অনলাইনে নামজারি আবেদন করবেন যেভাবে, লাগবে যেসব কাগজ
জমি কেনার পর কিংবা উত্তরাধিকার, হেবা বা অন্য কোনো বৈধ সূত্রে মালিকানা পাওয়ার পর নতুন মালিকের নামে সরকারি রেকর্ড হালনাগাদ করা প্রয়োজন। এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় নামজারি বা মিউটেশন। বর্তমানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি ব্যবস্থায় অনলাইনে আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা এবং সরকারি ফি পরিশোধ করা যায়। ফলে আবেদন করার জন্য শুরুতেই ভূমি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।
অনলাইনে নামজারি আবেদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইট mutation.land.gov.bd ব্যবহার করতে হবে। আবেদন করার আগে জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর, দলিল এবং মালিকানার ধারাবাহিকতার তথ্য প্রস্তুত রাখা জরুরি। কারণ এসব তথ্যের কোনো ভুল বা অসংগতি থাকলে আবেদন নিষ্পত্তিতে দেরি হতে পারে।
নামজারি কী এবং কেন করতে হয়?
জমির মালিকানা ক্রয়-বিক্রয়, উত্তরাধিকার, হেবা, আদালতের রায় কিংবা অন্য কোনো বৈধ উপায়ে পরিবর্তিত হলে সরকারি ভূমি রেকর্ডে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারি বলা হয়। ইংরেজিতে এটি মিউটেশন নামে পরিচিত।
নামজারির মাধ্যমে জমির নতুন মালিকের নামে খতিয়ান তৈরি বা হালনাগাদ করা হয়। এতে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধসহ জমিসংক্রান্ত সরকারি কাজে সুবিধা পাওয়া যায়। তবে শুধু নামজারি করলেই জমির মালিকানা সৃষ্টি হয় না; মালিকানার বৈধ দলিল ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতেই নামজারি সম্পন্ন হয়।
সাধারণত জমি কেনার পর, উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পাওয়ার পর, হেবা বা দান সূত্রে মালিকানা পরিবর্তিত হলে কিংবা আদালতের রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে জমির স্বত্ব পরিবর্তিত হলে নামজারির প্রয়োজন হয়।
অনলাইনে নামজারি করতে যেসব কাগজপত্র লাগবে
আবেদনের ধরন এবং জমি পাওয়ার সূত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। সাধারণভাবে নিচের নথিগুলো প্রস্তুত রাখা ভালো—
১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য।
২. জমির সর্বশেষ খতিয়ান বা পর্চার কপি।
৩. জমি কেনা হলে সংশ্লিষ্ট দলিলের কপি।
৪. মালিকানার ধারাবাহিকতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বায়া বা পূর্ববর্তী দলিল।
৫. সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা।
৬. উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে প্রযোজ্য ওয়ারিশ সনদ।
৭. আদালতের রায়, আদেশ বা ডিক্রির ভিত্তিতে মালিকানা পেলে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র।
৮. আবেদনকারীর ছবি ও স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি।
সব আবেদনে একই ধরনের নথি প্রয়োজন হয় না। যেমন, ক্রয়সূত্রে নামজারির ক্ষেত্রে দলিল গুরুত্বপূর্ণ; আবার উত্তরাধিকার সূত্রে আবেদন করলে ওয়ারিশ সনদসহ উত্তরাধিকারসংক্রান্ত তথ্য দিতে হয়। আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্রও চাওয়া হতে পারে।
অনলাইনে নামজারি আবেদন করার ধাপ
নামজারির আবেদন করতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-মিউটেশন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। এরপর কয়েকটি ধাপে আবেদন সম্পন্ন করা যায়।
১. ই-নামজারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ
প্রথমে ব্রাউজার থেকে https://mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। সেখানে অনলাইনে আবেদন এবং আবেদন ট্র্যাকিংয়ের অপশন পাওয়া যাবে।
