আয় বাড়ছে, নগদ আসছে না: কেপিসিএলের লভ্যাংশ নিয়ে ধোঁয়াশা
নয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় ৭ পয়সা থেকে ৫০ পয়সায় উঠেছে রানার অটোমোবাইলস পিএলসির। অথচ একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য আগের অর্থবছরের শেষ অবস্থানের নিচেই আটকে আছে। এই দুই উল্টো ছবির মাঝখানে বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন একটাই: আগের বছর কোম্পানি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছিল, এবার তা কি বাড়বে? ২৬ অক্টোবর, সোমবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে বসছে পরিচালনা পর্ষদের সভা। সেখানে ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত প্রতিবেদনসহ নানা বিষয় বিবেচনায় আসবে। তবে ডিভিডেন্ডের অঙ্ক এখনো ঘোষণা হয়নি।
আয়ের হিসাব: লাফ আছে, তবে পথটা সমান ছিল না
কোম্পানির অনিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫০ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭ পয়সা। বেড়েছে ৪৩ পয়সা, শতাংশের হিসাবে প্রায় ৬১৪ দশমিক ২৯। তবে এই অঙ্ক একটানা ভালো সময়ের ফল নয়। তিনটি প্রান্তিকে ছবি ছিল তিন রকম।
শুরুটা হয়েছিল বিক্রির জোরে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে ইপিএস ছিল ৩৮ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে ছিল ঋণাত্মক ৭২ পয়সা। উন্নতি ১ টাকা ১০ পয়সা। কোম্পানির ব্যাখ্যা, তিন চাকা ও চার চাকার বাণিজ্যিক যানবাহনের বিক্রি বাড়ায় আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
মাঝপথে হোঁচট এসেছে সরবরাহ থেকে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে ইপিএস নেমে যায় ঋণাত্মক ১২ পয়সায়, যেখানে আগের বছর ছিল ৩৫ পয়সা। অবনতি ৪৭ পয়সা। কোম্পানি বলছে, তিন চাকার যানবাহন বিভাগের সরবরাহব্যবস্থায় অনিবার্য বিঘ্নে রাজস্ব আয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথম প্রান্তিকের বিক্রিবৃদ্ধির সুফল এই সময় ধরে রাখা যায়নি। তবু প্রথম ছয় মাস মিলিয়ে কোম্পানি মুনাফায় ছিল: ইপিএস ২৬ পয়সা, আগের বছর ছিল ঋণাত্মক ৩৭ পয়সা, উন্নতি ৬৩ পয়সা।
শেষ প্রান্তিকে মুনাফা টিকেছে। জানুয়ারি থেকে মার্চে ইপিএস ২৪ পয়সা। আগের বছরের ৪৩ পয়সার তুলনায় তা ১৯ পয়সা বা প্রায় ৪৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কম। আগের বছর এই তিন মাসে আয় তুলনামূলক বেশি ছিল বলেই এবারের অঙ্ক কম দেখাচ্ছে। তবু চলতি অর্থবছরে কোম্পানি মুনাফা ধরে রেখেছে।
তাই শুধু তৃতীয় প্রান্তিকের সঙ্গে আগের বছরের একই প্রান্তিক মেলালে ছবিটা আংশিক দাঁড়ায়। প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে যে উন্নতি, নয় মাসের ৫০ পয়সা মূলত তারই ফল।
নগদ প্রবাহ: চাপ কাটল শেষ দিকে
শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহের গতিপথ ছিল শুরুতে নিচে, পরে ওপরে।
প্রথম প্রান্তিকে তা ছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা, আগের বছর ছিল ৭ টাকা ১০ পয়সা। কমেছে ৩ টাকা ৪০ পয়সা বা প্রায় ৪৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ছয় মাসের হিসাবে একই প্রবণতা: ৭ টাকা ৩১ পয়সা, আগের বছর ছিল ১৪ টাকা ১১ পয়সা, হ্রাস ৬ টাকা ৮০ পয়সা বা প্রায় ৪৮ দশমিক ১৯ শতাংশ। দুই ক্ষেত্রেই কোম্পানি কারণ হিসেবে সরবরাহকারীদের পাওনা পরিশোধের কথা বলেছে।
নয় মাসে ছবি বদলায়। নগদ প্রবাহ দাঁড়ায় ১৬ টাকা ৫৮ পয়সায়, আগের বছর ছিল ১৪ টাকা ২৮ পয়সা। বেড়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা বা প্রায় ১৬ দশমিক ১১ শতাংশ। কোম্পানির ভাষ্য, তৃতীয় প্রান্তিকে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় বেড়েছে। তবে এ থেকে সরবরাহসংকট পুরোপুরি কেটে গেছে বা ব্যবসার সব বিভাগ স্বাভাবিক হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
সম্পদমূল্য: যেখানে এখনো ঘাটতি
শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্যের চিত্র:
২০২৫ সালের ৩০ জুন: ৬৬ টাকা ৭০ পয়সা
৩০ সেপ্টেম্বর: ৬৭ টাকা ৮ পয়সা (৩৮ পয়সা বেশি)
৩১ ডিসেম্বর: ৬৫ টাকা ৯৬ পয়সা (৩০ জুনের তুলনায় ৭৪ পয়সা কম)
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ: ৬৬ টাকা ২০ পয়সা (৩০ জুনের তুলনায় ৫০ পয়সা বা প্রায় শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ কম)
