ঢাকা, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে প্রথমে যে কাজগুলো করবেন

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১২:২৩:৫২
উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে প্রথমে যে কাজগুলো করবেন

বাবা-মা বা পরিবারের কারও মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে প্রথমেই ওয়ারিশ নির্ধারণ, জমির কাগজপত্র যাচাই এবং নিজের প্রাপ্য অংশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী নামজারি করতে হবে। তবে জমি সব ওয়ারিশের নামে যৌথভাবে রেকর্ড করাতে চাইলে বণ্টননামা ছাড়াও নামজারির আবেদন করা যায়। আর প্রত্যেকে নিজের অংশের জন্য আলাদা খতিয়ান করতে চাইলে সাধারণত সব ওয়ারিশের সম্মতিতে নিবন্ধিত বণ্টননামা প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশে উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পাওয়ার পর কেবল ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। জমির আগের দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর, উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য হিস্যা এবং ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হয়। শুরুতেই এসব কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করলে ভবিষ্যতে জমির ভাগ-বণ্টন, মালিকানা নিয়ে বিরোধ এবং জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

১. প্রথমে সব বৈধ ওয়ারিশের তথ্য নিশ্চিত করুন

উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পাওয়ার পর প্রথম কাজ হলো মৃত ব্যক্তির বৈধ ওয়ারিশ কারা, তা নিশ্চিত করা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন থেকে প্রযোজ্য নিয়মে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করতে পারেন।

ওয়ারিশ সনদে মৃত ব্যক্তির নাম এবং ওয়ারিশদের পরিচয় সঠিক আছে কি না, তা ভালোভাবে যাচাই করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যও প্রস্তুত রাখুন।

মনে রাখতে হবে, কে কতটুকু জমি পাবেন, তা শুধু ওয়ারিশ সনদ দিয়ে নির্ধারিত হয় না। মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী প্রত্যেকের প্রাপ্য অংশ নির্ধারণ করতে হবে। ধর্ম, পারিবারিক সম্পর্ক, জীবিত ওয়ারিশ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিস্থিতির কারণে হিসাব ভিন্ন হতে পারে। তাই সবার অংশ সমান ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

২. জমির দলিল, খতিয়ান ও দাগ নম্বর যাচাই করুন

ওয়ারিশ নির্ধারণের পর মৃত ব্যক্তির নামে থাকা জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করুন। জমিটি সত্যিই তাঁর মালিকানাধীন ছিল কি না এবং মোট কতটুকু জমি রেখে গেছেন, তা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

এ জন্য নিচের নথিগুলো সংগ্রহ ও পরীক্ষা করুন—

জমির মূল দলিল অথবা নিবন্ধিত দলিলের সত্যায়িত অনুলিপি

সর্বশেষ প্রাসঙ্গিক খতিয়ান ও আগের খতিয়ান

জমির দাগ নম্বর, মৌজার নাম ও জমির পরিমাণ

ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রসিদ

আগের কোনো বণ্টননামা বা জমি হস্তান্তরের দলিল, যদি থাকে

কাগজপত্রে জমির পরিমাণ, সীমানা ও মালিকের নামের মধ্যে অসংগতি থাকলে তা আগে যাচাই করা উচিত। মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকতেই কোনো অংশ বিক্রি বা দান করে থাকলে, সেই জমিকে তাঁর অবশিষ্ট সম্পত্তির অংশ হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।

৩. নিজের প্রাপ্য অংশ হিসাব করে নিন

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমিতে প্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ নির্ভর করে প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইনের ওপর। তাই জমি ভাগ করার আগে সব বৈধ ওয়ারিশের পরিচয় এবং প্রাপ্য হিস্যা নির্ধারণ করতে হবে।

ধরা যাক, কোনো ব্যক্তি ৩০ শতক জমি রেখে মারা গেছেন। তাঁর একাধিক ওয়ারিশ থাকলে কে কতটুকু জমি পাবেন, তা নির্ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী প্রত্যেকের অংশ হিসাব করতে হবে। সব ক্ষেত্রে জমি সমান ভাগে ভাগ হবে—এমন নিয়ম নেই।

এ বিষয়ে ভুল হলে পরবর্তী সময়ে বণ্টননামা, নামজারি কিংবা জমি বিক্রির সময় বিরোধ দেখা দিতে পারে। হিসাব জটিল হলে অভিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া ভালো।

