রাত ৮টার পর ২৩ কোটি টাকা লেনদেন, ১৬ কর্মকর্তাকে তলব
কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ার পর রাত ৮টার পর ন্যাশনাল ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখা থেকে ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা লেনদেনের ঘটনায় অনুসন্ধান জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় ব্যাংকটির ১৬ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ৪ আগস্ট সশরীরে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির সূত্রে সোমবার (৩ আগস্ট) বিষয়টি জানা যায়।
যাদের তলব করা হয়েছে
তলব করা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে দিলকুশা শাখার এসভিপি আশরাফ উদ্দিন আহমেদ, কোম্পানি সেক্রেটারি মো. কায়সার রশীদ, বনানী শাখার ইভিপি ও ব্যবস্থাপক অলোক কুমার বিশ্বাস, এসভিপি খান মুহাম্মদ মোয়েদ আজিজ, কাজী কামাল উদ্দিন আহমেদ, হোসাইন আক্তার চৌধুরী, মো. মনিরুজ্জামান, জহির উদ্দিন আহমেদ, এসভিপি আশীষ কুমার লস্কর, ভিপি অরুণ কুমার হালদার, সেলিমা আক্তার, রফিকুর আলম, মুর্শেদ কামাল, আবু জাকারিয়া, ভিপি মুনিরম চন্দ এবং ইভিপি জহিরুল ইসলাম রয়েছেন।
কী নিয়ে তদন্ত?
দুদক সূত্র জানায়, মেসার্স ইমপ্যাক্ট কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের নামে অবৈধভাবে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এসব কর্মকর্তাকে তলব করা হয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ন্যাশনাল ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখা থেকে কর্মঘণ্টা শেষে রাত ৮টা ২৩ মিনিট থেকে ৯টা ৪ মিনিটের মধ্যে নগদ ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। এই অর্থ ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের কর্ণধার আলী হায়দার রতনের কাছে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
হাইকোর্টের নির্দেশে শুরু অনুসন্ধান
দুদক জানায়, ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি কর্মঘণ্টার বাইরে ওই লেনদেনের ব্যাখ্যা জানতে ন্যাশনাল ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখার ব্যবস্থাপককে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। ওই নির্দেশের পরই দুদক অনুসন্ধান শুরু করে।
ঋণ নবায়নের পরই টাকা উত্তোলন
তদন্তে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৪৭৫তম সভায় ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের ঋণ নবায়নের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ওই সিদ্ধান্ত সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে গুলশান করপোরেট শাখায় পৌঁছায়। এরপর রাতেই ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়।
প্রস্তাবে উল্লেখ ছিল, প্রতিষ্ঠানটির ৪৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সীমাতিরিক্ত ঋণপত্র খোলা হয়েছিল এবং অন্য একটি ব্যাংকে গ্রাহকটির ঋণ খেলাপি অবস্থায় ছিল। ঋণ নবায়নের পরই প্রতিষ্ঠানটি ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ পায়।
তবে দুদকের অনুসন্ধান এখনও চলমান। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত নয়।
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- SSC Result 2026: ফল প্রকাশের তারিখ ও দেখার নিয়ম জানুন
- এস আলমের দখলে থাকা ব্যাংক নিয়ে এলো নতুন সিদ্ধান্ত
- শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির মধ্যেই সাকিবের বাড়িতে আগুন
- ২ লাখ মানুষ অপেক্ষায়, কিন্তু দেখা গেল না শেখ হাসিনাকে! এরপর যা ঘটল...
- Snapdragon 8 Gen 3 ফোনে নতুন চমক, Redmi K80 নিয়ে আপডেট
- বাংলাদেশ নিয়ে যা বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়
- সাকিবের বাড়িতে হামলা নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ
- লিটনকে নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের নতুন পরিকল্পনা
- জেনে নিন আজকের সোনা ও রুপার সর্বশেষ দাম
- আগামীকালই স্পষ্ট হবে এসএসসি ফল প্রকাশের তারিখ
- তাপমাত্রা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস
- ৬ আগস্ট দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম
- রবির বড় সাফল্য! আয় কম বাড়লেও রেকর্ড মুনাফা ও গ্রাহক বৃদ্ধি
- শেয়ার বিজকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাল রবি, শুরু নতুন বিতর্ক
- সৌদিতে বাংলাদেশিদের আকামা নবায়নে বদলে গেল নিয়ম