ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

জন্মনিবন্ধন অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে, জেনে নিন নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ২০:০১:২৭
জন্মনিবন্ধন অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে, জেনে নিন নিয়ম

জন্মনিবন্ধন সনদ পেতে এখন আর শুরু থেকেই হাতে লেখা ফরম পূরণ করার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের আবেদন করা যায়। বাংলাদেশ সরকারের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (BDRIS) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্ধারিত তথ্য পূরণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত এবং আবেদন সাবমিট করলেই প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে অনলাইনে আবেদন করলেই সঙ্গে সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়া যায় না। আবেদনপত্র প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে জমা দিতে হয়।

শিশুর জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব জন্মনিবন্ধন করানো ভালো। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পাসপোর্ট তৈরি, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন সরকারি কাজে জন্মনিবন্ধন প্রয়োজন হয়। তাই নতুন জন্মনিবন্ধন করতে চাইলে আবেদন করার নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ফরম পূরণের সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, সেগুলো আগে থেকেই জেনে রাখা জরুরি।

জন্মনিবন্ধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে

বাংলাদেশের নাগরিকদের নতুন জন্মনিবন্ধনের আবেদন করার জন্য সরকারের নির্ধারিত ওয়েবসাইট হলো BDRIS। কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোন ব্যবহার করেই এই আবেদন করা যায়।

অনলাইনে আবেদন করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

ধাপ ১: সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

প্রথমে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সরকারি ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সেখানে জন্মনিবন্ধনের আবেদনসংক্রান্ত একটি ফরম দেখতে পাবেন।

ধাপ ২: আবেদন করার ঠিকানা নির্বাচন করুন

ফরমের শুরুতে জানতে চাওয়া হবে কোন ঠিকানায় জন্মনিবন্ধনের আবেদন করতে চান। এখানে সাধারণত তিনটি বিকল্প থাকে—

জন্মস্থান

স্থায়ী ঠিকানা

বাংলাদেশ দূতাবাস

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে জন্মস্থান অথবা স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কার্যালয় নির্বাচন করতে হবে। বিদেশে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

এরপর দেশ, বিভাগ, জেলা, সিটি করপোরেশন বা উপজেলা, পৌরসভা বা ইউনিয়ন এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের তথ্য দিয়ে নিবন্ধন কার্যালয় নির্বাচন করুন।

ধাপ ৩: জন্মনিবন্ধন করতে যাঁর আবেদন, তাঁর তথ্য দিন

এবার যাঁর জন্মনিবন্ধন করা হবে, তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করতে হবে। এ পর্যায়ে সাধারণত যেসব তথ্য চাওয়া হয়—

নামের প্রথম ও শেষ অংশ বাংলায়।

নামের প্রথম ও শেষ অংশ ইংরেজিতে।

জন্মতারিখ।

পিতা ও মাতার কততম সন্তান।

লিঙ্গ।

ধর্ম।

নাম ও জন্মতারিখ লেখার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন। ভবিষ্যতে শিক্ষাগত সনদ, পাসপোর্ট কিংবা অন্যান্য পরিচয়পত্রের সঙ্গে যেন তথ্যের অমিল না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ধাপ ৪: জন্মস্থানের ঠিকানা পূরণ করুন

এ পর্যায়ে জন্মের সময়কার ঠিকানা দিতে হবে। দেশ, বিভাগ, জেলা, উপজেলা বা সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন বা পৌরসভা, ওয়ার্ড, ডাকঘর এবং গ্রাম বা মহল্লার তথ্য নির্ভুলভাবে লিখুন।

ঠিকানার তথ্য বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও দিতে হতে পারে। তাই ইংরেজি বানানও যাচাই করে নিন।

ধাপ ৫: বাবা-মায়ের তথ্য দিন

জন্মনিবন্ধনের আবেদনে বাবা ও মায়ের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়োজন হয়—