৪. সব ওয়ারিশের নামে নামজারির আবেদন করুন

জমির কাগজপত্র ও ওয়ারিশদের তথ্য যাচাইয়ের পর নামজারির উদ্যোগ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নামজারি হলো উত্তরাধিকার বা অন্য বৈধ কারণে মালিকানা পরিবর্তনের পর ভূমি রাজস্বের রেকর্ড হালনাগাদ করার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখের পরিপত্রে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির নামজারি বিষয়ে স্পষ্ট করা হয়েছে, সব ওয়ারিশ চাইলে ওয়ারিশ সনদের ভিত্তিতে যৌথভাবে নামজারির আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে বণ্টননামা ছাড়াই মৃত ব্যক্তির মোট জমির বিপরীতে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখ করে যৌথ খতিয়ান করা সম্ভব।

আরও পড়ুন:

একই জমির মালিক দুইজন? সত্যতা যাচাই করবেন যেভাবে

জমির দলিল তুলতে কত টাকা লাগে? জেনে নিন খরচের হিসাব

জমির খতিয়ান অনলাইনে দেখার নিয়ম ও কপি পাওয়ার পদ্ধতি

নামজারির আবেদন সাধারণত অনলাইনে ই-নামজারি ব্যবস্থার মাধ্যমে করা যায়। আবেদন করার সময় প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি সঠিকভাবে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

৫. আলাদা খতিয়ান করতে চাইলে নিবন্ধিত বণ্টননামা করুন

সব ওয়ারিশ যদি জমির পৃথক অংশ নির্ধারণ করে আলাদা খতিয়ান করতে চান, তাহলে আগে নিজেদের মধ্যে কে কোন দাগের কতটুকু জমি পাবেন, তা সম্মতির ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে।

এরপর প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী বণ্টননামা দলিল প্রস্তুত ও নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধিত বণ্টননামার ভিত্তিতে প্রত্যেকে নিজের নির্ধারিত অংশের জন্য পৃথক নামজারির আবেদন করতে পারেন।

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৪৩খ ধারায় উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া স্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টন এবং বণ্টননামা নিবন্ধনের বিধান রয়েছে।

তবে সব ক্ষেত্রে শুরুতেই বণ্টননামা বাধ্যতামূলক নয়। সব ওয়ারিশের নামে যৌথ নামজারির ক্ষেত্রে এবং জমি ভাগ করে পৃথক খতিয়ান তৈরির ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা। এই পার্থক্যটি জানা থাকলে অপ্রয়োজনীয় দৌড়ঝাঁপ এড়ানো যায়।

৬. ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য হালনাগাদ করুন

নামজারি ও জমির রেকর্ডসংক্রান্ত কাজের পাশাপাশি ভূমি উন্নয়ন করের তথ্যও যাচাই করুন। জমির আগের কর পরিশোধের রসিদ সংগ্রহ করুন এবং রেকর্ড হালনাগাদের পর প্রযোজ্য নিয়মে কর পরিশোধের ব্যবস্থা করুন।

একাধিক ওয়ারিশের নামে যৌথ খতিয়ান থাকলে তাঁদের প্রাপ্য হিস্যা অনুযায়ী কর নির্ধারণের বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। আর নিবন্ধিত বণ্টননামার ভিত্তিতে পৃথক নামজারি সম্পন্ন হলে প্রত্যেকে নিজের নামে রেকর্ড অনুযায়ী ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের ব্যবস্থা করতে পারেন।

ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক নথি হলেও এটি একা জমির মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। দলিল, খতিয়ান ও নামজারির তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে সব নথি সংরক্ষণ করুন।

৭. জমির বাস্তব দখল ও সীমানা যাচাই করুন

কাগজপত্র ঠিক থাকলেও জমির বাস্তব অবস্থান ও সীমানা যাচাই করা প্রয়োজন। দলিল ও খতিয়ানে উল্লেখিত দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ এবং সীমানার সঙ্গে বাস্তব জমির মিল আছে কি না, তা পরীক্ষা করুন।

প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আমিন বা সার্ভেয়ারের সাহায্যে জমি পরিমাপ করাতে পারেন। বিশেষ করে একাধিক ওয়ারিশ একই জমি ব্যবহার করলে কে কোন অংশ ব্যবহার করছেন, তা নিয়ে লিখিত সমঝোতা রাখা উপকারী হতে পারে।

তবে শুধু জমি দখলে থাকা বা সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে মালিকানা চূড়ান্তভাবে প্রমাণ হয় না। জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও আইনগত অধিকার যাচাই করা জরুরি।

৮. ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ হলে কী করবেন?

জমির ভাগ-বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে প্রথমে সব ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা নির্ধারণ করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে। সমঝোতা হলে আইন অনুযায়ী বণ্টননামা প্রস্তুত ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

কেউ নিজের প্রাপ্য অংশের চেয়ে বেশি দাবি করলে, কোনো ওয়ারিশকে বাদ দিয়ে বণ্টনের চেষ্টা হলে কিংবা জমির মালিকানা নিয়ে গুরুতর বিরোধ দেখা দিলে ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে প্রতিকার চাইতে হতে পারে।

মনে রাখতে হবে, নামজারি মূলত রাজস্ব রেকর্ড হালনাগাদের প্রক্রিয়া। প্রকৃত মালিকানা বা উত্তরাধিকার নিয়ে জটিল বিরোধ থাকলে শুধু নামজারির মাধ্যমে সব সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান নাও হতে পারে।

উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পাওয়ার পর কোন কাজগুলো আগে করবেন?

জমি পাওয়ার পর করণীয়গুলো সংক্ষেপে হলো—

১. মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করুন।

২. সব বৈধ ওয়ারিশের পরিচয় ও প্রাপ্য হিস্যা নিশ্চিত করুন।

৩. জমির দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর ও করের রসিদ যাচাই করুন।

৪. সব ওয়ারিশের নামে যৌথ নামজারি করবেন, নাকি পৃথক খতিয়ান করবেন, তা নির্ধারণ করুন।

৫. পৃথক খতিয়ান করতে চাইলে প্রযোজ্য নিয়মে নিবন্ধিত বণ্টননামা প্রস্তুত করুন।

৬. নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর রেকর্ড ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য যাচাই করুন।

৭. জমির বাস্তব সীমানা পরীক্ষা করে সব নথি নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।

উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পাওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রকৃত ওয়ারিশ নির্ধারণ, জমির মালিকানার নথি যাচাই এবং নিজের প্রাপ্য হিস্যা নিশ্চিত করা। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ নামজারি অথবা নিবন্ধিত বণ্টননামার মাধ্যমে পৃথক নামজারির ব্যবস্থা করতে হবে।

শুরুতেই সঠিকভাবে এসব কাজ করলে ভবিষ্যতে জমি বিক্রি, হস্তান্তর, কর পরিশোধ কিংবা পারিবারিক বণ্টন নিয়ে জটিলতা কমতে পারে। তবে উত্তরাধিকার আইন ও জমির কাগজপত্রের বিষয় জটিল হলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস এবং অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে এগোনোই ভালো।

সরকারি তথ্যসূত্র:

ভূমি মন্ত্রণালয়: https://minland.gov.bd/

বাংলাদেশের আইনভান্ডার: https://bdlaws.minlaw.gov.bd/

ভূমি মন্ত্রণালয়ের উত্তরাধিকারসূত্রে নামজারি-সংক্রান্ত নির্দেশনা: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখের পরিপত্র।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পাওয়ার পর প্রথমে কী করতে হবে?

প্রথমে সব বৈধ ওয়ারিশের পরিচয় ও প্রাপ্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর জমির দলিল, খতিয়ান ও অন্যান্য নথি যাচাই করে নামজারির ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. ওয়ারিশ সনদ থাকলেই কি জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়?

না। ওয়ারিশ সনদ উত্তরাধিকারীদের পরিচয় যাচাইয়ে সহায়তা করে। জমির মালিকানা ও প্রত্যেকের প্রাপ্য অংশ নির্ধারণে মৃত ব্যক্তির দলিল, জমির রেকর্ড এবং প্রযোজ্য উত্তরাধিকার আইন বিবেচনা করতে হয়।

৩. বণ্টননামা ছাড়া কি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করা যায়?

হ্যাঁ। সব ওয়ারিশের নামে যৌথ নামজারি করা যায়; এ ক্ষেত্রে বণ্টননামা প্রয়োজন হয় না। তবে জমি ভাগ করে পৃথক খতিয়ান করতে চাইলে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত বণ্টননামা প্রয়োজন।

৪. উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি কি বিক্রি করা যায়?

নিজের বৈধ মালিকানা ও প্রাপ্য হিস্যা অনুযায়ী জমি হস্তান্তরের সুযোগ থাকতে পারে। তবে জমির প্রকৃতি, মালিকানার নথি, যৌথ মালিকানা এবং প্রযোজ্য আইনি শর্ত যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

৫. ওয়ারিশদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ হলে কোথায় যাবেন?

প্রথমে সমঝোতার চেষ্টা করা যেতে পারে। বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: