ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

পুরোনো পাসপোর্ট থাকলে নতুন ই-পাসপোর্ট করতে কী করবেন?

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ২০:৪৭:২৬
পুরোনো পাসপোর্ট থাকলে নতুন ই-পাসপোর্ট করতে কী করবেন?

পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কিংবা মেয়াদ থাকা অবস্থায় নতুন ই-পাসপোর্ট করতে চাইলে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে এ জন্য নতুন করে পাসপোর্টের আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়। তবে আগে পাসপোর্ট থাকলে আবেদনটি সাধারণত রি-ইস্যু (Re-issue) হিসেবে করতে হবে। আবেদন করার সময় আগের পাসপোর্টের তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধনের তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

অনেকেই পুরোনো মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) থেকে ই-পাসপোর্ট করতে চান। আবার কারও আগের ই-পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। দুই ক্ষেত্রেই আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফি, আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংশোধনের নিয়ম জানা জরুরি।

পুরোনো পাসপোর্ট থাকলে নতুন ই-পাসপোর্ট করতে কী করবেন?

বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের আবেদন অনলাইনে করা যায়। পুরোনো পাসপোর্ট থাকলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবেন।

ধাপ ১: ই-পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

প্রথমে বাংলাদেশ সরকারের ই-পাসপোর্টের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

আবেদনের লিংক:https://www.epassport.gov.bd/

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইন আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনা পড়ুন। এরপর নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন শুরু করুন।

ধাপ ২: ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন

আবেদনপত্রে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। সাধারণত যেসব তথ্য প্রয়োজন হয়—

আবেদনকারীর নাম বাংলা ও ইংরেজিতে

জন্মতারিখ

জন্মস্থান

জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন নম্বর

পিতা ও মাতার নাম

পেশা

বৈবাহিক অবস্থা

বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা

যোগাযোগের তথ্য

আবেদনপত্রের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সঙ্গে মিলিয়ে পূরণ করা জরুরি। বিশেষ করে নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান ও বাবা-মায়ের নামের বানানে যেন কোনো অমিল না থাকে।

ধাপ ৩: পুরোনো পাসপোর্টের তথ্য দিন

আগে পাসপোর্ট থাকলে আবেদনপত্রে পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুরোনো পাসপোর্টের নম্বর, ইস্যুর তারিখ, মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হতে পারে।

পুরোনো পাসপোর্টের তথ্য দেখে আবেদনপত্র পূরণ করুন। পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের অমিল থাকলে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা জেনে নেওয়া ভালো।

ধাপ ৪: পাসপোর্ট অফিস ও আবেদন ধরন নির্বাচন করুন

আবেদনকারীর ঠিকানা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস নির্বাচন করতে হবে। এরপর পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরন নির্বাচন করুন।

বাংলাদেশে সাধারণত ৪৮ পৃষ্ঠা ও ৬৪ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্ট এবং ৫ বছর ও ১০ বছর মেয়াদের বিকল্প রয়েছে। তবে আবেদনকারীর বয়স ও যোগ্যতা অনুযায়ী মেয়াদের সুযোগ ভিন্ন হতে পারে।

ধাপ ৫: আবেদন সাবমিট করুন

আবেদনপত্রের সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে সাবমিট করুন। আবেদন সম্পন্ন হলে আবেদনপত্র ও অ্যাপ্লিকেশন সামারি প্রিন্ট করে রাখুন।

অনলাইনে আবেদন করার সময় সাধারণত ফরমে ছবি সংযুক্ত বা সত্যায়নের প্রয়োজন হয় না। আবেদনকারীর ছবি, আঙুলের ছাপ ও অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য পাসপোর্ট অফিসে নেওয়া হয়।

ধাপ ৬: নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন

আবেদন অনুযায়ী পাসপোর্টের ফি পরিশোধ করতে হবে। অনলাইনে নির্ধারিত পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে অথবা সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে এ-চালানের মাধ্যমে ফি দেওয়া যায়।

ফি পরিশোধের রসিদ সংরক্ষণ করুন। পাসপোর্ট অফিসে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় এটি প্রয়োজন হতে পারে।

ধাপ ৭: পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করুন

অনলাইনে আবেদন ও ফি পরিশোধের পর নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে হবে।

সেখানে আবেদনকারীর ছবি, আঙুলের ছাপ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হবে। এ সময় পুরোনো পাসপোর্টের মূল কপি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।

বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন হলে আবেদন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।

নতুন ই-পাসপোর্ট করতে কী কী কাগজপত্র লাগবে?

পুরোনো পাসপোর্ট থেকে নতুন ই-পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে সাধারণত নিচের কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন।

১. অনলাইনে পূরণ করা ই-পাসপোর্ট আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি।

২. আবেদনপত্রের সামারি বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট সংক্রান্ত কাগজ।

৩. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি ও ফটোকপি।

৪. অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ, যদি তা দিয়ে আবেদন করা হয়।

৫. আগের পাসপোর্টের মূল কপি।

৬. পাসপোর্ট ফি পরিশোধের রসিদ।

৭. তথ্য পরিবর্তন হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট পরিবর্তনের প্রমাণপত্র।

৮. সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে অনাপত্তিপত্র (NOC) বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কাগজপত্র।

সব আবেদনকারীর জন্য একই কাগজপত্র প্রযোজ্য নয়। আবেদনকারীর বয়স, পাসপোর্টের ধরন এবং তথ্যের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত নথি প্রয়োজন হতে পারে।

পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে কী করবেন?

পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নতুন ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়। এ ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য ব্যবহার করে রি-ইস্যু আবেদন করতে হবে।

মেয়াদ শেষ হওয়া পাসপোর্টের মূল কপি সঙ্গে রাখা জরুরি। আবেদনপত্রে আগের পাসপোর্টের তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে।

মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে বাধা নেই। তবে আবেদনকারীর পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের জন্য পাসপোর্ট অফিস প্রয়োজনীয় নথি চাইতে পারে।

পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ থাকলেও কি নতুন ই-পাসপোর্ট করা যাবে?

হ্যাঁ। আগের মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (MRP) মেয়াদ শেষ না হলেও ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়।

বাংলাদেশ সরকারের ই-পাসপোর্ট পোর্টালের FAQ অনুযায়ী, পুরোনো MRP-এর মেয়াদ থাকা অবস্থায়ও নতুন ই-পাসপোর্ট নেওয়া সম্ভব। তবে নতুন ই-পাসপোর্ট ইস্যু হওয়ার পর পুরোনো MRP আর ব্যবহার করা যাবে না।

তাই নতুন পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পুরোনো পাসপোর্টের তথ্য ও প্রয়োজনীয় ভিসা-সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণ করা ভালো।

পুরোনো পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন করতে চাইলে কী করবেন?

আগের পাসপোর্টের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের অমিল থাকলে আবেদন করার আগে বিষয়টি যাচাই করা জরুরি।

পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাধারণত সংশ্লিষ্ট তথ্যের প্রমাণপত্র দিতে হয়।

যেমন—

নাম পরিবর্তন হলে প্রয়োজনীয় সরকারি প্রমাণপত্র।

জন্মতারিখ পরিবর্তন হলে সংশ্লিষ্ট পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের প্রমাণ।

পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তন হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি।

বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন হলে বিবাহ বা বিবাহবিচ্ছেদের সনদ।

পেশা পরিবর্তন হলে প্রযোজ্য পেশাগত বা শিক্ষাগত প্রমাণপত্র।

ই-পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান এবং বাবা-মায়ের নামের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি নথি দিতে হয়।

তাই ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন না করে প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করা প্রয়োজন হতে পারে।

পুরোনো পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে নতুন ই-পাসপোর্ট করবেন কীভাবে?

পুরোনো পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সাধারণ রি-ইস্যু আবেদনের পরিবর্তে হারানো পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে সাধারণত—

নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করতে হবে।

হারানো পাসপোর্টের নম্বর উল্লেখ করে জিডি করতে হবে।

জিডির মূল কপি বা প্রযোজ্য কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা অনলাইন জন্মনিবন্ধনের তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে।

পুরোনো পাসপোর্টের ফটোকপি থাকলে তা সংরক্ষণ করতে হবে।

অনলাইনে নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে হবে।

পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে দ্রুত থানায় জিডি করা এবং পাসপোর্ট অফিসের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