নতুন আবেদন করতে ‘অনলাইনে আবেদন করুন’ বা মিউটেশন আবেদনের নির্ধারিত অপশনে ক্লিক করতে হবে।
২. জমির মালিকানা পাওয়ার সূত্র নির্বাচন
আবেদন ফরমে প্রথমে জমিটি কীভাবে পেয়েছেন, তা নির্বাচন করতে হবে। যেমন—
ক্রয়সূত্রে
উত্তরাধিকার সূত্রে
হেবা বা দান সূত্রে
আদালতের ডিক্রি বা রায়ের মাধ্যমে
নিলাম বা বন্দোবস্তের মাধ্যমে
অন্যান্য বৈধ সূত্রে
মালিকানা পাওয়ার প্রকৃত কারণ অনুযায়ী সঠিক অপশন নির্বাচন করতে হবে। ক্রয়সূত্রে আবেদন করলে দলিলসংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্য দিতে হতে পারে।
৩. জমির ঠিকানা ও খতিয়ানের তথ্য পূরণ
এরপর জমির অবস্থান অনুযায়ী বিভাগ, জেলা, উপজেলা এবং মৌজা নির্বাচন করতে হবে। মৌজা নির্বাচন করার সময় মৌজার নাম ও জেএল নম্বর জানা থাকলে সুবিধা হবে।
এরপর প্রযোজ্য সর্বশেষ জরিপের ধরন নির্বাচন করে খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর এবং আবেদন করা জমির পরিমাণ লিখতে হবে।
একটি আবেদন শুধু একটি মৌজার জমির জন্য করা যায়। জমি একাধিক মৌজায় থাকলে প্রতিটি মৌজার জন্য আলাদা আবেদন করতে হবে।
৪. আবেদনকারী ও মালিকানাসংক্রান্ত তথ্য দিন
আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, সচল মোবাইল নম্বর এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য দিতে হবে। দলিলের মাধ্যমে জমি পাওয়া হলে দলিল নম্বর, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের তথ্যও দিতে হতে পারে।
আরও পড়ুন:
একই জমির দাগ নম্বর দুই কাগজে আলাদা, কোনটি ঠিক?
ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করার নিয়ম, জানুন বিস্তারিত
জমির মালিকের নাম দিয়ে খতিয়ান খুঁজবেন যেভাবে
এ ছাড়া রেকর্ডীয় মালিক, জমি হস্তান্তরকারী এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পক্ষের তথ্য দিতে হবে। তথ্য পূরণের সময় দলিল, খতিয়ান ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে নামের বানান এবং অন্যান্য বিবরণ মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
৫. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড
ফরম পূরণের পর জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় নথির স্ক্যান কপি যুক্ত করতে হবে।
ই-মিউটেশন পোর্টালের নির্দেশিকা অনুযায়ী, দলিল, খতিয়ান, ওয়ারিশ সনদসহ সংশ্লিষ্ট প্রমাণক PDF ফরম্যাটে আপলোড করতে হয়। প্রতিটি PDF ফাইলের সর্বোচ্চ আকার ১.২৫ মেগাবাইট এবং সব সংযুক্তি মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২৫ মেগাবাইটের সীমা উল্লেখ রয়েছে। আবেদনকারীর ছবি ও স্বাক্ষরের মতো ফাইলের ক্ষেত্রে পোর্টালে প্রদর্শিত ফরম্যাট অনুসরণ করতে হবে।
ফাইল আপলোডের সময় ড্রপডাউন তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট কাগজের ধরন নির্বাচন করতে হবে। ভুল নথি বা অস্পষ্ট স্ক্যান কপি জমা দিলে আবেদন যাচাইয়ে সমস্যা হতে পারে।
৬. আবেদন যাচাই করে জমা দিন
সব তথ্য ও কাগজপত্র যুক্ত করার পর আবেদন জমা দেওয়ার আগে প্রিভিউ দেখে নিন। জমির দাগ, খতিয়ান, জমির পরিমাণ, দলিলের তথ্য এবং আবেদনকারীর পরিচয়সংক্রান্ত বিবরণ ভালোভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
কোনো ভুল থাকলে চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার আগেই সংশোধন করুন। আবেদন জমা হয়ে গেলে সাধারণত আবেদনকারী নিজে থেকে ফরমের তথ্য পরিবর্তন করতে পারেন না।
সফলভাবে আবেদন জমা হলে একটি আবেদন নম্বর পাওয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে এই নম্বর ব্যবহার করে আবেদনের অবস্থা জানা যাবে।
অনলাইনে নামজারির ফি কত?