প্রথম প্রান্তিকের বৃদ্ধির পেছনে কোম্পানি দেখিয়েছে মুনাফার উন্নতি এবং মূল কোম্পানি ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নিট সম্পদমূল্য বাড়াকে। ডিসেম্বরের পতনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে তিন চাকার যানবাহন ব্যবসায় অপ্রত্যাশিত সরবরাহসংকটে মুনাফা কমে যাওয়াকে। নয় মাসের হিসাবে এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড পরিশোধ। অর্থাৎ আয় ও নগদ প্রবাহ ভালো হলেও সম্পদমূল্য এখনো আগের অর্থবছরের সমাপনী অবস্থানে ফেরেনি।
ভবিষ্যতের দুই বাজি: বিওয়াইডি ও নতুন মূলধন
বিওয়াইডির সঙ্গে গাঁটছড়া। চীনের গাড়ি নির্মাতা বিওয়াইডি অটো ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে মাস্টার সাপ্লাই অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের বিষয়ে ২০২৬ সালের ২০ মার্চ অনুমোদন দেয় রানারের পর্ষদ। কোম্পানি এটিকে বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রশ্নের জবাবে সে জানায়:
চুক্তিটি সম্পূর্ণ সংযোজিত যানবাহন উৎপাদনের মূল কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।
বিনিয়োগ-সম্ভাব্যতা, বাস্তবায়নের সময়সূচি ও প্রত্যাশিত আর্থিক ফল যাচাইয়ের ভিত্তিও এই চুক্তি।
প্রতিটি গাড়ির মডেলের জন্য আলাদা কারিগরি লাইসেন্স চুক্তি লাগবে, যেখানে বাণিজ্যিক, পরিচালন ও আর্থিক শর্ত আরও বিস্তারিত ঠিক হবে।
কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, মূল চুক্তিটি ২০২৫ সালের ২০ মার্চ চীনের শেনজেনে একটি সম্মেলনের সময় সই হয়েছিল। তখন বিওয়াইডির পক্ষে বাকি আইনি আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। চূড়ান্ত বিনিয়োগ, আর্থিক পূর্বাভাস ও ফলাফল তখনো মূল্যায়নাধীন ছিল এবং সরবরাহকারী ও পর্ষদের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল ছিল। পরে রানারের পর্ষদ কারিগরি লাইসেন্স চুক্তি সই এবং বিওয়াইডির সম্পূর্ণ তৈরি যানবাহন আমদানি ও বাজারজাতকরণের অনুমোদন দেয়। কোম্পানির ভাষ্য, প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক তৈরি ও উৎপাদন প্রকল্প শুরুর প্রস্তুতি হিসেবেই এসব পদক্ষেপ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে চুক্তির অনুলিপি জমা দেওয়া তখনো বাকি ছিল।
আমদানি ও বাজারজাতকরণ বিক্রয়ে সহায়ক হতে পারে। তবে আয় কবে আসবে, বিনিয়োগ কত হবে, মুনাফায় অবদান কতটুকু, এসব নিয়ে চূড়ান্ত আর্থিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি। তাই নির্দিষ্ট অঙ্কে সম্ভাব্য আয় এখনই বলা সম্ভব নয়। একটি পার্থক্যও মনে রাখার মতো: তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফায় থাকার কারণ হিসেবে কোম্পানি বলেছে সরবরাহসংকটের প্রভাব ও গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের উন্নতির কথা। বিওয়াইডি চুক্তিকে ওই মুনাফার প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে দেখানো হয়নি।
মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাব। ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট ২০২তম সভায় পর্ষদ দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করে:
অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৪০০ কোটি টাকা করা
২৫০ কোটি টাকার ক্রমপুঞ্জীভূত, অংশগ্রহণবিহীন অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু, যার ৫০ শতাংশ রূপান্তরের সুযোগ থাকবে
বাস্তবায়নের আগে বিশেষ সাধারণ সভা, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরসহ প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের সম্মতি লাগবে।
এই অর্থ ব্যবসা বাড়ানো, বিনিয়োগের চাহিদা মেটানো ও আর্থিক কাঠামো মজবুত করতে কাজে লাগতে পারে। উল্টো দিকে, নতুন শেয়ার ও মূলধন কাঠামোর বদল সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অংশীদারত্বের অনুপাত এবং ভবিষ্যৎ ইপিএসে প্রভাব ফেলতে পারে। কতটা প্রভাব পড়বে, তা নির্ভর করবে ইস্যুর শর্ত, রূপান্তরের বাস্তবায়ন, অর্থের ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ মুনাফার ওপর। তাই মূলধন বৃদ্ধিকে মুনাফা বা লভ্যাংশ বাড়ার নিশ্চয়তা ভাবা ঠিক হবে না।
ঋণমানের অবস্থান
ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানিটিকে দীর্ঘমেয়াদে ‘এ১’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’ ঋণমান দিয়েছে। পূর্বাভাস স্থিতিশীল। ২০২৫, ২০২৪ ও ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থেকে এই মূল্যায়ন করা হয়েছে।
তাহলে ডিভিডেন্ড কোন দিকে যেতে পারে
বাড়ার পক্ষে যা যাচ্ছে
নয় মাসে ইপিএস ৭ পয়সা থেকে ৫০ পয়সা
নগদ প্রবাহ ১৪ টাকা ২৮ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ৫৮ পয়সা, গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় বাড়ার সুবাদে
বাণিজ্যিক যানবাহনের বিক্রি বেড়ে প্রথম প্রান্তিকেই লোকসান কেটে যাওয়া
বিওয়াইডি অংশীদারত্ব ও সম্প্রসারণ উদ্যোগ থেকে দীর্ঘমেয়াদে নতুন আয়ের সুযোগ
যা সংশয় বাড়াচ্ছে
দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ১২ পয়সা লোকসান
তৃতীয় প্রান্তিকের আয় আগের বছরের তুলনায় ৪৪ শতাংশের বেশি কম
নয় মাসের নিট সম্পদমূল্য আগের অর্থবছরের শেষ অবস্থানের নিচে
সরবরাহের সমস্যা পুরোপুরি মিটেছে কি না এবং বিওয়াইডি প্রকল্প থেকে আয় কবে শুরু হবে, তা অনিশ্চিত
লভ্যাংশ ঠিক করতে গিয়ে পর্ষদ শুধু ইপিএসে আটকে থাকবে না, এমনটাই স্বাভাবিক। পুরো বছরের নিরীক্ষিত মুনাফা, হাতে নগদ অর্থ, পরিচালন নগদ প্রবাহ, আগামীর বিনিয়োগ ও মূলধন পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও বিবেচনায় আসতে পারে। বড় বিনিয়োগের দরকার হলে মুনাফার একাংশ ব্যবসায় রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্তও আসতে পারে। তখন আয় বাড়লেও ক্যাশ ডিভিডেন্ড একই থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্যদিকে শেষ প্রান্তিকে বিক্রি ও মুনাফা ভালো হলে, নগদ প্রবাহ ইতিবাচক থাকলে এবং সরবরাহসংকটের প্রভাব কেটে উৎপাদন-বিক্রি স্বাভাবিক হলে ১০ শতাংশের বেশি দেওয়ার সুযোগও তৈরি হতে পারে। এর কোনটি বাস্তব হবে, তা পূর্ণ বছরের ফল ও ব্যবসায়িক পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করছে।
সব মিলিয়ে ডিভিডেন্ড বাড়ার সম্ভাবনা আছে, নিশ্চয়তা নেই। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ইঙ্গিত মিলবে ২৬ অক্টোবরের সভায় প্রকাশিত নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ও ডিভিডেন্ডের সুপারিশে।
প্রাসঙ্গিক FAQ
প্রশ্ন ১: কেপিসিএলের পর্ষদ সভা কবে এবং সেখানে কী বিবেচনা করা হবে?
উত্তর: ২০২৬ সালের ২৮ অক্টোবর, বুধবার বিকেল ৪টায়। ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় আসবে। ডিভিডেন্ডের অঙ্ক এখনো ঘোষণা হয়নি।
প্রশ্ন ২: গত অর্থবছরে কেপিসিএল কত ডিভিডেন্ড সুপারিশ করেছিল?
উত্তর: ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য স্পনসর ও পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড।
প্রশ্ন ৩: নয় মাসে কেপিসিএলের শেয়ারপ্রতি আয় কত?
উত্তর: ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ৭৩ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৩ পয়সা।
প্রশ্ন ৪: আয় বাড়লেও পরিচালন নগদ প্রবাহ ঋণাত্মক কেন?
উত্তর: কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ বিক্রির বিপরীতে পাওনা অর্থ আদায় হচ্ছে না। নয় মাসে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ ঋণাত্মক ১ পয়সা, আগের বছর ছিল ইতিবাচক ৮১ পয়সা।
প্রশ্ন ৫: শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য কত দাঁড়িয়েছে?
উত্তর: ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ ১৯ টাকা ৬১ পয়সা। ২০২৫ সালের ৩০ জুনের ১৯ টাকা ৩ পয়সা থেকে নয় মাসে ৫৮ পয়সা বা প্রায় ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ বেড়েছে।
তানিভর ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- সব ওয়ারিশের নাম খতিয়ানে নেই? জমির কী হবে জানুন
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ১টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- নতুন Pulsar N250: ৫টি রাইডিং মোড ও ৬-স্পিড গিয়ার
- iQOO Neo 12: ৯০০০mAh ব্যাটারি ও ১৮৫Hz ডিসপ্লে
- Suzuki V-Strom SX 250: ইঞ্জিন, মাইলেজ ও দাম
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ৪টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ১৫টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনা ও রুপার দাম কত
- পুরনো জমির মালিক কে ছিলেন? জানুন তথ্য বের করার উপায়
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ১৭টি দেশের টাকার বিনিময় হার