মনোনয়ন গ্রুপিং ঠেকাতে তৃণমূলে কড়া বার্তা দিল বিএনপি হাইকমান্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দল পুনর্গঠনে ব্যস্ত বিএনপি। এ পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে আসনভিত্তিক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সৃষ্ট গ্রুপিং ও দ্বন্দ্ব। এ পরিস্থিতি দলের ঐক্যে বিঘ্ন ঘটাতে পারে—এমন শঙ্কা থেকেই তৃণমূলে কড়া বার্তা দিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড।
বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাংগঠনিক বৈঠকে এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানান নেতারা। ভার্চুয়ালি বৈঠকে যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অংশ নেন বিভাগীয় সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক নেতারা।
এক আসনে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী, বাড়ছে অভ্যন্তরীণ উত্তাপ
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দেশের বেশিরভাগ আসনেই একাধিক নেতা মনোনয়নের জন্য মাঠে আছেন। এতে করে কিছু এলাকায় শুরু হয়েছে গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা। দল মনে করছে, এই দ্বন্দ্ব দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং আসন্ন নির্বাচনী প্রস্তুতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
এ কারণেই বৈঠকে স্পষ্ট করে জানানো হয়—কেউ ব্যক্তিস্বার্থে বিভাজন তৈরি করলে, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক মঞ্চে আন্দোলনের নির্দেশ
নেতারা বলেন, বিএনপির চলমান ও আসন্ন তিন মাসব্যাপী রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করতে হলে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে। আসনভিত্তিক পদযাত্রা, বিভাগীয় সমাবেশ ও রোডমার্চের মতো কর্মসূচিগুলোতে দলীয় ঐক্য বজায় রাখা অপরিহার্য।
দলীয় নেতারা আরও জানান, ভবিষ্যতে কোনো নেতা বা কর্মী গ্রুপিংয়ে জড়িত থাকলে বা দলীয় কর্মসূচির ক্ষতি সাধন করলে তা দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী হিসেবে গণ্য করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপি চায় সময়মতো নির্বাচন ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতি
বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতাদের মতে, বিএনপির মূল লক্ষ্য হচ্ছে যথাসময়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করা। এজন্য সরকারকে সহযোগিতার পাশাপাশি দল মাঠে সক্রিয় থাকতে চায়।
ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল বলেন, “দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে আমরা তিন মাসের কর্মসূচিতে মাঠে থাকব। দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়, সে জন্য বিএনপি দায়িত্বশীল ভূমিকায় আছে। ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”
সামনে আরও বৈঠক, চূড়ান্ত হবে কর্মসূচি
দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকে উপস্থাপিত কর্মসূচির খসড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আবারও পর্যালোচনা করে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেওয়া হবে। এরপর তা জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও নতুন কমিটির কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নেতারা মনে করেন, দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে না পারলে বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই এখনই শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময়।
মো: রাজিব আলী/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ২১ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় যে ব্যাংক
- শেয়ার বাজারের পতন থামাতে অবকাঠামো সংস্কারের তাগিদ, সিসিপি নিয়ে প্রশ্ন
- দরপতন থামছে না, শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ডিএসই
- বাংলাদেশ বনাম উত্তর কোরিয়া: গোল বন্যায় শেষ হলো ম্যাচ
- ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচ কবে, জেনে নিন পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও প্রতিপক্ষ
- পে-স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ, জানা গেল দিন তারিখ
- আবারও বাড়লো তেলের দাম, জানুন নতুন মুল্য তালিকা
- এআই ঘিরে নতুন শঙ্কা, বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি ও চিপ শেয়ারে বড় ধাক্কা
- বিক্রির চাপে ডিএসই, কমেছে প্রধান তিন সূচক
- নিয়মিত ভেজানো ছোলা খাচ্ছেন? জানুন উপকারিতা, ক্ষতি ও কারা খাবেন
- সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করল ইসি
- মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স, যতো উইকেট ও যতো রান করলেন
- আজকের অবহাওয়ার খবর: বৃষ্টি নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- তিন সরকারি ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন ও কুপন পেমেন্টের রেকর্ড ডেট ঘোষণা
- আজকের সোনার দাম: নতুন দামে গহনা বিক্রি হচ্ছে বাজারে