বিদেশে যেতে কত টাকা লাগে? সৌদি, দুবাই ও মালয়েশিয়ার খরচ
বিদেশে চাকরি করতে যাওয়ার আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি—মোট কত টাকা লাগবে? বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব, দুবাই কিংবা মালয়েশিয়ায় যেতে খরচ এক নয়। ভিসার ধরন, চাকরি, নিয়োগকর্তা, বিমানভাড়া, মেডিকেল পরীক্ষা, কাগজপত্র এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের শর্তের ওপর মোট ব্যয় নির্ভর করে। এর মধ্যে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি পাওয়ার খবর দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাকরির জন্য যাওয়া কর্মীদের ক্ষেত্রেও নিয়োগসংক্রান্ত সব খরচ নিজের পকেট থেকে দিতে হবে—এমন ধারণা সঠিক নয়।
তবে একটি বিষয় পরিষ্কার: সৌদি আরব, দুবাই ও মালয়েশিয়ায় কাজের ভিসায় যাওয়ার জন্য সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একক মোট খরচ নেই। কোনো এজেন্সি কয়েক লাখ টাকা চাইলেই সেটি সরকারি নির্ধারিত ফি নয়। তাই টাকা দেওয়ার আগে ভিসা, চাকরির চুক্তি, অনুমোদিত নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং খরচের লিখিত হিসাব যাচাই করা জরুরি।
সৌদি আরব যেতে কত টাকা লাগে?
বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে কাজের ভিসায় যেতে মোট কত টাকা লাগবে, তা নির্ভর করে চাকরির ধরন, নিয়োগকর্তা, নিয়োগের পদ্ধতি এবং অনুমোদিত অভিবাসন ব্যয়ের ওপর। সরকারি বা নিয়োগকর্তা-অর্থায়িত কোনো প্রকল্পে কর্মীর নিজস্ব খরচ কম হতে পারে। বেসরকারি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পাসপোর্ট, মেডিকেল পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, কাগজপত্র ও অন্যান্য প্রক্রিয়ার খরচ যুক্ত হতে পারে।
বেসরকারি বাজারে সৌদি আরবে কাজের ভিসার জন্য কয়েক লাখ টাকা চাওয়ার নজির রয়েছে। বিভিন্ন বেসরকারি ওয়েবসাইটে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি খরচের হিসাবও দেওয়া হয়েছে। তবে এগুলো সব চাকরির জন্য প্রযোজ্য সরকারি নির্ধারিত মূল্য নয়। নির্দিষ্ট চাকরির অনুমোদনপত্র ও নিয়োগের শর্ত না দেখে কোনো অঙ্ককে নিশ্চিত মোট খরচ বলা যাবে না।
সৌদি আরবের ক্ষেত্রে কোন খরচ কার?
সৌদি আরবের শ্রম আইন অনুযায়ী, বিদেশি কর্মী নিয়োগের খরচ, ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু এবং নবায়নের নির্ধারিত ফি নিয়োগকর্তার বহন করার কথা। তাই কোনো নিয়োগকর্তা বা মধ্যস্থতাকারী ইকামা কিংবা ওয়ার্ক পারমিটের নামে কর্মীর কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা চাইলে তার লিখিত ভিত্তি যাচাই করা প্রয়োজন।
তবে বাংলাদেশ থেকে যাত্রার আগে পাসপোর্ট, প্রয়োজনীয় নথি, মেডিকেল পরীক্ষা বা প্রশিক্ষণের মতো কিছু খরচ কর্মীর হতে পারে। চাকরির চুক্তিতে বিমানভাড়া, আবাসন, চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা কার দায়িত্বে থাকবে, তা স্পষ্টভাবে লেখা থাকা উচিত।
সৌদি আরবে যাওয়ার আগে জেনে নিন:
চাকরির নিয়োগপত্র ও চুক্তিতে বেতন কত লেখা আছে।
ভিসাটি প্রকৃত চাকরির জন্য কি না এবং নিয়োগকর্তা কে।
বিমানভাড়া, ইকামা, ওয়ার্ক পারমিট ও আবাসনের খরচ কে বহন করবে।
এজেন্সির লাইসেন্স বৈধ কি না এবং চাওয়া অর্থের লিখিত হিসাব আছে কি না।
দুবাই যেতে কত টাকা লাগে?
দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি শহর। বাংলাদেশ থেকে সেখানে যেতে খরচ নির্ভর করে ভ্রমণের উদ্দেশ্য—চাকরি, ভ্রমণ, পড়াশোনা বা অন্য কোনো কারণে যাওয়া হচ্ছে কি না—তার ওপর।
যাঁরা চাকরির জন্য যেতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে বেসরকারি বাজারে কয়েক লাখ টাকার প্যাকেজের কথা শোনা যায়। কিছু বেসরকারি সূত্রে প্রায় ৪ লাখ থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচের দাবি করা হয়েছে। কিন্তু এই পরিসরকে সরকারি নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় বলা যাবে না। প্যাকেজের মধ্যে কী কী সেবা রয়েছে, চাকরি নিশ্চিত কি না এবং কোন খাতে কত টাকা নেওয়া হচ্ছে—এসব যাচাই না করে টাকা দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
দুবাইয়ের ওয়ার্ক ভিসার খরচ কে দেবে?
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ওয়ার্ক পারমিটের ফি প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি অনুসারে ২৫০ থেকে ৩ হাজার ৪৫০ দিরহাম পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি শুধু ওয়ার্ক পারমিটের নির্দিষ্ট সরকারি ফি; বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়ার পুরো খরচ নয়।
আরব আমিরাতের শ্রম আইনে নিয়োগকর্তার ওপর কর্মী নিয়োগ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি খরচ বহনের দায়িত্ব রয়েছে। ফলে কর্মীর কাছ থেকে ভিসা বা নিয়োগের খরচ নেওয়া হলে তার বৈধতা ও ভিত্তি যাচাই করা জরুরি।
বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ে চাকরি নিয়ে যাওয়ার আগে নিয়োগপত্র, বেতন, কাজের ধরন, ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের তথ্য যাচাই করুন। শুধু ভিজিট ভিসা নিয়ে গিয়ে পরে চাকরি পাওয়া যাবে—এমন আশ্বাসের ওপর নির্ভর করবেন না। বৈধভাবে কাজ করতে প্রয়োজনীয় অনুমতি থাকতে হবে।
মালয়েশিয়া যেতে কত টাকা লাগে?
মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এসেছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাতে বাসস জানিয়েছে, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নিয়োগে সম্মতি দিয়েছে। প্রথম পর্যায়ের কর্মীদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।
১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর বাসস প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ জন্য বোয়েসেলসহ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ের সুবিধাটি নির্দিষ্ট ১০ হাজার কর্মীর নিয়োগ-ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত; মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুক প্রত্যেক ব্যক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই সুবিধা পাবেন, এমন নয়।
মালয়েশিয়ায় শূন্য খরচে যাওয়ার সুযোগ কীভাবে বুঝবেন?
শূন্য অভিবাসন ব্যয় বলতে নিয়োগপ্রক্রিয়ার নির্ধারিত খরচ কর্মীর ওপর না চাপিয়ে নিয়োগকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে বহন করার কথা বোঝানো হয়। তবে ব্যক্তিগত কাগজপত্র বা অন্য কোনো খাতে অর্থ লাগবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা থেকে নিশ্চিত হতে হবে।
মালয়েশিয়ায় চাকরির জন্য আগ্রহীদের করণীয়:
সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কাউকে টাকা দেবেন না।
অনুমোদিত নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও এজেন্সির তালিকা যাচাই করুন।
চাকরির চাহিদাপত্র, নিয়োগপত্র ও বেতনের তথ্য নিশ্চিত করুন।
মেডিকেল পরীক্ষা, পাসপোর্ট জমা কিংবা ভিসা প্রক্রিয়া শুরুর আগে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
শূন্য খরচে পাঠানোর নামে কোনো দালাল টাকা চাইলে সতর্ক থাকুন।
সরকারও প্রতারণা এড়াতে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনার আগে টাকা দেওয়া, মেডিকেল পরীক্ষা করানো কিংবা পাসপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে।
তিন দেশে যেতে খরচের তুলনা
| দেশ | আনুমানিক খরচ | গুরুত্বপূর্ণ তথ্য |
|---|---|---|
| সৌদি আরব | প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি | খরচ কাজ, নিয়োগকর্তা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। |
| দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) | প্রায় ৪–৮ লাখ টাকা | এটি বেসরকারি বাজারে প্রচলিত আনুমানিক খরচ; সরকারি নির্ধারিত একক হার নয়। |
| মালয়েশিয়া | নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুযায়ী ভিন্ন | নির্দিষ্ট সরকারি নিয়োগ কার্যক্রমে শূন্য-খরচের শর্ত থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করুন। |
এই তুলনা থেকে বোঝা যায়, বিদেশে যাওয়ার মোট খরচের একটিমাত্র নির্ভুল অঙ্ক দেওয়া সম্ভব নয়। চাকরির অফার, ভিসার ধরন, নিয়োগকর্তার দায়িত্ব এবং অনুমোদিত খরচের তালিকা ছাড়া নির্দিষ্ট অঙ্ক ধরে বাজেট করা উচিত নয়।
বিদেশে যাওয়ার আগে যেসব খরচ হিসাব করবেন
দেশ যেটিই হোক, বিদেশে কাজের জন্য যাওয়ার আগে নিচের খাতগুলো যাচাই করে বাজেট তৈরি করুন:
১. পাসপোর্ট ও কাগজপত্র: পাসপোর্ট, প্রয়োজনীয় সনদ, অনুবাদ বা সত্যায়নের খরচ।
২. মেডিকেল ও প্রশিক্ষণ: চাকরি ও গন্তব্য দেশের নিয়ম অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা, দক্ষতা পরীক্ষা বা প্রশিক্ষণের খরচ।
৩. ভিসা ও নিয়োগসংক্রান্ত খরচ: কোন ফি কর্মীর এবং কোনটি নিয়োগকর্তার বহন করার কথা, তা লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।
৪. বিমানভাড়া: নিয়োগকর্তা টিকিট দেবে, নাকি কর্মীকে কিনতে হবে—চুক্তিতে তা যাচাই করুন।
৫. বিএমইটি নিবন্ধন ও বহির্গমন ছাড়পত্র: বৈধভাবে কর্মী হিসেবে বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ ও ছাড়পত্রের নিয়ম অনুসরণ করুন।
৬. জরুরি ব্যক্তিগত অর্থ: চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে যাত্রার আগে কিছু ব্যক্তিগত খরচের প্রস্তুতি রাখতে হতে পারে। তবে নিয়োগকর্তার বহন করার কথা এমন খরচকে কর্মীর ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা যাচাই করুন।
প্রতারণা এড়াতে কী করবেন?
বিদেশে চাকরির জন্য টাকা দেওয়ার আগে এজেন্সির লাইসেন্স এবং চাকরির কাগজপত্র যাচাই করা সবচেয়ে জরুরি। শুধু ফেসবুক পোস্ট, পরিচিত ব্যক্তির কথা বা মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না।
নিরাপদ অভিবাসনের জন্য:
বিএমইটির অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা যাচাই করুন।
চাকরির চুক্তি, বেতন, কাজের সময় ও অন্যান্য সুবিধা লিখিতভাবে নিন।
প্রতিটি অর্থ পরিশোধের রসিদ ও ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ রাখুন।
ভিসার ধরন ও নিয়োগকর্তার পরিচয় যাচাই করুন।
সরকারি নির্দেশনা বা নিয়োগের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির আগে কোনো দালালের কথায় টাকা দেবেন না।
এ বিষয়ে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ওয়েবসাইটে বিদেশগমন-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। প্রবাসী কর্মীদের সহায়তার জন্য প্রবাসবন্ধু কল সেন্টারেও যোগাযোগ করা যায়।
বিএমইটি: https://bmet.gov.bd/
বিদেশে কর্মসংস্থানের সরকারি প্ল্যাটফর্ম: https://www.oep.gov.bd/
প্রবাসবন্ধু কল সেন্টার: ১৬১৩৫ (টোল ফ্রি)
সৌদি আরব, দুবাই ও মালয়েশিয়ায় কাজের জন্য যেতে কত টাকা লাগবে, তার উত্তর নির্ভর করে নির্দিষ্ট চাকরি ও নিয়োগের শর্তের ওপর। সৌদি আরব ও দুবাইয়ের বেসরকারি বাজারে কয়েক লাখ টাকার দাবি থাকলেও তা সরকারি নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের সমান নয়। আর মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার উদ্যোগটি একটি নির্দিষ্ট নিয়োগব্যবস্থার অংশ।
তাই বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মোট খরচের লিখিত হিসাব, নিয়োগকর্তার দায়িত্ব এবং ভিসার বৈধতা যাচাই করুন। প্রয়োজন হলে সরকারি সংস্থার সহায়তা নিন। এতে অতিরিক্ত খরচ, ঋণের চাপ ও প্রতারণার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
পাঠকের সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)
১. বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে কাজের ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে?
সব চাকরির জন্য একই মোট খরচ নেই। নিয়োগকর্তা, চাকরির ধরন ও অনুমোদিত নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর ব্যয় নির্ভর করে। এজেন্সির চাওয়া অঙ্ককে সরকারি নির্ধারিত খরচ ধরে নেওয়া উচিত নয়।
২. দুবাইয়ে কাজের ভিসা করতে কি কয়েক লাখ টাকা লাগে?
বেসরকারি বাজারে কয়েক লাখ টাকার প্যাকেজের দাবি পাওয়া যায়। তবে এগুলো সরকারি নির্ধারিত মোট খরচ নয়। ওয়ার্ক পারমিট ও নিয়োগসংক্রান্ত খরচের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার আইনগত দায়িত্বও বিবেচনা করতে হবে।
৩. মালয়েশিয়ায় কি বিনা খরচে যাওয়া যাবে?
সরকারের ঘোষণায় নির্দিষ্ট ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি এসেছে। এই সুবিধা সবার জন্য নয়; নিয়োগের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি ও যোগ্যতা যাচাই করতে হবে।
৪. বিদেশে যাওয়ার আগে কোন খরচগুলো যাচাই করা জরুরি?
পাসপোর্ট, মেডিকেল, প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় নথি, বিমানভাড়া, বিএমইটি ছাড়পত্র এবং নিয়োগসংক্রান্ত ফি যাচাই করুন। প্রতিটি খরচ কে বহন করবে, তা লিখিতভাবে নিশ্চিত হওয়া ভালো।
৫. বিদেশে চাকরির জন্য প্রতারণা এড়াতে কোথায় যোগাযোগ করব?
বিএমইটির ওয়েবসাইট https://bmet.gov.bd/ এবং সরকারি Overseas Employment Platform https://www.oep.gov.bd/ থেকে তথ্য যাচাই করুন। প্রবাসবন্ধু কল সেন্টারের ১৬১৩৫ নম্বরেও যোগাযোগ করতে পারেন।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- জমির দলিল তুলতে কত টাকা লাগে? জেনে নিন খরচের হিসাব
- একই জমির মালিক দুইজন? সত্যতা যাচাই করবেন যেভাবে
- আজ ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনা ও রুপার দাম কত
- আজকের স্বর্ণের দাম কত: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনার দাম
- আজকের সোনার দাম কত: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনা ও রুপার দাম
- OPPO Reno 17 Pro: লঞ্চ কবে, দাম কত ও কী থাকছে নতুন ফিচারে?
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ১৮টি দেশের টাকার মান
- Pulsar F250-এ ২০ হাজার টাকা ছাড়, N160 ও 150-এ উপহার
- আজ প্রতি ভরি ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনার দাম কত
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ১৯টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- Yamaha FZS V5 Hybrid-এর দাম কত? ফিচার ও মাইলেজ জানুন