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, নামজারির আবেদনে প্রথমে কোর্ট ফি ও নোটিশ জারি ফি দিতে হয়। আবেদন অনুমোদনের পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করতে হয়।
| ফি-এর বিবরণ | নির্ধারিত টাকা |
|---|---|
| আবেদনের কোর্ট ফি | ২০ টাকা |
| নোটিশ জারি ফি | ৫০ টাকা |
| ডিসিআর (DCR) ফি | ১,১০০ টাকা |
| মোট সরকারি ফি | ১,১৭০ টাকা |
প্রথম পর্যায়ে আবেদন জমা দেওয়ার সময় ৭০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। আবেদন মঞ্জুর হলে পরবর্তী সময়ে ১ হাজার ১০০ টাকা ডিসিআর ফি দিতে হয়।
মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট বা পোর্টালে প্রদর্শিত অনুমোদিত পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে ফি জমা দেওয়া যায়। সরকারি ফি ছাড়া অন্য কোনো অর্থ দাবি করা হলে তার বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। সরকারি ফি পরিবর্তিত হলে নতুন নির্ধারিত হার কার্যকর হবে।
নামজারি আবেদন কত দিনে সম্পন্ন হয়?
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ ই-নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা ২৮ দিন। তবে কাগজপত্র যাচাই, মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদন, শুনানি কিংবা অন্য কোনো জটিলতা থাকলে বাস্তবে আরও সময় লাগতে পারে।
সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৯০ দিনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সারা দেশে নামজারির আবেদন নিষ্পত্তিতে গড়ে ৪৩ দিন সময় লাগছিল। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়সীমা থাকলেও বাস্তবে সব আবেদন একই সময়ে শেষ হচ্ছে না।
তাই আবেদন জমা দেওয়ার পর নিয়মিত স্ট্যাটাস পরীক্ষা করা এবং ভূমি অফিস থেকে কোনো তথ্য বা কাগজপত্র চাওয়া হলে তা নির্ধারিত সময়ে জমা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নামজারি আবেদন অনুমোদন হলে কী করতে হবে?
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবেদন যাচাই-বাছাই করে মঞ্জুর করলে পরবর্তী ধাপে নামজারি খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়। খতিয়ান প্রস্তুত হলে আবেদনকারীর দেওয়া মোবাইল নম্বরে সাধারণত এসএমএস পাঠানো হয়।
এরপর অনলাইনে ১ হাজার ১০০ টাকা ডিসিআর ফি পরিশোধ করতে হবে। পেমেন্ট সম্পন্ন হলে পোর্টালের আবেদন ট্র্যাকিং অপশন থেকে নামজারি খতিয়ান ও ডিসিআর ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যায়।
অনলাইন থেকে পাওয়া কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বৈধ এবং ব্যবহারযোগ্য। তাই শুধু কাগজের কপি সংগ্রহের জন্য আলাদা করে ম্যানুয়াল ডিসিআর নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
নামজারি আবেদনের অবস্থা জানবেন যেভাবে
আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদনের অগ্রগতি জানতে ই-মিউটেশন পোর্টালের ‘আবেদন ট্র্যাকিং’ অপশনে যেতে হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য ও আবেদন নম্বর দিয়ে আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখা যায়।
আবেদনের বিষয়ে কোনো আপত্তি, শুনানির তারিখ বা অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন হলে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমেও জানানো হতে পারে। তাই আবেদনে দেওয়া মোবাইল নম্বর সচল রাখা জরুরি।
নামজারি আবেদন বাতিল বা বিলম্ব হওয়ার কারণ
আবেদনের তথ্যের সঙ্গে দলিল, খতিয়ান কিংবা অন্যান্য নথির অমিল থাকলে নামজারি প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে জমির দাগ নম্বর, পরিমাণ, মালিকানার ধারাবাহিকতা এবং ওয়ারিশদের তথ্য ভুল হলে আবেদন নিষ্পত্তিতে দেরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তবে কাগজপত্রে ঘাটতি থাকলেই আবেদন সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করা যাবে—এমন নয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ঘাটতি বা অসংগতির বিষয় উল্লেখ করে আবেদনকারীকে তা পূরণের সুযোগ দিতে হবে।
আবেদন নামঞ্জুর হলে পোর্টালে বা এসএমএসে কারণ জানার সুযোগ রয়েছে। কারণ বুঝে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে হবে।
নামজারি করতে কোথায় যোগাযোগ করবেন?
