সুস্থ গর্ভাবস্থার জন্য যেসব খাবার খাবেন, যেসব এড়িয়ে যাবেন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ৭ এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। প্রতিবছরের মতো এবারও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনটি আন্তর্জাতিকভাবে পালন করা হচ্ছে। তবে এবারের বার্তা বিশেষভাবে মনোযোগ পাচ্ছে – মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে "স্বাস্থ্যকর সূচনা, আশাবাদী ভবিষ্যত"। লক্ষ্য একটাই—গর্ভবতী নারী এবং নবজাতকের জন্য একটি নিরাপদ, পুষ্টিকর এবং যত্নশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা।
WHO-এর মতে, নারীদের গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে প্রসব-পরবর্তী সময় পর্যন্ত শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই পর্যায়ে সঠিক পুষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, সুস্থ গর্ভাবস্থা শুধু একটি শিশুর জন্মের পথই সুগম করে না, বরং ভবিষ্যতের একটি সুস্থ প্রজন্ম গঠনের ভিত্তিও রচনা করে।
গর্ভাবস্থায় খাদ্যাভ্যাস: যেসব নিয়ম মানা জরুরি
ছোট ছোট খাবার, ঘন ঘন গ্রহণ:
গর্ভাবস্থায় বারবার ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। তাই একবারে ভারী খাবারের বদলে পুষ্টিগুণসম্পন্ন ছোট ছোট খাবার খান, যা হজমে সহায়ক এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ফাইবারযুক্ত খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়:
গোটা শস্য, ডাল, ফল ও শাকসবজি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, যা গর্ভাবস্থায় একটি সাধারণ সমস্যা। ফাইবার হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে।
প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম অপরিহার্য:
শিশুর শারীরিক বিকাশ, বিশেষ করে হাড় গঠনের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম। নিয়মিত খান দুধ, দই, ডিম, ডাল, বাদাম এবং মিষ্টি আলু।
শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করুন:
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এতে শরীর থেকে টক্সিন বের হয়ে যায় এবং ইউরিন ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলা ভালো
চিনিযুক্ত ও অতিরিক্ত নোনতা খাবার এড়ান:
ফাস্ট ফুড, ভাজা-পোড়া ও প্রসেসড খাবার রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় ওজন বৃদ্ধি ও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
অ্যালকোহল ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন নিষিদ্ধ:
গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। পাশাপাশি, দিনে এক কাপের বেশি চা বা কফি না খাওয়াই ভালো। বিকল্প হিসেবে বেছে নিন ডাবের পানি বা বাটারমিল্ক।
ঝুঁকিপূর্ণ খাবার বর্জন করুন:
কাঁচা বা অর্ধ-সিদ্ধ মাছ-মাংস, উচ্চ পারদযুক্ত মাছ (যেমন: টুনা, সোর্ডফিশ), পাস্তুরিত না করা দুগ্ধজাত দ্রব্য ও কাঁচা অঙ্কুরিত শস্য স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
নিজের শরীরকে সময় দিন, কথা বলুন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে
গর্ভাবস্থার প্রতিটি মুহূর্তই ভিন্ন। কোনো খাবারে অস্বস্তি হলে, অবিলম্বে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তনের আগে অভিজ্ঞ পুষ্টিবিদের সঙ্গে আলোচনা করা জরুরি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৫ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য শুরুটা হতে হবে যত্ন আর সচেতনতার সঙ্গে। একজন মায়ের সুস্থতা মানেই একটি জাতির সুস্থ ভবিষ্যত।
মোঃ শিহাব/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- বাংলাদেশকে এক কথায় না বলে দিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ড
- সোনার বাজারে বড় রেকর্ড: ভরিতে বাড়লো ৫১৩২ টাকা
- মুস্তাফিজকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে যা জানালো আইপিএল কর্তৃপক্ষ
- সরকারি চাকরিজীবীদের বড় সুখবর! ৮ জানুয়ারি চূড়ান্ত হচ্ছে নবম পে-স্কেল
- চলছে চট্টগ্রাম বনাম সিলেট ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন Live
- মুস্তাফিজের নতুন বার্তা
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল: পুনঃপরীক্ষার ঘোষণা শীঘ্রই
- এইচএসসি ২০২৬: ফরম পূরণের নতুন সময়সূচি ঘোষণা
- বিপিএল পয়েন্ট টেবিল: শীর্ষে রংপুর জানুন বাকিদের অবস্থান
- আজকের খেলার সময়সূচী:ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া
- লিভার অকেজো হওয়ার আগেই ত্বকে ফুটে ওঠে এই ৪টি বিশেষ লক্ষণ
- আইপিএল থেকে বাদ পড়ে পিএসএলে মুস্তাফিজ
- শীতে খালি পেটে খেজুর খেলেই ম্যাজিক! জানুন ৫টি জাদুকরী উপকারিতা
- এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা প্রত্যেক মাসে পাবেন ১২০০ টাকা
- নিলামে কেউ নেয়নি, সেই রিয়াদই এখন বিপিএলের সেরা