ঢাকা, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

মোবাইলেই বের করুন জমির খতিয়ান, জানতে হবে যেসব তথ্য

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৬ ১৩:৩৮:৩৪
মোবাইলেই বের করুন জমির খতিয়ান, জানতে হবে যেসব তথ্য

জমির খতিয়ান বের করার জন্য প্রথমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সরকারি ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবা (DLRMS) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করে জমির বিভাগ, জেলা, উপজেলা, জরিপ এবং মৌজার তথ্য দিতে হবে। সব তথ্য ঠিকভাবে নির্বাচন করার পর খতিয়ান নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করা যাবে। খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলে মালিকের নাম, দাগ নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য দিয়েও অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে কাঙ্ক্ষিত খতিয়ান পাওয়া গেলে সেটি নির্বাচন করে অনলাইন কপি অথবা সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করা যায়। অনলাইন কপির ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর পিডিএফ ডাউনলোড করা সম্ভব। আর সার্টিফায়েড কপি প্রয়োজন হলে আবেদন করে ডাকযোগে অথবা প্রযোজ্য অফিসের কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যায়।

জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করতে কী কী তথ্য লাগবে?

অনলাইনে জমির রেকর্ড খুঁজতে যাওয়ার আগে কয়েকটি তথ্য সংগ্রহ করে রাখা ভালো। এতে ভুল মৌজা বা জরিপ নির্বাচন করার ঝুঁকি কমে এবং দ্রুত কাঙ্ক্ষিত খতিয়ান খুঁজে পাওয়া যায়।

সাধারণত যেসব তথ্য প্রয়োজন হতে পারে—

জমির বিভাগের নাম।

জেলার নাম।

উপজেলা বা থানার নাম।

মৌজার নাম ও প্রয়োজনে জেএল নম্বর।

খতিয়ানের ধরন, যেমন সিএস, এসএ, আরএস বা বিএস।

খতিয়ান নম্বর অথবা দাগ নম্বর।

জমির রেকর্ডীয় মালিকের নাম।

সব তথ্য একসঙ্গে জানা বাধ্যতামূলক নয়। খতিয়ান নম্বর না থাকলেও মালিকের নাম বা দাগ নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করা যায়। তবে একই নামের একাধিক ব্যক্তি বা একাধিক মৌজা থাকলে অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে সঠিক রেকর্ডটি শনাক্ত করতে হবে।

ধাপে ধাপে জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করার নিয়ম

অনলাইনে জমির খতিয়ান খোঁজার জন্য ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবার সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে।

ধাপ ১: সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

প্রথমে মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকেdlrms.land.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ সেবা। এখানে সার্ভে খতিয়ান ও নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধানের ব্যবস্থা রয়েছে।

ধাপ ২: খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করুন

আপনি কোন ধরনের খতিয়ান খুঁজছেন, সেটি নির্বাচন করতে হবে। যেমন—

সার্ভে খতিয়ান

নামজারি খতিয়ান

জরিপের মাধ্যমে তৈরি পুরোনো বা পরবর্তী রেকর্ড দেখতে সার্ভে খতিয়ান নির্বাচন করতে হবে। আর জমি কেনা, উত্তরাধিকার বা অন্য কোনো বৈধ কারণে নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর তৈরি রেকর্ড দেখতে নামজারি খতিয়ান নির্বাচন করতে হবে।

ধাপ ৩: জমির ঠিকানা নির্বাচন করুন

এরপর পর্যায়ক্রমে বিভাগের নাম, জেলার নাম, উপজেলা বা থানা এবং মৌজা নির্বাচন করুন। মৌজার নাম সঠিকভাবে নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই নামের একাধিক মৌজা থাকলে জেএল নম্বর মিলিয়ে নেওয়া ভালো।

ধাপ ৪: জরিপের ধরন নির্বাচন করুন

জমির রেকর্ড কোন জরিপের অধীনে তৈরি হয়েছে, সেটি নির্বাচন করতে হবে। যেমন সিএস (CS), এসএ (SA), আরএস (RS), বিএস (BS) বা বিআরএস (BRS)।

এখানে মনে রাখতে হবে, সব এলাকায় একই জরিপ সর্বশেষ নয়। কোনো এলাকায় আরএস খতিয়ান সর্বশেষ চূড়ান্ত রেকর্ড হতে পারে, আবার অন্য এলাকায় বিএস বা বিআরএস রেকর্ড থাকতে পারে।

ধাপ ৫: খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করুন

জমির খতিয়ান নম্বর জানা থাকলে নির্ধারিত ঘরে সেটি লিখে অনুসন্ধান করুন। নম্বর জানা না থাকলে অধিকতর অনুসন্ধানের মাধ্যমে মালিকের নাম, পিতার নাম, বর্তমান দাগ নম্বর, সাবেক দাগ নম্বরসহ উপলব্ধ তথ্য ব্যবহার করুন।

সরকারি অনুসন্ধান পোর্টালে এসব তথ্য দেওয়ার আলাদা ঘর রয়েছে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য দিয়ে অনুসন্ধান করা যায়।

ধাপ ৬: খতিয়ানের তথ্য মিলিয়ে নিন

অনুসন্ধানের পর এক বা একাধিক খতিয়ানের তথ্য দেখা যেতে পারে। সেখান থেকে মালিকের নাম, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর এবং জমির পরিমাণ মিলিয়ে কাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি শনাক্ত করুন।

শুধু নামের মিল দেখে কোনো খতিয়ান নির্বাচন করবেন না। দলিল, মৌজা, দাগ নম্বর এবং জমির পরিমাণের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

ধাপ ৭: অনলাইন কপি বা সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করুন

সঠিক খতিয়ান পাওয়া গেলে সেটি নির্বাচন করে ঝুড়িতে (Cart) যোগ করতে হবে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইন কপি অথবা সার্টিফায়েড কপি নির্বাচন করে আবেদনকারীর তথ্য দিতে হবে।

আবেদনকারীর নাম, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং জন্মতারিখের মতো প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হতে পারে। এরপর পোর্টালে প্রদর্শিত নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করতে কত টাকা লাগে?

জমির খতিয়ান অনুসন্ধান এবং খতিয়ানের কপি সংগ্রহের খরচ এক বিষয় নয়। ওয়েবসাইটে জমির তথ্য খোঁজা এবং কপি ডাউনলোড বা সংগ্রহের জন্য আবেদন করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

ভূমি তথ্য বাতায়নের প্রকাশিত নির্ধারিত ফি তালিকায় ই-পর্চা সেবার জন্য উল্লেখ রয়েছে—

সেবার ধরননির্ধারিত ফি
খতিয়ান সংশোধনের আবেদন ২০ টাকা
অনলাইন খতিয়ান কপি ১০০ টাকা
সার্টিফায়েড খতিয়ান কপি ১০০ টাকা
সার্টিফায়েড কপি ডাকযোগে পেতে ডাক মাশুল ৪০ টাকা

অর্থাৎ প্রকাশিত ফি তালিকা অনুযায়ী অনলাইন কপির জন্য ১০০ টাকা এবং ডাকযোগে সার্টিফায়েড কপি পেতে মোট ১৪০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে ফি পুনর্নির্ধারণ বা সেবার ধরন অনুযায়ী পোর্টালের পেমেন্ট পাতায় ভিন্ন হালনাগাদ অঙ্ক দেখাতে পারে। তাই আবেদন করার সময় সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত সর্বশেষ ফিই অনুসরণ করতে হবে।

আরও পড়ুন:

একই জমির দাগ নম্বর দুই কাগজে আলাদা, কোনটি ঠিক?

ওয়ারিশ সনদ দিয়ে জমি নামজারি করার নিয়ম, জানুন বিস্তারিত

জমির মালিকের নাম দিয়ে খতিয়ান খুঁজবেন যেভাবে

ফি-সংক্রান্ত তথ্য দেখতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সরকারি ফি তালিকা ভিজিট করা যাবে।

অনলাইন খতিয়ান ও সার্টিফায়েড খতিয়ানের মধ্যে পার্থক্য কী?

অনলাইনে খতিয়ানের কপি পাওয়া গেলেও সব প্রয়োজনে একই ধরনের কপি গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে কোন কপি প্রয়োজন, সেটি বুঝে নেওয়া জরুরি।

অনলাইন খতিয়ান: নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর পোর্টাল থেকে পিডিএফ আকারে পাওয়া যায়। সাধারণত জমির তথ্য যাচাই, নিজের কাছে সংরক্ষণ কিংবা প্রাথমিক অনুসন্ধানের কাজে এটি ব্যবহার করা যায়।

সার্টিফায়েড খতিয়ান: সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সত্যায়িত কপি। আদালত, ব্যাংক বা কোনো সরকারি দপ্তরে জমা দেওয়ার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কোন ধরনের কপি গ্রহণ করে, তা আগে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করার পর সেটি প্রস্তুত হওয়ার অগ্রগতি অনলাইনে দেখা যায়। ডাকযোগে নেওয়ার সুযোগ থাকলে নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠানো হয়।

সিএস, এসএ, আরএস ও বিএস খতিয়ানের মধ্যে পার্থক্য

অনলাইনে খতিয়ান খুঁজতে গিয়ে অনেকেই জরিপের ধরন নিয়ে বিভ্রান্ত হন। কারণ জমির বিভিন্ন সময়ে একাধিক জরিপ হয়েছে। প্রতিটি জরিপে জমির দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে।

সংক্ষেপে খতিয়ানের ধরনগুলো হলো—

সিএস (CS): ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে। এটি ব্রিটিশ আমলে পরিচালিত প্রাথমিক ভূমি জরিপের রেকর্ড।

এসএ (SA): জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব ব্যবস্থার অধীনে প্রস্তুত জরিপের রেকর্ড।

আরএস (RS): রিভিশনাল সার্ভে। আগের রেকর্ড সংশোধন ও হালনাগাদের জন্য পরিচালিত জরিপ।

বিএস/বিআরএস (BS/BRS): বাংলাদেশ সার্ভে বা বাংলাদেশ রিভিশনাল সার্ভের রেকর্ড।

কোনো এলাকায় বিএস বা বিআরএস জরিপ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা যাচাই না করে সেটিকে সর্বশেষ খতিয়ান ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

অনলাইনে জমির খতিয়ান না পাওয়া গেলে কী করবেন?

সব জমির রেকর্ড অনলাইনে পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। কোনো কোনো এলাকার পুরোনো রেকর্ড এখনো ডিজিটাল ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত না-ও থাকতে পারে। আবার ভুল মৌজা বা জরিপ নির্বাচন করলেও অনুসন্ধানে খতিয়ান পাওয়া যায় না।

এমন পরিস্থিতিতে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা যেতে পারে—

১. বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজার তথ্য সঠিকভাবে নির্বাচন হয়েছে কি না দেখুন।

২. সিএস, এসএ, আরএস বা বিএসের মধ্যে সঠিক জরিপ নির্বাচন করেছেন কি না যাচাই করুন।

৩. খতিয়ান নম্বরের পাশাপাশি দাগ নম্বর ও মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করুন।

৪. একই নামের একাধিক মৌজা থাকলে জেএল নম্বর মিলিয়ে নিন।

৫. অনলাইনে রেকর্ড না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুমে যোগাযোগ করুন।

৬. জমি যদি চলমান জরিপের আওতায় থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে খোঁজ নিন।

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জরিপের চূড়ান্ত প্রকাশনার পর সংশ্লিষ্ট রেকর্ড জেলা প্রশাসকের দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়। এসব রেকর্ডের সার্টিফায়েড কপি জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুম থেকে সংগ্রহ করা যায়।

জমির খতিয়ান বের করার সময় যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

অনলাইনে খতিয়ান পাওয়া গেলেই জমির মালিকানা নিয়ে সব ধরনের আইনি জটিলতা শেষ হয়ে যায় না। খতিয়ান জমির রেকর্ড হলেও জমির মালিকানা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দলিল, উত্তরাধিকার, নামজারি, দখল এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথিও বিবেচনা করতে হয়।

বিশেষ করে জমি কেনার আগে শুধু অনলাইন খতিয়ান দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট জমির মূল দলিল, পূর্ববর্তী মালিকানার ধারাবাহিকতা, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ, নামজারি এবং ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া অনলাইন থেকে পাওয়া খতিয়ানের কিউআর কোড থাকলে সরকারি ব্যবস্থায় সেটি যাচাই করে নেওয়া ভালো। অন্য কারও দেওয়া খতিয়ানের তথ্যের সঙ্গে সরকারি রেকর্ডের মিল আছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

সব মিলিয়ে, জমির খতিয়ান অনলাইনে বের করার পদ্ধতি এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে। সঠিক জেলা, উপজেলা, মৌজা ও জরিপ নির্বাচন করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রয়োজনীয় রেকর্ড অনুসন্ধান করা সম্ভব। তবে জমি কেনাবেচা বা মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব নথি যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

পাঠকদের সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

১. মোবাইল দিয়ে কি জমির খতিয়ান বের করা যায়?

হ্যাঁ। স্মার্টফোনের ব্রাউজার থেকে সরকারি DLRMS ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে জমির খতিয়ান অনুসন্ধান এবং নির্ধারিত ফি দিয়ে অনলাইন কপি সংগ্রহ করা যায়।

২. খতিয়ান নম্বর না জানলে কীভাবে জমির খতিয়ান খুঁজব?

খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলেও মালিকের নাম, পিতার নাম, দাগ নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য দিয়ে অনুসন্ধান করা যায়। এ ক্ষেত্রে জেলা, উপজেলা ও মৌজার তথ্য সঠিক হওয়া জরুরি।

৩. অনলাইনে জমির খতিয়ান বের করতে কি কোনো ফি লাগে?

শুধু অনুসন্ধানের জন্য সাধারণত ফি লাগে না। তবে অনলাইন কপি বা সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত ফি দিতে হয়।

৪. অনলাইনে পাওয়া খতিয়ান কি সার্টিফায়েড কপি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?

সাধারণ অনলাইন কপি এবং সার্টিফায়েড কপি এক নয়। আদালত বা কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে জমা দেওয়ার আগে তারা কোন ধরনের কপি গ্রহণ করবে, তা জেনে নিতে হবে।

৫. অনলাইনে জমির খতিয়ান না পাওয়া গেলে কোথায় যোগাযোগ করব?

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুম, উপজেলা বা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে যোগাযোগ করা যায়। ভূমিসেবা সংক্রান্ত সহায়তার জন্য ১৬১২২ নম্বরেও যোগাযোগ করা যাবে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