বাবার নাম বাংলায় ও ইংরেজিতে।

বাবার জন্মনিবন্ধন নম্বর ও জন্মতারিখ।

মায়ের নাম বাংলায় ও ইংরেজিতে।

মায়ের জন্মনিবন্ধন নম্বর ও জন্মতারিখ।

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের তথ্য।

বাবা-মায়ের জাতীয়তা।

জন্মনিবন্ধন নম্বর ও নামের তথ্য দেওয়ার সময় মূল সনদের সঙ্গে মিলিয়ে লিখুন। বাবা-মায়ের তথ্যের সঙ্গে সন্তানের তথ্যের সামঞ্জস্য থাকা জরুরি।

ধাপ ৬: স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা লিখুন

এরপর আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানার তথ্য পূরণ করতে হবে। জন্মস্থানের ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা একই হলে নির্ধারিত অপশন নির্বাচন করা যাবে। একইভাবে স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এক হলে সেই অনুযায়ী তথ্য দিন।

ঠিকানা লেখার সময় বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন বা পৌরসভা, ওয়ার্ড, ডাকঘর, গ্রাম, পাড়া বা মহল্লার তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।

ধাপ ৭: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন

আবেদনকারীর বয়স অনুযায়ী জন্মের প্রমাণ এবং ঠিকানার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো।

ধাপ ৮: আবেদনকারীর তথ্য ও মোবাইল নম্বর দিন

এবার যিনি আবেদন করছেন, তাঁর নাম, আবেদনাধীন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক, ঠিকানা এবং যোগাযোগের তথ্য দিতে হবে।

বাংলাদেশে আবেদনকারীর দেওয়া মোবাইল নম্বরে ওটিপি পাঠানো হয়। নির্ধারিত ঘরে ওটিপি লিখে যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।

ধাপ ৯: সব তথ্য যাচাই করে আবেদন সাবমিট করুন

সবশেষে আবেদনপত্রের প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। বিশেষ করে নামের বানান, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের পরিচয় এবং ঠিকানার তথ্য যাচাই করা জরুরি।

সবকিছু ঠিক থাকলে আবেদন সাবমিট করুন। মনে রাখবেন, সরকারি পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী একবার আবেদন সাবমিট হয়ে গেলে ফরমে আর সম্পাদনার সুযোগ থাকে না।

আবেদন সম্পন্ন হলে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করুন। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।

জন্মনিবন্ধন করতে কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?

জন্মনিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনকারীর বয়স এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। সাধারণত জন্মের প্রমাণ, বাবা-মায়ের পরিচয় এবং স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ দিতে হয়।

৫ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে

হাসপাতাল বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র অথবা জন্মসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

স্বাস্থ্যকর্মীর প্রত্যয়ন অথবা ইপিআই টিকা কার্ডের সত্যায়িত অনুলিপি।

বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধন নম্বর ও পরিচয়সংক্রান্ত কাগজপত্র।

স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে প্রযোজ্য কর পরিশোধের রসিদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট অথবা জমি বা বাড়ির মালিকানাসংক্রান্ত দলিল।

প্রয়োজন অনুযায়ী শিশুর ছবি ও অভিভাবকের পরিচয়সংক্রান্ত কাগজপত্র।

৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল স্বীকৃত এমবিবিএস বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র অথবা প্রযোজ্য শিক্ষাগত সনদ।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট কিংবা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেটের মতো গ্রহণযোগ্য শিক্ষাগত প্রমাণ।

স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে কর পরিশোধের রসিদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট অথবা জমি বা বাড়ির মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র।

কাগজপত্রের চূড়ান্ত তালিকা আবেদনকারীর পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী যাচাই করে নিতে হবে।

জন্মনিবন্ধন করতে কত টাকা লাগে?