নতুন ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের ফি পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরনের ওপর নির্ভর করে। সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালে প্রকাশিত ফি অনুযায়ী, দেশের ভেতরে ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি নিচে দেওয়া হলো।

পাসপোর্টের পৃষ্ঠামেয়াদনিয়মিত ফিএক্সপ্রেস ফিসুপার এক্সপ্রেস ফি
৪৮ পৃষ্ঠা ৫ বছর ৪,০২৫ টাকা ৬,৩২৫ টাকা ৮,৬২৫ টাকা
৪৮ পৃষ্ঠা ১০ বছর ৫,৭৫০ টাকা ৮,০৫০ টাকা ১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ফি আরও বেশি। আবেদন করার আগে সরকারি ওয়েবসাইটে সর্বশেষ ফি যাচাই করা উচিত।

ফি পরিশোধের পর রসিদ সংরক্ষণ করুন।

ই-পাসপোর্ট পেতে কত দিন সময় লাগে?

ই-পাসপোর্টের ডেলিভারি সময় আবেদনকারীর নির্বাচিত ডেলিভারি ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। সরকারি পোর্টালে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী—

নিয়মিত ডেলিভারি: বায়োমেট্রিকের পর ১৫ কর্মদিবস বা ২১ দিন।

জরুরি ডেলিভারি: বায়োমেট্রিকের পর ৭ কর্মদিবস বা ১০ দিন।

অতি জরুরি ডেলিভারি: বায়োমেট্রিকের পর ২ কর্মদিবস।

তবে আবেদন যাচাই, তথ্যের অসামঞ্জস্য বা অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে প্রকৃত ডেলিভারিতে সময় বেশি লাগতে পারে।

পুরোনো পাসপোর্ট থাকলে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে কি?

আগের পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্রের তথ্য একই থাকলে সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হয় না বলে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের FAQ-তে উল্লেখ রয়েছে।

তবে নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান, লিঙ্গ বা স্থায়ী ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিবর্তন করা হলে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হতে পারে।

এ কারণে আবেদন করার সময় আগের পাসপোর্টের সঙ্গে বর্তমান পরিচয়পত্রের তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

পুরোনো পাসপোর্ট থাকলে নতুন ই-পাসপোর্ট করার প্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ। অনলাইনে আবেদন, প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ, ফি পরিশোধ এবং পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করলেই আবেদন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো শেষ হয়।

তবে আবেদন করার আগে পুরোনো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে নাম, জন্মতারিখ কিংবা বাবা-মায়ের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যের অমিল থাকলে আগে সংশোধনের ব্যবস্থা করা ভালো। এতে আবেদন প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. পুরোনো পাসপোর্ট থাকলে কি নতুন ই-পাসপোর্ট করা যাবে?

হ্যাঁ। পুরোনো MRP বা ই-পাসপোর্ট থাকলে নতুন ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়। সাধারণত আবেদনটি রি-ইস্যু হিসেবে করতে হয়।

২. পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে কি ই-পাসপোর্ট করা যাবে?

হ্যাঁ। মেয়াদ শেষ হওয়া পাসপোর্টের তথ্য ব্যবহার করে নতুন ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়।

৩. পুরোনো পাসপোর্টের মেয়াদ থাকা অবস্থায় কি ই-পাসপোর্ট করা যাবে?

হ্যাঁ। আগের MRP-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেও ই-পাসপোর্টের আবেদন করা যায়। নতুন ই-পাসপোর্ট ইস্যু হলে পুরোনো MRP ব্যবহার করা যাবে না।

৪. পুরোনো পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্ট করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?

সাধারণত অনলাইন আবেদনপত্র, অ্যাপ্লিকেশন সামারি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অনলাইন জন্মনিবন্ধন, পুরোনো পাসপোর্টের মূল কপি এবং ফি পরিশোধের রসিদ প্রয়োজন হয়। তথ্য পরিবর্তন হলে অতিরিক্ত প্রমাণপত্র লাগতে পারে।

৫. পুরোনো পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের নিয়মিত ফি ৪,০২৫ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের নিয়মিত ফি ৫,৭৫০ টাকা। জরুরি ও অতি জরুরি ডেলিভারির ক্ষেত্রে ফি বেশি। আবেদন করার আগে সরকারি পোর্টালে সর্বশেষ ফি যাচাই করতে হবে।

আল-সাদ/

পাঠকের মতামত: