ঢাকা, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

ফ্রিজ খুললেই দুর্গন্ধ? দূর করতে যা করবেন

লাইফ স্টাইল ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৮ ১৭:৪৯:২৩
ফ্রিজ খুললেই দুর্গন্ধ? দূর করতে যা করবেন

ফ্রিজে খাবার ভালো রাখার কথা থাকলেও অনেক সময় দরজা খুললেই ভেসে আসে পচা খাবার, মাছ-মাংস কিংবা টক দুধের গন্ধ। সমস্যা হলো, দুর্গন্ধের উৎস সরিয়ে ফেললেও অনেক সময় ফ্রিজের ভেতরে গন্ধ থেকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সুগন্ধি ব্যবহার করে গন্ধ ঢাকার চেষ্টা না করে ফ্রিজের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করাই কার্যকর সমাধান।

ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে প্রথমে নষ্ট খাবার ও ছড়িয়ে পড়া তরল সরাতে হবে। এরপর তাক, ড্রয়ার, দরজার রাবার এবং ভেতরের দেয়াল পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজন হলে বেকিং সোডা বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল ব্যবহার করা যায়। তবে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করবেন, তা ফ্রিজের নির্মাতার নির্দেশনার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

ফ্রিজে দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ কী?

ফ্রিজের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের খাবার একসঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়। মাছ, মাংস, পেঁয়াজ, রসুন, দুধ, রান্না করা খাবার কিংবা ফলমূল থেকে নির্গত গন্ধ বন্ধ জায়গায় জমে থাকতে পারে। খাবার নষ্ট হলে সেই গন্ধ আরও তীব্র হয়।

দুর্গন্ধের পেছনে কয়েকটি সাধারণ কারণ রয়েছে—

পচে যাওয়া খাবার: মেয়াদোত্তীর্ণ বা দীর্ঘদিন পড়ে থাকা খাবার থেকে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে।

খাবারের তরল ছড়িয়ে পড়া: দুধ, মাছ-মাংসের রস, সস বা রান্না করা খাবার পড়ে থাকলে সেখান থেকে গন্ধ ছড়ায়।

ঢাকনাবিহীন খাবার রাখা: খোলা পাত্রে খাবার রাখলে একটির গন্ধ অন্য খাবারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

দরজার রাবারে ময়লা জমা: দরজার চারপাশের রাবার বা গ্যাসকেটের ভাঁজে খাবারের কণা ও তরল আটকে থাকতে পারে।

ড্রেন বা পানি জমার ট্রেতে ময়লা: ফ্রিজের পানি নিষ্কাশনের পথ কিংবা ড্রিপ ট্রেতে ময়লা জমলে সেখান থেকেও দুর্গন্ধ হতে পারে।

ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করার কার্যকর পদ্ধতি

১. প্রথমে নষ্ট ও দুর্গন্ধযুক্ত খাবার সরিয়ে ফেলুন

ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করার প্রথম কাজ হলো এর উৎস শনাক্ত করা। ফ্রিজের সব খাবার বের করে দেখুন কোনটি নষ্ট হয়েছে, কোন পাত্র থেকে তরল বের হয়েছে কিংবা কোথাও খাবারের অংশ পড়ে আছে কি না।

নষ্ট বা সন্দেহজনক খাবার ফেলে দিন। ভালো খাবারগুলো পরিষ্কার ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করুন। দীর্ঘ সময় ফ্রিজের বাইরে রেখে খাবার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবেন না।

২. তাক ও ড্রয়ার খুলে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন

ফ্রিজের ভেতরের তাক, সবজি রাখার ড্রয়ার, খাবারের বক্স ও অন্যান্য খোলা যায় এমন অংশ বের করে আলাদাভাবে পরিষ্কার করুন।

হালকা গরম পানি ও মৃদু ডিশওয়াশিং তরল ব্যবহার করে এসব অংশ ধুয়ে নিতে পারেন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুছে সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন।

তবে কাচের তাক ফ্রিজ থেকে বের করার পর খুব ঠান্ডা অবস্থায় সরাসরি গরম পানিতে দেবেন না। তাপমাত্রার আকস্মিক পরিবর্তনে কাচ ফেটে যেতে পারে। আগে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসতে দিন।

৩. বেকিং সোডা ও পানি দিয়ে ভেতরের অংশ মুছুন

ফ্রিজের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা ব্যবহার করা যায়। এটি পরিষ্কারের কাজে সহায়ক এবং কিছু গন্ধ কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

এক কোয়ার্টার বা প্রায় ৯৪৬ মিলিলিটার পানিতে ১ থেকে ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পরিষ্কারের দ্রবণ তৈরি করা যায়। নরম কাপড় বা স্পঞ্জে দ্রবণটি নিয়ে ফ্রিজের ভেতরের দেয়াল, তাকের জায়গা ও দরজার ভেতরের অংশ মুছে ফেলুন।

এরপর পরিষ্কার পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে আবার মুছে শুকনো কাপড় দিয়ে পানি সরিয়ে নিন। ফ্রিজের বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রণ, বাতি বা সংযোগের জায়গায় অতিরিক্ত পানি লাগতে দেবেন না।

৪. দরজার রাবার ও কোণাগুলো পরিষ্কার করুন

ফ্রিজের দরজা বন্ধ হলে যে রাবারের অংশটি ভেতরের ঠান্ডা বাতাস আটকে রাখে, সেটিকে গ্যাসকেট বলা হয়। এর ভাঁজে খাবারের কণা, পানি ও ময়লা জমে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে।

নরম কাপড় ও মৃদু সাবান-পানির সাহায্যে রাবারের ভাঁজগুলো পরিষ্কার করুন। প্রয়োজনে নরম ব্রাশ ব্যবহার করা যায়। পরিষ্কারের পর অংশটি ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।

৫. ড্রেন ও পানি জমার ট্রে পরীক্ষা করুন

কিছু ফ্রিজে ভেতরের পানি বের হওয়ার জন্য ড্রেনের ব্যবস্থা থাকে। খাবারের তরল বা ময়লা সেখানে জমে গেলে দুর্গন্ধ হতে পারে। আবার কিছু মডেলে ফ্রিজের পেছনে বা নিচে পানি জমার ট্রে থাকে।

ড্রেনের মুখ বা ট্রেতে ময়লা আছে কি না পরীক্ষা করুন। পরিষ্কারের পদ্ধতি মডেলভেদে আলাদা হতে পারে। তাই নিজের ফ্রিজের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন। ড্রেন আটকে গেলে বা ট্রেতে পৌঁছানো কঠিন হলে জোর করে কিছু ঢোকাবেন না; প্রয়োজনে সার্ভিস টেকনিশিয়ানের সহায়তা নিন।

৬. বেকিং সোডা বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল রাখুন

ফ্রিজ পরিষ্কার করার পরও হালকা গন্ধ থাকলে একটি খোলা পাত্রে কিছু বেকিং সোডা রেখে দিতে পারেন। এটি ফ্রিজের ভেতরের কিছু গন্ধ শোষণে সহায়তা করতে পারে।

আরেকটি বিকল্প হলো অ্যাক্টিভেটেড চারকোল। এটি দুর্গন্ধ শোষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। পরিষ্কার ও শুকনো পাত্রে রেখে ফ্রিজের ভেতরে রাখা যায়। পণ্যটির ব্যবহারবিধি অনুসরণ করতে হবে এবং খাবারের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে রাখা যাবে না।

মনে রাখতে হবে, বেকিং সোডা বা চারকোল দুর্গন্ধ কমাতে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু নোংরা ফ্রিজ পরিষ্কারের বিকল্প নয়।

৭. পরিষ্কারের পর ফ্রিজ শুকিয়ে চালু করুন

ফ্রিজের ভেতরের সব অংশ পরিষ্কার করার পর দরজা কিছু সময় খোলা রেখে বাতাস চলাচলের সুযোগ দিন। ভেতরে পানি বা পরিষ্কারের দ্রবণ জমে থাকলে তা শুকিয়ে নিন।

এরপর ফ্রিজের নির্দেশিকা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে চালু করুন। পর্যাপ্ত ঠান্ডা হওয়ার পর খাবারগুলো আবার ভেতরে রাখুন।

ভিনেগার দিয়ে কি ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করা যায়?

কিছু ক্ষেত্রে পানি ও সাদা ভিনেগারের মিশ্রণ দিয়ে ফ্রিজের ভেতরের অংশ মোছার পরামর্শ দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিদর্শন সংস্থা (USDA-FSIS) দুর্গন্ধযুক্ত ফ্রিজ পরিষ্কারের একটি পদ্ধতি হিসেবে সমপরিমাণ ভিনেগার ও পানি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছে।

তবে সব ফ্রিজের নির্মাতা একই ধরনের পরিষ্কারক ব্যবহারের অনুমতি দেয় না। কোনো কোনো নির্মাতা অ্যাসিডযুক্ত পরিষ্কারক ব্যবহার না করার নির্দেশ দেয়। তাই ভিনেগার ব্যবহারের আগে ফ্রিজের ম্যানুয়াল দেখে নেওয়া উচিত। ব্যবহার করলে বেকিং সোডার সঙ্গে একসঙ্গে মিশিয়ে নয়, আলাদাভাবে ব্যবহার করতে হবে।

ফ্রিজ পরিষ্কারের সময় যেসব ভুল করবেন না

দুর্গন্ধ দূর করতে গিয়ে ভুল পরিষ্কারক ব্যবহার করলে ফ্রিজের ভেতরের প্লাস্টিক, রাবার বা অন্যান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কয়েকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি।

ফ্রিজের ভেতরে অ্যামোনিয়া, শক্তিশালী রাসায়নিক, সলভেন্ট বা ঘষামাজা করে এমন ক্লিনার ব্যবহার করবেন না।

ফ্রিজের নির্মাতার অনুমতি ছাড়া ব্লিচ ব্যবহার করবেন না।

কখনোই ব্লিচের সঙ্গে ভিনেগার, অ্যামোনিয়া বা অন্য কোনো পরিষ্কারক মেশাবেন না।

ধাতব স্ক্রাবার বা শক্ত ব্রাশ দিয়ে ভেতরের অংশ ঘষবেন না।

বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রণ বা বাতির জায়গায় পানি ঢুকতে দেবেন না।

শুধু সুগন্ধি স্প্রে দিয়ে দুর্গন্ধ ঢাকার চেষ্টা করবেন না। এতে গন্ধের উৎস থেকে যেতে পারে এবং খাবারে সুগন্ধির প্রভাব পড়তে পারে।

পরিষ্কারের আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা নিরাপদ পদ্ধতি। তবে ফ্রিজের মডেলভেদে নির্দেশনা আলাদা হতে পারে, তাই ব্যবহারবিধি অনুসরণ করুন।

পরিষ্কারের পরও দুর্গন্ধ থাকলে কী করবেন?

সব খাবার সরিয়ে পরিষ্কার করার পরও যদি দুর্গন্ধ না যায়, তাহলে সমস্যা ফ্রিজের এমন কোনো অংশে থাকতে পারে যেখানে সহজে পৌঁছানো যায় না। যেমন ড্রেন লাইন, ড্রিপ ট্রে, বরফ তৈরির অংশ কিংবা ভেতরের ইনসুলেশনে দুর্গন্ধ ঢুকে যাওয়া।

বিশেষ করে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মাছ-মাংস বা অন্য খাবার পচে গেলে গন্ধ ফ্রিজের ভেতরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ধরনের দুর্গন্ধ দূর করতে একাধিকবার পরিষ্কার করতে হতে পারে। ইনসুলেশনের ভেতরে গন্ধ ঢুকে গেলে সাধারণ পরিষ্কারে তা দূর করা কঠিন হতে পারে।

এ অবস্থায় ফ্রিজের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার বা দক্ষ টেকনিশিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করা ভালো।

ভবিষ্যতে ফ্রিজে দুর্গন্ধ হওয়া ঠেকাবেন যেভাবে

একবার দুর্গন্ধ দূর করার পর আবার যেন একই সমস্যা না হয়, সে জন্য নিয়মিত কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

১. মাছ, মাংস ও রান্না করা খাবার ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রাখুন।

২. খাবার ফ্রিজে রাখার আগে পাত্রের বাইরে কোনো তরল লেগে আছে কি না দেখে নিন।

৩. নষ্ট বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার নিয়মিত সরিয়ে ফেলুন।

৪. ফ্রিজে কোনো খাবার পড়ে গেলে দ্রুত পরিষ্কার করুন।

৫. দরজার রাবার ও তাকের কোণা নিয়মিত মুছে রাখুন।

৬. ফ্রিজে খাবার এমনভাবে সাজান, যাতে বাতাস চলাচলের জায়গা বন্ধ না হয়ে যায়।

৭. ফ্রিজের তাপমাত্রা নির্মাতার নির্দেশনা অনুযায়ী রাখুন।

ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো গন্ধের উৎস খুঁজে বের করে সেটি সরিয়ে ফেলা এবং ভেতরের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করা। বেকিং সোডা বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল অতিরিক্ত গন্ধ কমাতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু নষ্ট খাবার বা জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার না করলে স্থায়ী সমাধান পাওয়া কঠিন।

তাই দুর্গন্ধ দেখা দিলেই সুগন্ধি ব্যবহার না করে খাবার, তাক, ড্রয়ার, দরজার রাবার ও ড্রেন পরীক্ষা করুন। নিয়মিত পরিষ্কার এবং খাবার ঢেকে রাখার অভ্যাস থাকলে ফ্রিজে দুর্গন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও কমবে।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

১. ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা কীভাবে ব্যবহার করবেন?

প্রায় ৯৪৬ মিলিলিটার পানিতে ১ থেকে ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ফ্রিজের ভেতরের অংশ মুছতে পারেন। পরিষ্কারের পর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিতে হবে। চাইলে আলাদা একটি খোলা পাত্রে বেকিং সোডা রেখেও কিছু গন্ধ কমানো যায়।

২. ফ্রিজে ভিনেগার ব্যবহার করা কি নিরাপদ?

কিছু ফ্রিজ পরিষ্কারে পানি ও সাদা ভিনেগার ব্যবহার করা যায়। তবে সব নির্মাতা এটি অনুমোদন করেন না। তাই ব্যবহারের আগে ফ্রিজের ম্যানুয়াল দেখে নিন। কখনোই ভিনেগারের সঙ্গে ব্লিচ মেশাবেন না।

৩. ফ্রিজের গন্ধ দূর করতে কয়লা ব্যবহার করা যায়?

অ্যাক্টিভেটেড চারকোল দুর্গন্ধ শোষণে সহায়তা করতে পারে। তবে রান্নার কয়লা বা জ্বালানি মেশানো বারবিকিউ চারকোলের বদলে উপযুক্ত অ্যাক্টিভেটেড চারকোল ব্যবহার করা উচিত।

৪. ফ্রিজ পরিষ্কার করার পরও দুর্গন্ধ থাকলে কী করবেন?

ড্রেন, পানি জমার ট্রে, দরজার রাবার এবং বরফ তৈরির অংশ পরীক্ষা করুন। গন্ধ এসব জায়গা বা ইনসুলেশনে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ পরিষ্কারে দূর নাও হতে পারে। প্রয়োজনে সার্ভিস টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিন।

৫. কত দিন পরপর ফ্রিজ পরিষ্কার করা উচিত?

ফ্রিজে খাবার পড়ে গেলে বা তরল ছড়িয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করুন। পাশাপাশি নিয়মিত খাবার পরীক্ষা করে নষ্ট খাবার সরিয়ে ফেলুন এবং তাক, ড্রয়ার ও দরজার রাবার পরিষ্কার রাখুন। নির্দিষ্ট পরিষ্কারের সময়সূচির জন্য ফ্রিজের নির্মাতার নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত:

৩ জেলায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, কারণ কী?

৩ জেলায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, কারণ কী?

ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চলমান শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে... বিস্তারিত