অনলাইনে আবেদন বা পেমেন্টসংক্রান্ত সমস্যায় ভূমিসেবা হটলাইন ১৬১২২ নম্বরে যোগাযোগ করা যায়। এ ছাড়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং ই-মিউটেশন পোর্টালে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সেবা-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে, সঠিক কাগজপত্র ও জমির তথ্য প্রস্তুত থাকলে অনলাইনে নামজারির আবেদন নিজেই করা সম্ভব। আবেদন জমা দেওয়ার আগে তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকলে প্রক্রিয়াটি সহজ হয়।
FAQ
১. অনলাইনে নামজারি আবেদন কোথায় করতে হয়?
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-মিউটেশন ওয়েবসাইট https://mutation.land.gov.bd থেকে অনলাইনে নামজারির আবেদন করা যায়।
২. নামজারি করতে মোট সরকারি ফি কত?
বর্তমান নির্ধারিত ফি অনুযায়ী কোর্ট ফি ২০ টাকা, নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা এবং ডিসিআর ফি ১ হাজার ১০০ টাকা। সব মিলিয়ে মোট ১ হাজার ১৭০ টাকা।
৩. নামজারি করতে কী কী কাগজ লাগে?
সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জমির খতিয়ান, দলিল, ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা এবং মালিকানা পাওয়ার সূত্র অনুযায়ী ওয়ারিশ সনদ বা অন্যান্য প্রমাণক প্রয়োজন হয়।
৪. নামজারি হতে কতদিন সময় লাগে?
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণ ই-নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা ২৮ দিন। তবে কাগজপত্রের ঘাটতি, শুনানি বা অন্য জটিলতায় বেশি সময় লাগতে পারে।
৫. নামজারি আবেদন অনুমোদন হলে খতিয়ান কীভাবে পাব?
আবেদন অনুমোদনের পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করতে হয়। এরপর ই-মিউটেশন পোর্টালের আবেদন ট্র্যাকিং অপশন থেকে নামজারি খতিয়ান ও ডিসিআর ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যায়।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করার নিয়ম, জানুন বিস্তারিত
- বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ আজ, কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ?
- বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ: ৯০ মিনিটের খেলা শেষ, জানুন ফলাফল
- জমির মালিকের নাম দিয়ে খতিয়ান খুঁজবেন যেভাবে
- বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ আজ: লাইভ দেখার সহজ উপায়
- চলছে বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ: ৩০ মিনিট শেষ, সরাসরি দেখুন Live
- অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ: বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান সর্বশেষ স্কোর
- বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, জানুন ফলাফল
- রাত ৮টায় বাংলাদেশ-ভুটান ম্যাচ, টিভি ও মোবাইলে দেখার নিয়ম
- বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ আজ: সময়, লাইভ দেখার উপায় ও পরিসংখ্যান
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ১৭টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- বাংলাদেশ বনাম ভুটান ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায় লাইভ দেখবেন?
- OnePlus 16: ৯০০০mAh ব্যাটারি ও ২০০MP ক্যামেরায় নতুন চমক