আয় ১৯৭% বেড়েছে, প্রিমিয়ার সিমেন্টের ডিভিডেন্ড বাড়বে?
শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে প্রায় ১৯৭ শতাংশ, নিট সম্পদমূল্যও আগের অর্থবছরের শেষের তুলনায় বেশি। তবু প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস পিএলসির আর্থিক চিত্রে একটি প্রশ্ন রয়ে গেছে—মুনাফার এই অগ্রগতির সঙ্গে পরিচালন নগদ প্রবাহ কেন বাড়েনি? শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট উৎপাদনকারী কোম্পানিটির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসের অনিরীক্ষিত প্রতিবেদনে আয় ও নগদ প্রবাহের এই ভিন্ন প্রবণতা দেখা গেছে। এখন বিনিয়োগকারীদের নজর ২৭ অক্টোবরের পরিচালনা পর্ষদের সভায়, যেখানে পূর্ণ বছরের নিরীক্ষিত হিসাবসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হবে।
২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৬৭ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা বা প্রায় ১৯৭ শতাংশ। তবে এই প্রবৃদ্ধি এসেছে মূলত তৃতীয় প্রান্তিকের বড় পরিবর্তনের পর। অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আয় আগের বছরের তুলনায় কম ছিল।
অন্যদিকে, একই নয় মাসে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ ৬ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ৬২ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এই সূচকে পতন ১ টাকা ৪৬ পয়সা বা প্রায় ২৪ দশমিক ০১ শতাংশ। ফলে মুনাফার হিসাব ইতিবাচক হলেও ব্যবসার কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থের প্রবাহে দুর্বলতা রয়েছে।
তৃতীয় প্রান্তিকের আয় বদলে দিয়েছে নয় মাসের হিসাব
প্রিমিয়ার সিমেন্টের নয় মাসের ফলাফল বুঝতে হলে প্রথম ছয় মাস ও পরবর্তী তিন মাসের চিত্র আলাদা করে দেখতে হয়। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ১৪ পয়সা। অর্থাৎ আয় কমেছিল ২ পয়সা বা প্রায় ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।
এই সময় অবশ্য পরিচালন নগদ প্রবাহ বেড়েছিল। শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ আগের বছরের ২ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৩ টাকা ৪৮ পয়সায় দাঁড়ায়। বৃদ্ধি ছিল ৫২ পয়সা বা প্রায় ১৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও ৬৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে ৬৪ টাকা ৬৩ পয়সা হয়েছিল।
এরপর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—দ্বিতীয় প্রান্তিকে—আয়ের চিত্র আরও দুর্বল হয়। ২০২৫ সালের এই তিন মাসে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৭ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ২৩ পয়সা। ফলে আয় কমে ১৬ পয়সা বা প্রায় ৬৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
দুই প্রান্তিকের ফল একত্র করলে দেখা যায়, ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়ায় ১৯ পয়সা। আগের বছরের একই ছয় মাসে আয় ছিল ৩৬ পয়সা। অর্থাৎ প্রথমার্ধে শেয়ারপ্রতি আয় কমেছিল ১৭ পয়সা বা প্রায় ৪৭ দশমিক ২২ শতাংশ।
ছয় মাসে নগদ প্রবাহ ও সম্পদমূল্যেও চাপ ছিল। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ দাঁড়ায় ৩ টাকা ৬৭ পয়সা; আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ৫ টাকা ৪৮ পয়সা। এই ব্যবধান ১ টাকা ৮১ পয়সা বা প্রায় ৩৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য নেমে আসে ৬৩ টাকা ৭০ পয়সায়, যেখানে ২০২৫ সালের ৩০ জুন তা ছিল ৬৪ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ছয় মাসে সম্পদমূল্য কমেছিল ৮০ পয়সা।
এই অবস্থার পর ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়ে ১ টাকা ৮০ পয়সায় পৌঁছায়। আগের বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩১ পয়সা। এক বছরের ব্যবধানে তৃতীয় প্রান্তিকে আয় বেড়েছে ১ টাকা ৪৯ পয়সা বা প্রায় ৪৮১ শতাংশ। এই বড় বৃদ্ধির কারণেই নয় মাসের সম্মিলিত আয় আগের বছরের ৬৭ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৯৯ পয়সা হয়েছে।
তবে প্রকাশিত আর্থিক তথ্যের বাইরে তৃতীয় প্রান্তিকে আয়ের এই উল্লম্ফনের নির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। তাই একীভূতকরণ কিংবা মূলধন পুনর্গঠনের উদ্যোগকে এই প্রবৃদ্ধির একমাত্র কারণ হিসেবে চিহ্নিত করার মতো তথ্য নেই।
নয় মাসে নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে, নগদ প্রবাহ কমেছে
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ প্রিমিয়ার সিমেন্টের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৬৫ টাকা ৫০ পয়সা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন এই মূল্য ছিল ৬৪ টাকা ৫০ পয়সা। ফলে নয় মাসে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে ১ টাকা বা প্রায় ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
এতে প্রথম ছয় মাসের সম্পদমূল্য হ্রাসের পর শেষ পর্যন্ত উন্নতি দেখা গেলেও পরিচালন নগদ প্রবাহের প্রবণতা ছিল বিপরীত। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ হয়েছে ৪ টাকা ৬২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ৬ টাকা ৮ পয়সা।
আয় ও নগদ প্রবাহ এক বিষয় নয়। শেয়ারপ্রতি আয় নির্দিষ্ট সময়ের মুনাফা নির্দেশ করে, আর পরিচালন নগদ প্রবাহ ব্যবসার কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থের প্রবাহ বোঝায়। তাই মুনাফা বাড়লেও নগদ অর্থ কম আসার প্রবণতা থাকলে দৈনন্দিন ব্যয়, ঋণ পরিশোধ এবং লভ্যাংশ বিতরণের সক্ষমতা মূল্যায়নে এই সূচকটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
একীভূতকরণে আদালতের অনুমোদন
কোম্পানিটির আর্থিক কাঠামো পরিবর্তনের একটি উদ্যোগ হলো প্রিমিয়ার পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড ও ন্যাশনাল সিমেন্ট মিলস লিমিটেডকে প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস পিএলসির সঙ্গে একীভূত করা। কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এই একীভূতকরণ স্কিম অনুমোদন করেছে। এর আগে প্রস্তাবটি কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়েছিল।
এ বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ২০২৫ সালের ১২ ও ২৭ নভেম্বর শুনানি করে। পরে ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি চূড়ান্ত রায় ও আদেশ দেওয়া হয়। ওই আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি কোম্পানিটি পায় ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি। আদালতের নির্দেশনা ও আদেশের শর্ত মেনে একীভূতকরণ কার্যকর করার বিষয়টি পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ, দায়, ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও আর্থিক হিসাবের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। তবে এর ফলে কোম্পানির আর্থিক অবস্থার কতটা উন্নতি হবে, তা নির্ভর করবে বাস্তবায়ন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক অবস্থা, দায়ের পরিমাণ এবং ভবিষ্যৎ পরিচালন দক্ষতার ওপর। শুধু অনুমোদন পাওয়াকে তাৎক্ষণিক মুনাফা বৃদ্ধির প্রমাণ হিসেবে দেখা যায় না।
১৬১ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা
আর্থিক পুনর্গঠনের আরেকটি পদক্ষেপ হিসেবে অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে প্রিমিয়ার সিমেন্ট। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটিকে ৩২২টি সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য, রূপান্তর-অযোগ্য, অংশগ্রহণবিহীন ও ক্রমপুঞ্জীভূত অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুর সম্মতি দেয়।
প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ৫০ লাখ টাকা। এসব শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট ১৬১ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্য হলো বিদ্যমান ব্যালান্স শিট পুনর্গঠন এবং উচ্চ ব্যয়ের স্বল্পমেয়াদি দায় পরিশোধ করা। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের পর শেয়ারহোল্ডারদের বিশেষ সাধারণ সভাতেও এই উদ্যোগ অনুমোদিত হয়েছিল।
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে উচ্চ ব্যয়ের স্বল্পমেয়াদি দায়ের চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। দায় পরিশোধের মাধ্যমে অর্থায়ন ব্যয় কমানো গেলে ভবিষ্যতে মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে এই অনুমোদনকে তৃতীয় প্রান্তিকের আয় বৃদ্ধির সরাসরি কারণ বলা যায় না। অর্থ সংগ্রহ ও দায় পরিশোধ কার্যকর হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের পরিবর্তন আর্থিক ফলাফলে প্রতিফলিত হতে পারে।
ঋণমান স্থিতিশীল, তবে মুনাফার নিশ্চয়তা নয়
ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি প্রিমিয়ার সিমেন্টকে দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’ ঋণমান দিয়েছে। কোম্পানিটির ঋণমানের পূর্বাভাস রাখা হয়েছে স্থিতিশীল।
ঋণমান নির্ধারণে বিবেচনা করা হয়েছে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্য। তবে ঋণমান আর্থিক দায় পরিশোধের সক্ষমতা মূল্যায়নের একটি সূচক; এটি ভবিষ্যৎ মুনাফা বা লভ্যাংশ বৃদ্ধির নিশ্চয়তা দেয় না।
২৭ অক্টোবরের সভায় কী হতে পারে ডিভিডেন্ড নিয়ে সিদ্ধান্ত?
