মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করতে কী কী লাগে? জানুন নিয়ম
বাংলাদেশে মোটরসাইকেল চালানোর জন্য বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। বিআরটিএর নিয়ম অনুযায়ী, লাইসেন্স পেতে হলে প্রথমে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়। এরপর নির্ধারিত প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। অপেশাদার মোটরসাইকেল লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।
মোটরসাইকেল কেনার পর অনেকেই লাইসেন্স করার উদ্যোগ নেন। কিন্তু আবেদন কোথায় করতে হবে, কী কী কাগজ লাগবে, কত টাকা ফি দিতে হবে এবং পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন বা দক্ষতা যাচাই করা হয়—এসব বিষয়ে আগে থেকে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে বিআরটিএর নিয়ম ও প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি।
মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করতে কী কী যোগ্যতা লাগে?
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রকাশিত নিয়ম অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শারীরিক সক্ষমতার শর্ত পূরণ করতে হয়।
মোটরসাইকেলের অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রধান শর্তগুলো হলো—
আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।
ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস।
শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
প্রথমে শিক্ষানবিশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হবে।
নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ২১ বছর। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের মোটরসাইকেল চালানোর জন্য সাধারণত অপেশাদার লাইসেন্সের আবেদন করা হয়।
মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করতে যেসব কাগজপত্র লাগবে
লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় কিছু প্রয়োজনীয় নথির স্ক্যান কপি জমা দিতে হয়। আবেদন করার আগে নিচের কাগজগুলো প্রস্তুত রাখুন—
১. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর এনআইডির স্ক্যান কপি। নির্ধারিত নিয়মে এনআইডি ব্যবহার করে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়।
২. শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: অষ্টম শ্রেণি বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্রের স্ক্যান কপি।
৩. মেডিকেল সার্টিফিকেট: নিবন্ধিত চিকিৎসকের দেওয়া নির্ধারিত মেডিকেল সনদ।
৪. আবেদনকারীর ছবি: নির্ধারিত মাপ ও ফাইল সাইজ অনুযায়ী সাম্প্রতিক ছবি।
৫. ঠিকানার প্রমাণ: এনআইডিতে উল্লেখ করা ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা আলাদা হলে বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিলের কপি প্রয়োজন হতে পারে।
৬. নির্ধারিত ফি জমার প্রমাণ: অনলাইনে আবেদন শেষে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। পেমেন্টের রসিদ বা তথ্য সংরক্ষণ করুন।
বিআরটিএর অনলাইন পোর্টালে নথি আপলোডের সময় ফাইলের আকার ও ফরম্যাটসংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া থাকে। তাই ছবি বা কাগজপত্র স্ক্যান করার আগে পোর্টালের নির্দেশনা দেখে নিন।
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করবেন যেভাবে
বিআরটিএর সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে ঘরে বসেই লার্নার লাইসেন্সের আবেদন করা যায়। আবেদন করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
ধাপ ১: বিআরটিএর ওয়েবসাইটে প্রবেশ
প্রথমে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে প্রবেশ করুন।
ওয়েবসাইট:https://bsp.brta.gov.bd
ধাপ ২: অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবহার করে পোর্টালে নিবন্ধন করুন। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সংশ্লিষ্ট এনআইডি ধারীর ড্রাইভিং লাইসেন্সসংক্রান্ত আবেদন করা যায়।
ধাপ ৩: ব্যক্তিগত তথ্য ও ঠিকানা পূরণ
অ্যাকাউন্টে লগইন করে নিজের নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য পূরণ করুন। বিভাগ, জেলা ও থানা সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে। কারণ এসব তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিস নির্ধারিত হয়।
ধাপ ৪: শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন
লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন নির্বাচন করে মোটরসাইকেল চালানোর উপযোগী যানবাহনের শ্রেণি নির্বাচন করুন। প্রয়োজনীয় ছবি, মেডিকেল সনদ, এনআইডি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র আপলোড করুন।
ধাপ ৫: নির্ধারিত ফি পরিশোধ
আবেদন সম্পন্ন হলে পোর্টালে প্রদর্শিত নির্ধারিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করুন। পেমেন্ট সফল হলে লার্নার লাইসেন্সের কপি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে রাখুন।
মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?
ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ মূলত শিক্ষানবিশ লাইসেন্স, পরবর্তী স্মার্ট কার্ড লাইসেন্স এবং প্রযোজ্য অন্যান্য ফি মিলিয়ে নির্ধারিত হয়।
বিআরটিএর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের ফি এক ক্যাটাগরির জন্য ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা উল্লেখ রয়েছে। তবে আবেদন করার সময় পোর্টালে প্রদর্শিত বর্তমান ফি-ই চূড়ান্ত হিসেবে অনুসরণ করতে হবে।
মোটরসাইকেলের সঙ্গে অন্য কোনো যানবাহনের শ্রেণি যুক্ত করে আবেদন করলে ফি আলাদা হতে পারে। দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর স্মার্ট কার্ড লাইসেন্সের জন্যও নির্ধারিত ফি দিতে হয়। ফি পরিবর্তিত হতে পারে বলে পুরোনো তালিকা দেখে টাকা জমা না দিয়ে আবেদনকালে বিআরটিএ পোর্টালের তথ্য যাচাই করুন।
লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর কী করতে হবে?
শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পরই সরাসরি পূর্ণাঙ্গ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায় না। এ সময় মোটরসাইকেল চালানোর নিয়ম, ট্রাফিক আইন এবং বাস্তব সড়কে নিরাপদে চালানোর দক্ষতা অর্জন করতে হয়।
বিআরটিএর প্রকাশিত নির্দেশনায় সাধারণত দুই থেকে তিন মাস প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে পরীক্ষার তারিখ ও সময় আবেদনকারীর লার্নার লাইসেন্স এবং সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
প্রশিক্ষণের সময় শুধু মোটরসাইকেল চালানো শিখলেই হবে না; ট্রাফিক সিগন্যাল, সড়কের চিহ্ন, নিরাপদ দূরত্ব, ওভারটেকিংয়ের নিয়ম এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়গুলোও জানতে হবে।
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় কী কী হয়?
লার্নার লাইসেন্সের পর নির্ধারিত দিনে আবেদনকারীকে বিআরটিএর পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হয়। সাধারণত তিন ধরনের দক্ষতা যাচাই করা হয়।
১. লিখিত পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় সড়ক পরিবহন আইন, ট্রাফিক সাইন, রাস্তার চিহ্ন, নিরাপদে গাড়ি চালানোর নিয়ম এবং প্রাথমিক সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।
যেসব বিষয় ভালোভাবে পড়া প্রয়োজন—
ট্রাফিক সিগন্যালের অর্থ;
রাস্তার বিভিন্ন সতর্কতামূলক ও নির্দেশনামূলক চিহ্ন;
মোটরসাইকেল চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহারের নিয়ম;
সড়কে গতি ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা;
ওভারটেকিং ও লেন ব্যবহারের নিয়ম;
দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা।
২. মৌখিক পরীক্ষা
মৌখিক পরীক্ষায় ট্রাফিক আইন, সড়কের চিহ্ন এবং মোটরসাইকেল চালানোর নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করা হতে পারে। আবেদনকারীর সড়ক আইন সম্পর্কে মৌলিক ধারণা আছে কি না, তা যাচাই করা হয়।
৩. ব্যবহারিক বা ফিল্ড টেস্ট
এই পরীক্ষায় মোটরসাইকেল চালানোর বাস্তব দক্ষতা যাচাই করা হয়। মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ, ভারসাম্য বজায় রাখা, নির্ধারিত পথে চালানো এবং নিরাপদে থামানোর মতো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষার নির্দিষ্ট ধরন ও বিন্যাস বিআরটিএর নির্ধারিত কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী হতে পারে।
পরীক্ষার দিন সঙ্গে কী কী নিতে হবে?
পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা জরুরি। সাধারণত প্রস্তুত রাখবেন—
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল কপি;
এনআইডি বা পরিচয় যাচাইয়ের প্রয়োজনীয় নথি;
শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র;
বিআরটিএর নির্দেশনায় চাওয়া অন্যান্য কাগজপত্র;
লিখিত পরীক্ষার জন্য কলম।
পরীক্ষার তারিখ ও কেন্দ্রের বিষয়ে পোর্টাল বা এসএমএসে পাওয়া নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নিন। নির্ধারিত সময়ের আগে কেন্দ্রে পৌঁছানো ভালো।
পরীক্ষায় পাস করলে স্মার্ট কার্ড লাইসেন্স পাবেন যেভাবে
লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী ধাপে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ফলাফল পোর্টালে আপলোড করা হয় এবং আবেদনকারীকে এসএমএসের মাধ্যমেও জানানো হতে পারে। এরপর প্রয়োজনীয় নথি ও নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়।
আবেদনকারীর ছবি, স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপসহ বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে উপস্থিত হতে হতে পারে। স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত হলে তা সংগ্রহের বিষয়ে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হয়।
মোটরসাইকেলের লাইসেন্স ছাড়া চালালে কী সমস্যা হতে পারে?
বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো আইনত দণ্ডনীয়। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া বা উপযুক্ত লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান চালালে শাস্তির বিধান রয়েছে। এতে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
তাই মোটরসাইকেল কেনার পর লাইসেন্সের আবেদন করে প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বৈধভাবে চালানোর অনুমতি আছে—এমন ধারণা করা ঠিক নয়। লার্নার লাইসেন্সের শর্ত ও অনুমোদিত ব্যবহারের সীমা মেনে চলতে হবে।
মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলে প্রথমে বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে বিআরটিএর সার্ভিস পোর্টালে আবেদন করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা, নির্ধারিত ফি পরিশোধ, প্রশিক্ষণ এবং লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ধাপ রয়েছে।
আবেদন করার আগে এনআইডি, মেডিকেল সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ ও ঠিকানার তথ্য প্রস্তুত রাখলে প্রক্রিয়াটি সহজ হবে। ফি ও প্রয়োজনীয় নথির সর্বশেষ তথ্যের জন্য বিআরটিএর সরকারি পোর্টাল অনুসরণ করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
FAQ
১. মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করতে ন্যূনতম বয়স কত?
অপেশাদার মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ২১ বছর।
২. মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করতে কী কী কাগজ লাগে?
জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, নিবন্ধিত চিকিৎসকের মেডিকেল সার্টিফিকেট, আবেদনকারীর ছবি এবং ঠিকানা ভিন্ন হলে প্রয়োজনীয় ঠিকানার প্রমাণ লাগতে পারে।
৩. মোটরসাইকেলের লাইসেন্সের জন্য কি অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হয়?
হ্যাঁ। বিআরটিএর প্রকাশিত নিয়ম অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস।
৪. মোটরসাইকেলের লাইসেন্স পরীক্ষায় কী কী পরীক্ষা দিতে হয়?
সাধারণত লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক বা ফিল্ড টেস্ট দিতে হয়। এতে ট্রাফিক আইন, সড়কের চিহ্ন এবং মোটরসাইকেল চালানোর দক্ষতা যাচাই করা হয়।
৫. অনলাইনে কি মোটরসাইকেলের লাইসেন্সের আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ। বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল https://bsp.brta.gov.bd-এ অ্যাকাউন্ট খুলে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন করা যায়।
আল-সাদ/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের পরও শেয়ারবাজারে বড় পতন
- পুরনো দলিল থেকে বর্তমান জমির মালিক বের করবেন যেভাবে
- নিজের নামে কোথায় কত জমি, অনলাইনে দেখবেন যেভাবে
- নামজারি আছে, কিন্তু দলিল নেই—জমি কি নিজের? জানুন আইন
- সোনার ভরি কত আজ? ২১, ১৮ ও ২২ ক্যারেটের দামও জেনে নিন
- Honor 600 Pro: ২০০MP ক্যামেরা ও ৭০০০mAh ব্যাটারিতে কেমন?