জন্মনিবন্ধনের জন্য সরকারি ফি নির্ধারিত রয়েছে। জন্মের পর কত দিনের মধ্যে আবেদন করা হচ্ছে, তার ওপর নিবন্ধন ফি নির্ভর করে।

জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো ফি দিতে হয় না। ৪৫ দিন পার হলে বয়সভেদে নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হয়।

তবে আবেদন করার আগে BDRIS ওয়েবসাইটের ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ফি’ বিভাগ অথবা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয় থেকে সর্বশেষ ফি জেনে নেওয়া উচিত। সরকারি ফি ছাড়া কোনো অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হলে তার রসিদ চাইতে হবে।

অনলাইনে আবেদন করার পর জন্মনিবন্ধন পাবেন কীভাবে?

অনলাইনে আবেদন সাবমিট করলেই জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন হয় না। আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন বা প্রযোজ্য নিবন্ধক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

কর্তৃপক্ষ আবেদন ও সংযুক্ত কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। আবেদন অনুমোদিত হলে নিবন্ধন সম্পন্ন করে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে।

আবেদনের অবস্থা জানতে সরকারি BDRIS ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা’ অপশন ব্যবহার করতে পারবেন। এ জন্য আবেদনপত্রের নম্বর প্রয়োজন হতে পারে। তাই আবেদন নম্বরটি যত্ন করে সংরক্ষণ করুন।

জন্মনিবন্ধনের আবেদন করার সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

জন্মনিবন্ধন একজন ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র। তাই আবেদন করার সময় সামান্য ভুলও ভবিষ্যতে বিভিন্ন কাজে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন—

১. বাংলা ও ইংরেজিতে নামের বানান একই রাখুন।

২. জন্মতারিখ লেখার সময় হাসপাতালের কাগজ, টিকা কার্ড বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

৩. বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধন নম্বর ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে লিখুন।

৪. ঠিকানার তথ্য সঠিকভাবে নির্বাচন করুন।

৫. একই ব্যক্তির নামে আগে জন্মনিবন্ধন হয়ে থাকলে নতুন করে আবেদন করবেন না।

৬. আবেদন সাবমিট করার আগে সম্পূর্ণ ফরম ভালোভাবে যাচাই করুন।

৭. আবেদনপত্রের নম্বর ও প্রিন্ট করা কপি সংরক্ষণ করুন।

৮. কোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা ব্যক্তির কাছে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।

জন্মনিবন্ধন এখন অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থাকায় প্রাথমিক প্রক্রিয়াটি আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। তবে আবেদন করার সময় নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের পরিচয় এবং ঠিকানার তথ্য নির্ভুলভাবে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগে থেকে প্রস্তুত রাখলে আবেদন করতে সুবিধা হবে। সবচেয়ে ভালো হয়, শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যেই নিবন্ধনের আবেদন সম্পন্ন করা। এতে সরকারি নিবন্ধন ফিও দিতে হয় না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. জন্মনিবন্ধনের জন্য অনলাইনে কোথায় আবেদন করতে হবে?

বাংলাদেশ সরকারের BDRIS ওয়েবসাইটের https://bdris.gov.bd/br/application ঠিকানায় প্রবেশ করে নতুন জন্মনিবন্ধনের আবেদন করতে হবে।

২. শিশুর জন্মের কত দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করা ভালো?

শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করা ভালো। এই সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো ফি দিতে হয় না।

৩. বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধন ছাড়া কি সন্তানের জন্মনিবন্ধন করা যায়?

আবেদনপত্রে বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়। তাঁদের নিবন্ধন না থাকলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রযোজ্য নিয়ম ও বিকল্প প্রমাণপত্র সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

৪. অনলাইনে আবেদন করলেই কি জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়া যায়?

না। অনলাইনে আবেদন করার পর আবেদনপত্র প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে জমা দিতে হয়। যাচাই ও অনুমোদনের পর সনদ দেওয়া হয়।

৫. জন্মনিবন্ধনের আবেদন করার পর অবস্থা কীভাবে জানবেন?

BDRIS ওয়েবসাইটে জন্মনিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা অপশন থেকে আবেদনপত্রের নম্বর ব্যবহার করে আবেদনের অবস্থা জানতে পারবেন।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত: