ঢাকা, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

MD. Razib Ali

Senior Reporter

কেইন ছাড়াই ৬ গোল! আতালান্তাকে বিধ্বস্ত করল বায়ার্ন

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ মার্চ ১১ ১০:৩০:৫০
কেইন ছাড়াই ৬ গোল! আতালান্তাকে বিধ্বস্ত করল বায়ার্ন

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তাকে তাদেরই মাঠে স্রেফ ধ্বংস করে দিল বায়ার্ন মিউনিখ। দলের প্রাণভোমরা হ্যারি কেইনকে ছাড়াই জিউইস স্টেডিয়ামে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে ৬-১ ব্যবধানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা। এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল জার্মান জায়ান্টরা।

শুরুতেই বাভারিয়ানদের তাণ্ডব

ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিকদের ওপর চড়াও হয়ে খেলে বায়ার্ন। বলের দখল থেকে শুরু করে আক্রমণ—সবক্ষেত্রেই আতালান্তাকে দিশেহারা করে দেয় তারা। ম্যাচের ১২ মিনিটেই গোলের খাতা খোলেন ক্রোয়াট ডিফেন্ডার জোসিপ স্ট্যানিসিচ। সার্জি গ্যানাব্রির বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন তিনি।

মিনিট দশেকের ব্যবধানে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মাইকেল ওলিসে। ডি-বক্সের কিনার থেকে নেওয়া তার বুদ্ধিদীপ্ত আড়াআড়ি শটটি জাল খুঁজে পায়। এর কিছুক্ষণ পর ২৫ মিনিটে ওলিসের পাস থেকেই স্কোরলাইন ৩-০ করেন গ্যানাব্রি। গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে আতালান্তাকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন এই জার্মান উইঙ্গার। প্রথমার্ধের বিরতির আগে গ্যানাব্রির আরও একটি বুলেট গতির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে না আসলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।

দ্বিতীয়ার্ধেও বায়ার্নের একক রাজত্ব

বিরতির পর ফিরেও আক্রমণের ধার কমায়নি বায়ার্ন। ৫২ মিনিটে লুইস দিয়াজের দ্রুতগতির পাস থেকে লক্ষ্যভেদ করেন সেনেগালিজ স্ট্রাইকার নিকোলাস জ্যাকসন। ১০ মিনিট পর আবারও ওলিসের জাদু। আলফনসো ডেভিসের অ্যাসিস্টে বল পেয়ে একক নৈপুণ্যে ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। বায়ার্নের হয়ে ষষ্ঠ গোলটি আসে বদলি খেলোয়াড় জামাল মুসিয়ালার পা থেকে, যেখানে সহায়তাকারীর ভূমিকায় ছিলেন জ্যাকসন।

পরিসংখ্যানে বায়ার্নের একচ্ছত্র আধিপত্য

পুরো ম্যাচে আতালান্তা কেবল দর্শক হয়েই ছিল। তাদের বল পজেশন ছিল মাত্র ৩০ শতাংশের নিচে। বিপরীতে বায়ার্ন গোল লক্ষ্য করে ২৫টি শট নেয়, যার ১৩টিই ছিল অন-টার্গেট। ম্যাচের শেষ দিকে উপামেকানোর একটি হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোলসংখ্যা আর বাড়েনি। তবে ইনজুরি টাইমে মারিও পাসালিচ একটি সান্ত্বনাসূচক গোল করলে আতালান্তার পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমে (৬-১)।

ফিরতি লেগের চ্যালেঞ্জ

ইতালির একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে টিকে থাকা আতালান্তার জন্য এখন ফেরার পথটি অত্যন্ত দুর্গম। আগামী ১৮ মার্চ বায়ার্নের দুর্গ অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হবে এই দুই দল। ৬-১ গোলে পিছিয়ে থাকা আতালান্তার জন্য সেই ম্যাচটি হবে সম্মান বাঁচানোর লড়াই।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