজের ভেতরে আর্দ্রতা বাড়তে পারে।
৬. ড্রেনের ছিদ্র পরীক্ষা করুন
কিছু ফ্রিজে ভেতরের পানি বের হওয়ার জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকে। ড্রেনের ছিদ্রে খাবারের কণা বা ময়লা আটকে গেলে পানি জমে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে।
ফ্রিজের মডেল অনুযায়ী ড্রেনের অবস্থান আলাদা হয়। ব্যবহার নির্দেশিকা দেখে ছিদ্রটি কোথায় আছে তা শনাক্ত করুন। পরিষ্কারের জন্য প্রস্তুতকারকের অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
ধারালো তার, ছুরি বা শক্ত বস্তু ঢুকিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করার চেষ্টা করবেন না। এতে পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ড্রেন বন্ধ হয়ে গেলে বা পানি জমতে থাকলে প্রয়োজনে কারিগরের সাহায্য নিন।
৭. অ্যাক্টিভেটেড চারকোল ব্যবহার করতে পারেন
অ্যাক্টিভেটেড চারকোল বা সক্রিয় কার্বন দুর্গন্ধ শোষণে ব্যবহার করা হয়। ফ্রিজের জন্য তৈরি উপযুক্ত চারকোলভিত্তিক গন্ধ শোষক পাওয়া গেলে পণ্যের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন।
তবে এটি ফ্রিজের ভেতরের ময়লা বা নষ্ট খাবার দূর করতে পারে না। তাই পরিষ্কারের পর অবশিষ্ট গন্ধ কমানোর সহায়ক উপায় হিসেবে ব্যবহার করাই ভালো।
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে যেসব ভুল করবেন না
অনেক সময় দ্রুত গন্ধ দূর করতে গিয়ে এমন কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা ফ্রিজ বা খাবারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ফ্রিজের ভেতরে সরাসরি ব্লিচ, কীটনাশক বা সুগন্ধি স্প্রে করবেন না।
ভিনেগার, ব্লিচ, অ্যামোনিয়া বা অন্য পরিষ্কারক একসঙ্গে মেশাবেন না।
পরিষ্কারের সময় ধারালো বস্তু দিয়ে বরফ বা ময়লা খোঁচাবেন না।
ফ্রিজের ভেতরে গরম পানি ঢেলে পরিষ্কার করবেন না।
ভেজা তাক ও ড্রয়ার পুরোপুরি না শুকিয়ে আবার বসাবেন না।
খাবারের পাশে খোলা রাসায়নিক বা সুগন্ধিযুক্ত পণ্য রাখবেন না।
ফ্রিজে দুর্গন্ধ হওয়া ঠেকাতে খাবার রাখবেন যেভাবে
একবার পরিষ্কার করার পরও যদি খাবার রাখার নিয়ম ঠিক না থাকে, তাহলে আবার দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। তাই কয়েকটি অভ্যাস মেনে চলা জরুরি।
খাবার ঢেকে রাখুন: রান্না করা খাবার ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রাখুন। এতে খাবারের গন্ধ ছড়ানো ও এক খাবারের সঙ্গে অন্য খাবারের গন্ধ মিশে যাওয়া কমে।
কাঁচা মাছ-মাংস আলাদা রাখুন: কাঁচা মাছ ও মাংস বন্ধ পাত্রে বা লিকপ্রুফ ব্যাগে রাখুন। এগুলো এমনভাবে রাখুন, যাতে রস অন্য খাবারের ওপর না পড়ে। সম্ভব হলে নিচের তাকে রাখুন।
ফ্রিজ অতিরিক্ত ভর্তি করবেন না: অতিরিক্ত খাবার গুঁজে রাখলে ঠান্ডা বাতাস চলাচলে বাধা তৈরি হতে পারে। এতে খাবার ঠিকভাবে ঠান্ডা না হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
নিয়মিত খাবারের মেয়াদ পরীক্ষা করুন: কয়েক দিন পরপর ফ্রিজের খাবার পরীক্ষা করুন। পুরোনো ও নষ্ট খাবার সরিয়ে ফেলুন।
তাপমাত্রা ঠিক রাখুন: সাধারণভাবে রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে রাখা নিরাপদ। ফ্রিজারের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে। সম্ভব হলে থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা যাচাই করুন।
ছড়িয়ে পড়া খাবার দ্রুত পরিষ্কার করুন: তরকারি, দুধ, মাছ বা মাংসের রস পড়ে গেলে শুকিয়ে যাওয়ার আগেই পরিষ্কার করুন।
পরিষ্কারের পরও ফ্রিজে দুর্গন্ধ থাকলে কী করবেন?
সব খাবার বের করে পরিষ্কার করার পরও যদি দুর্গন্ধ থেকে যায়, তাহলে সমস্যাটি ফ্রিজের ভেতরের কোনো লুকানো অংশে থাকতে পারে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রিপ প্যান, দরজার গ্যাসকেট বা ফ্রিজের পেছনের অংশে ময়লা জমে থাকলে গন্ধ ফিরে আসতে পারে।
কিছু ফ্রিজে কম্প্রেসরের কাছে ড্রিপ প্যান থাকে, যেখানে ডিফ্রস্টের পানি জমে বাষ্পীভূত হয়। সেখানে ময়লা জমলে দুর্গন্ধ হতে পারে। তবে সব মডেলে এই প্যান একই জায়গায় থাকে না এবং সব ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী নিজে পরিষ্কার করতে পারেন না।
ফ্রিজ থেকে পোড়া গন্ধ, বৈদ্যুতিক তার পোড়ার মতো গন্ধ বা অস্বাভাবিক শব্দ এলে বিষয়টিকে সাধারণ দুর্গন্ধ ভেবে উপেক্ষা করবেন না। নিরাপদ হলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার বা দক্ষ কারিগরের সাহায্য নিন।
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো গন্ধের উৎস শনাক্ত করে সেটি পরিষ্কার করা। নষ্ট খাবার সরিয়ে ফেলা, তাক ও ড্রয়ার ধোয়া, দরজার রাবার পরিষ্কার রাখা এবং খাবার ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ করলে দুর্গন্ধ ফিরে আসার আশঙ্কা কমে। প্রয়োজনে বেকিং সোডা বা উপযুক্ত অ্যাক্টিভেটেড চারকোল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে দুর্গন্ধ বারবার ফিরে এলে ফ্রিজের ড্রেন, ড্রিপ প্যান ও অন্যান্য অংশ পরীক্ষা করানো জরুরি।
প্রাসঙ্গিক FAQ
১. ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা কীভাবে ব্যবহার করবেন?
একটি ছোট খোলা পাত্রে কয়েক টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে ফ্রিজের ভেতরে রাখতে পারেন। এটি কিছু দুর্গন্ধ শোষণে সহায়তা করে। তবে নষ্ট খাবার বা ময়লা পরিষ্কার না করলে শুধু বেকিং সোডায় স্থায়ী সমাধান হবে না।
২. ফ্রিজ পরিষ্কার করতে ভিনেগার ব্যবহার করা যায়?
হ্যাঁ, উপযোগী পৃষ্ঠে সমপরিমাণ পানি ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছতে পারেন। তবে প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে এবং কখনো ব্লিচের সঙ্গে ভিনেগার মেশানো যাবে না।
৩. ফ্রিজের তাপমাত্রা কত রাখা উচিত?
রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে এবং ফ্রিজারের তাপমাত্রা মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে রাখা উচিত।
৪. ফ্রিজে মাছ-মাংস কীভাবে রাখলে দুর্গন্ধ ছড়াবে না?
মাছ-মাংস বন্ধ ও লিকপ্রুফ পাত্রে রাখুন। কাঁচা খাবার রান্না করা খাবার থেকে আলাদা রাখুন এবং সম্ভব হলে নিচের তাকে সংরক্ষণ করুন।
৫. পরিষ্কারের পরও ফ্রিজে দুর্গন্ধ থাকলে কী করবেন?
ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রিপ প্যান ও দরজার রাবার পরীক্ষা করুন। এসব অংশ পরিষ্কার করেও গন্ধ না কমলে দক্ষ কারিগরের সাহায্য নিন।
তানভির ইসলাম/