প্রিমিয়ার সিমেন্ট ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছিল। এবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনায় পরিচালনা পর্ষদের সভা হবে ২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায়। ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাবসহ অন্যান্য বিষয় সভায় আলোচনার জন্য রয়েছে। নতুন অর্থবছরের লভ্যাংশের পরিমাণ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
লভ্যাংশ বাড়ানোর সম্ভাবনা বিবেচনায় নয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় ৬৭ পয়সা থেকে ১ টাকা ৯৯ পয়সায় উন্নীত হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে পুরো বছরের নিরীক্ষিত মুনাফা, নগদ অর্থের প্রাপ্যতা, ঋণ পরিশোধের প্রয়োজন এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনাও সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকেও মুনাফার ধারা বজায় থাকলে এবং নিরীক্ষিত হিসাবে পর্যাপ্ত বিতরণযোগ্য মুনাফা পাওয়া গেলে আগের বছরের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের চেয়ে বেশি দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একীভূতকরণ ও মূলধন পুনর্গঠনও দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক ব্যয় কমাতে সহায়ক হতে পারে, যদি পরিকল্পনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।
অন্যদিকে, পরিচালন নগদ প্রবাহ কমে যাওয়ায় লভ্যাংশ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে। নগদ অর্থের ওপর চাপ থাকলে অথবা পূর্ণ বছরের নিরীক্ষিত হিসাবে প্রত্যাশিত মুনাফা না এলে আগের বছরের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তও আসতে পারে।
তাই বর্তমান ফলাফল থেকে লভ্যাংশ বাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা গেলেও নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। বিনিয়োগকারীদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হবে ২৭ অক্টোবরের সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল ও পরিচালনা পর্ষদের লভ্যাংশ-সংক্রান্ত সুপারিশ।
FAQ
১. ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে প্রিমিয়ার সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি আয় কত?
কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ৬৭ পয়সা।
২. প্রিমিয়ার সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি আয় কত শতাংশ বেড়েছে?
প্রথম নয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা বা প্রায় ১৯৭ শতাংশ।
৩. প্রিমিয়ার সিমেন্টের পরিচালনা পর্ষদের সভা কবে?
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হবে।
৪. এবার কি প্রিমিয়ার সিমেন্টের নগদ লভ্যাংশ বাড়বে?
এখনো নতুন লভ্যাংশের পরিমাণ ঘোষণা করা হয়নি। আয় বৃদ্ধি লভ্যাংশ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে, তবে নগদ প্রবাহ কমে যাওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য নিরীক্ষিত হিসাব ও পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশের অপেক্ষা করতে হবে।
৫. প্রিমিয়ার সিমেন্ট কত টাকা সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে?
৩২২টি অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১৬১ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি। ঘোষিত উদ্দেশ্য হলো ব্যালান্স শিট পুনর্গঠন এবং উচ্চ ব্যয়ের স্বল্পমেয়াদি দায় পরিশোধ করা।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- সব ওয়ারিশের নাম খতিয়ানে নেই? জমির কী হবে জানুন
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ১টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- নতুন Pulsar N250: ৫টি রাইডিং মোড ও ৬-স্পিড গিয়ার
- iQOO Neo 12: ৯০০০mAh ব্যাটারি ও ১৮৫Hz ডিসপ্লে
- Suzuki V-Strom SX 250: ইঞ্জিন, মাইলেজ ও দাম
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ৪টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনা ও রুপার দাম কত
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ১৫টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- পুরনো জমির মালিক কে ছিলেন? জানুন তথ্য বের করার উপায়
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ১৭টি দেশের টাকার বিনিময় হার