ক্যান্সারে আক্রান্ত আবদুল হামিদের রাজনৈতিক আক্ষেপ ও ভবিষ্যতের বার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, যিনি বর্তমানে ল্যাং ক্যান্সারের থ্রি-টু-ফোর (৩-৪) স্টেজে আক্রান্ত, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও বর্তমান অবস্থাকে কেন্দ্র করে অনেক গভীর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের অনেক ভুল ছিল, সেই ভুলের ফল আজকের এই অবস্থা।”
ডা. আনম নওশাদ খান, সাবেক রাষ্ট্রপতির শ্যালক ও দীর্ঘদিনের সঙ্গী, জানান, ২০১২ সালে স্পিকার থাকার সময় আবদুল হামিদ সতর্ক করেছিলেন যে, “সরকার যদি স্বৈরাচারী হয়, জনগণ তা বেশিদিন সহ্য করবে না।” সেই কথাগুলো এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে পারিবারিক জীবনে সময় কাটাচ্ছেন এবং রাজনীতির সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। থাইল্যান্ডে দীর্ঘ চিকিৎসার পর গত ৯ জুন দেশে ফিরে আসেন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা এতটাই গুরুতর যে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়।
তবে, তার রাজনৈতিক আক্ষেপ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বার্তা স্পষ্ট। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ যদি ভবিষ্যতে রাজনীতিতে ফিরে আসতে চায়, তাদের অতীতের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে এবং কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।”
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর থেকে শেখ হাসিনা ও দলের শীর্ষ নেতারা পলাতক বা কারাবন্দি। দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আবদুল হামিদের মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।
তিনি আরও জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতির এবং শেখ হাসিনার মধ্যে কোনো যোগাযোগ নেই এবং দুই পক্ষ থেকেই কোনো পুনর্মিলনের চেষ্টা হয়নি।
আবদুল হামিদের এই বার্তা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য এক দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে অতীত ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সততা ও দায়বদ্ধতার মাধ্যমে নতুন রাজনীতির পথ গড়ার আহ্বান রয়েছে।
FAQ:
প্রশ্ন: আবদুল হামিদ কেন রাজনৈতিক আক্ষেপ প্রকাশ করলেন?
উত্তর: তিনি বলেন সরকারের ভুল ও স্বৈরাচারিতা দেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী।
প্রশ্ন: আবদুল হামিদের শারীরিক অবস্থা কেমন?
উত্তর: তিনি ল্যাং ক্যান্সারের থ্রি-টু-ফোর স্টেজে আছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
প্রশ্ন: আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত নিয়ে আবদুল হামিদের মতামত কী?
উত্তর: তিনি বলছেন, আওয়ামী লীগকে অতীতের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে এবং রাজনীতিতে ফিরে আসার আগে জবাবদিহি করতে হবে।
প্রশ্ন: সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং শেখ হাসিনার মধ্যে যোগাযোগ আছে কি?
উত্তর: গত ৫ আগস্টের পর থেকে তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়নি।
মো: রাজিব আলী/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- এক লাফে বাড়লো সোনার দাম, জানুন ২২ স্বর্ণের দাম
- বুধবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, দেশের যেসব এলাকায়
- আজকের খেলার সময়সূচি: রিয়াল বনাম বায়ার্ন
- ড্র করলেই ইতিহাস! বাংলাদেশের সামনে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ
- আজকের স্বর্ণের দাম: (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬)
- রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ৩ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে সোনা
- খেলার মাঝেই নিখোঁজ ৭ ফুটবলার! তোলপাড় বিশ্ব ফুটবল
- বিসিবিতে বড় ধামাকা: তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি ঘোষণা
- এডহক কমিটিতে থাকা কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে?
- আজকের খেলার সময়সূচি:বার্সেলোনা বনাম আতলেতিকো
- মাদ্রিদ বধের ছকে বায়ার্ন: খেলবেন কি হ্যারি কেইন?
- ৬০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ৩ জেলায় বড় সতর্কতা
- আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট (৭ এপ্রিল ২০২৬)
- অন্য দেশে জন্মেও যারা বিশ্বকাপ জেতালেন: অজানা ইতিহাস
- নতুন এডহক কমিটির প্রথম সভা আজকেই