Ultraviolette X-47 Venom: দাম, রেঞ্জ ও ফিচার জানুন
এক চার্জে ৩৪৩ কিলোমিটার চলার দাবি, ঘণ্টায় ১৫৫ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতি এবং গাড়ির মতো রাডারভিত্তিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি—এই তিন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনায় এসেছে Ultraviolette X-47 Venom। ভারতের বাজারে ২২ অক্টোবর ২০২৬ নতুন এই বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলটি উন্মোচন করেছে Ultraviolette Automotive। এর প্রাথমিক দাম রাখা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ভারতীয় রুপি। মডেলটিতে ৭.৫ kWh ও ১১ kWh—দুই ধরনের ব্যাটারির বিকল্প রয়েছে। পাশাপাশি নতুন VX-100 প্ল্যাটফর্ম, দ্রুতগতির চার্জিং এবং সমন্বিত ক্যামেরার মতো প্রযুক্তিও রয়েছে নির্দিষ্ট সংস্করণে।
শুধু দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক বাইক হিসেবেই নয়, শহরের যানজট ও হাইওয়েতে চলার সময় চালকের নিরাপত্তায় সহায়ক প্রযুক্তির কারণেও X-47 Venom আলাদা। তবে এর সর্বোচ্চ রেঞ্জ, চার্জিংয়ের সময় ও অন্যান্য সুবিধা সংস্করণভেদে ভিন্ন হতে পারে। বাংলাদেশে বাইকটির আনুষ্ঠানিক দাম ও বাজারজাতকরণের তথ্যও এখনো নিশ্চিত নয়।
Ultraviolette X-47 Venom-এর দাম কত?
ভারতে Ultraviolette X-47 Venom-এর প্রাথমিক এক্স-শোরুম দাম শুরু হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার রুপি থেকে। ব্যাটারি, চার্জার ও রঙের বিকল্প অনুযায়ী দাম বেড়ে ৪ লাখ ১২ হাজার রুপি পর্যন্ত হয়েছে। এই প্রাথমিক মূল্য প্রথম ৫ হাজার ক্রেতার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর প্রতিটি সংস্করণের দাম ৩৫ হাজার রুপি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাইকটির চারটি প্রধান সংস্করণ রয়েছে—X-47 Venom, X-47 Venom+, X-47 Venom Recon এবং X-47 Venom Recon+। সংস্করণগুলোর প্রাথমিক এক্স-শোরুম মূল্য নিচে দেওয়া হলো।
X-47 Venom: ২.৬৫ লাখ থেকে ২.৭৮ লাখ ভারতীয় রুপি
X-47 Venom+: ৩.১৫ লাখ থেকে ৩.২৮ লাখ ভারতীয় রুপি
X-47 Venom Recon: ৩.৭৫ লাখ থেকে ৩.৮৮ লাখ ভারতীয় রুপি
X-47 Venom Recon+: ৪ লাখ থেকে ৪.১২ লাখ ভারতীয় রুপি
এগুলো ভারতের বেঙ্গালুরুর এক্স-শোরুমভিত্তিক প্রাথমিক মূল্য। রঙ ও অন্যান্য কনফিগারেশনের কারণে একই সংস্করণের দামেও পার্থক্য হতে পারে। নিবন্ধন, বিমা ও অন্যান্য খরচ এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।
এক চার্জে কত দূর চলবে?
Ultraviolette X-47 Venom-এর ব্যাটারি ও রেঞ্জের ক্ষেত্রে দুটি বিকল্প রয়েছে। বেস সংস্করণ এবং Venom+ মডেলে ৭.৫ kWh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এই সংস্করণগুলোর দাবি করা IDC রেঞ্জ ২২৭ কিলোমিটার।
অন্যদিকে, X-47 Venom Recon ও Recon+ সংস্করণে রয়েছে ১১ kWh ব্যাটারি। এই বড় ব্যাটারির সংস্করণগুলোর দাবি করা IDC রেঞ্জ ৩৪৩ কিলোমিটার। ফলে যারা দীর্ঘ দূরত্বে চলাচলের জন্য বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল খুঁজছেন, তাদের জন্য বড় ব্যাটারির সংস্করণটি বেশি আগ্রহের হতে পারে।
তবে IDC রেঞ্জকে বাস্তব সড়কে নিশ্চিতভাবে পাওয়া যাবে—এমন ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। বাইকের গতি, রাস্তার অবস্থা, চালকের ওজন, আবহাওয়া এবং চালানোর ধরন অনুযায়ী প্রকৃত রেঞ্জ কমবেশি হতে পারে।
নতুন VX-100 প্ল্যাটফর্মে কী সুবিধা?
X-47 Venom হলো Ultraviolette-এর নতুন VX-100 প্ল্যাটফর্মে তৈরি প্রথম মোটরসাইকেল। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, নতুন ব্যাটারি প্রযুক্তি, মোটর ও মোটর কন্ট্রোল ইউনিটের সমন্বয়ে ওজন কমানো, তাপ নিয়ন্ত্রণ উন্নত করা এবং দীর্ঘ সময় উচ্চ পারফরম্যান্স ধরে রাখা।
বড় ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও বাইকটির ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৭.৫ kWh ব্যাটারির বেস সংস্করণের ওজন ১৮০ কেজি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ১১ kWh ব্যাটারির Recon সংস্করণের ওজন তুলনামূলক বেশি।
এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত SRB-11 ব্যাটারি প্যাকের ধারণক্ষমতা ১১ kWh পর্যন্ত। এর সঙ্গে রয়েছে নতুন UV LIGHTFURY মোটর এবং উন্নত মোটর কন্ট্রোল ইউনিট। তবে প্ল্যাটফর্মের সুবিধা বাস্তব ব্যবহারে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা স্বাধীন পরীক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার থেকে আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে।
সর্বোচ্চ গতি ১৫৫ কিমি, ১০০ কিমিতে পৌঁছাতে ৫.৯ সেকেন্ড
পারফরম্যান্সের দিক থেকে Ultraviolette X-47 Venom-এর সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৩০ kW, যা প্রায় ৪০ হর্সপাওয়ারের সমান। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৫৫ কিলোমিটার।
স্থির অবস্থা থেকে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাতে সময় লাগে ২.৭ সেকেন্ড এবং ১০০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাতে লাগে ৫.৯ সেকেন্ড—এগুলো নির্মাতার দাবি করা ত্বরণসংক্রান্ত তথ্য। বাইকের চাকার টর্ক ৫৫০ Nm বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৈদ্যুতিক মোটরের তাৎক্ষণিক টর্ক দ্রুত গতি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে সর্বোচ্চ গতি বা দ্রুত ত্বরণের সুবিধা ব্যবহারের সময় সড়কের অবস্থা, ট্রাফিক ও নিরাপদ চালনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
১২ kW DC ফাস্ট চার্জিংয়ের সুবিধা
X-47 Venom-এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত চার্জিংয়ের ব্যবস্থা। মোটরসাইকেলটি সর্বোচ্চ ১২ kW DC ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সংস্করণে অনবোর্ড চার্জারের সুবিধা রয়েছে। সাধারণ চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে চার্জারের ক্ষমতা ও ব্যাটারির অবস্থা অনুযায়ী সময় লাগবে।
ফাস্ট চার্জিং দীর্ঘ যাত্রার মধ্যে চার্জ দেওয়ার বিরতি কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে সব চার্জিং স্টেশনে একই ক্ষমতার চার্জার পাওয়া যাবে না। চার্জিংয়ের প্রকৃত সময় নির্ভর করবে চার্জারের আউটপুট, ব্যাটারির চার্জের অবস্থা এবং তাপমাত্রার ওপর।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য ক্রেতাদের জন্য চার্জিং অবকাঠামোও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাইকটি দেশে এলেও ১২ kW DC চার্জার সহজে পাওয়া যাবে কি না, তা স্থানীয় চার্জিং নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করবে।
রাডার প্রযুক্তিতে নজরদারি করবে পেছনের যানবাহন
X-47 Venom-এর সবচেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো UV Hypersense রাডারভিত্তিক চালক-সহায়তা ব্যবস্থা। প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, এতে ৭৭ GHz রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা পেছন ও পাশের দিক থেকে আসা যানবাহন সম্পর্কে সতর্ক করতে পারে।
নির্দিষ্ট উচ্চতর সংস্করণে থাকা সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে—
Blind-spot monitoring: চালকের সরাসরি দৃষ্টির বাইরে থাকা যানবাহন শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
Lane-change assist: লেন পরিবর্তনের সময় আশপাশের যানবাহন সম্পর্কে সতর্ক করতে পারে।
Overtake alert: দ্রুতগতিতে কাছে আসা যানবাহন সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিতে পারে।
Rear-collision warning: পেছন থেকে কোনো যানবাহন দ্রুত কাছে এলে সতর্ক করতে পারে।
এ ধরনের প্রযুক্তি চালককে অতিরিক্ত তথ্য দিতে পারে, কিন্তু এগুলো দুর্ঘটনা প্রতিরোধের নিশ্চয়তা নয়। চালককে আয়না দেখা, আশপাশ পর্যবেক্ষণ করা এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করতে হবে।
৭ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ও ড্যাশক্যাম
মোটরসাইকেলটিতে ৭ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে রয়েছে। এতে নেভিগেশনসহ বিভিন্ন তথ্য দেখা যায়। নির্দিষ্ট সংস্করণে সামনে ও পেছনের ক্যামেরা যুক্ত ড্যাশক্যাম ব্যবস্থাও রয়েছে, যা যাত্রাপথের ভিডিও রেকর্ড করতে পারে।
পেছনের ক্যামেরার দৃশ্য ব্যবহার করে পার্কিংয়ের সময় সহায়তা পাওয়ার সুবিধাও রয়েছে। সরু জায়গায় মোটরসাইকেল পেছনে নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা কাজে আসতে পারে। তবে ডিসপ্লে বা ক্যামেরার সুবিধা সব সংস্করণে একইভাবে পাওয়া যাবে কি না, তা কেনার আগে যাচাই করা প্রয়োজন।
ব্রেক, সাসপেনশন ও নিরাপত্তা
X-47 Venom-এ ডুয়াল-চ্যানেল ABS রয়েছে। এর মাধ্যমে ব্রেক করার সময় সামনের ও পেছনের চাকার লক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। প্রতিষ্ঠানটি ট্র্যাকশন কন্ট্রোল ও ডায়নামিক স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোলের সুবিধার কথাও জানিয়েছে। উচ্চতর সংস্করণে রাডারভিত্তিক সহায়তা ব্যবস্থার পাশাপাশি আরও কিছু ফিচার পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
জ্বালানির দাম বাড়ায় কমিউটার বাইক চালাতে মাসে কত খরচ?
Yamaha FZS FI V4-এর দাম, মাইলেজ ও ফিচার এক নজরে
বাইকের সামনে ৩২০ মিলিমিটারের ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ২৩০ মিলিমিটারের ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। সাসপেনশনে সামনে ৪১ মিলিমিটারের প্রিলোড-অ্যাডজাস্টেবল USD ফর্ক এবং পেছনে প্রিলোড-অ্যাডজাস্টেবল মনোশক ব্যবহার করা হয়েছে।
সিটের উচ্চতা ৮২০ মিলিমিটার এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ২০০ মিলিমিটার। এসব মাপ বাইকটির অবস্থান ও চালানোর অভিজ্ঞতা বোঝাতে সাহায্য করে। তবে সিটের উচ্চতা কোনো চালকের জন্য উপযুক্ত কি না, তা তার উচ্চতা ও বাইক সামলানোর অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করবে।
Ultraviolette X-47 Venom কি বাংলাদেশে আসবে?
বাংলাদেশে Ultraviolette X-47 Venom-এর আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ, দাম বা বিক্রির তারিখ এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে ভারতের দাম সরাসরি বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করে এ দেশের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা ঠিক হবে না। আমদানি শুল্ক, কর, পরিবহন ব্যয়, নিবন্ধন এবং পরিবেশকের খরচের কারণে স্থানীয় মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে আলাদা হতে পারে।
বাংলাদেশে বাইকটি কেনার আগ্রহ থাকলে প্রথমে এর আমদানি ও নিবন্ধনের যোগ্যতা, অনুমোদিত বিক্রেতা, ওয়ারেন্টি এবং যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে চার্জিং সুবিধা ও বিক্রয়োত্তর সেবাও কেনার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সব মিলিয়ে কেমন Ultraviolette X-47 Venom?
Ultraviolette X-47 Venom-এর মূল আকর্ষণ শুধু সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছানোর ক্ষমতা নয়; বরং বড় ব্যাটারি, দাবি করা ৩৪৩ কিলোমিটার IDC রেঞ্জ, ১২ kW DC ফাস্ট চার্জিং এবং রাডারভিত্তিক চালক-সহায়তা প্রযুক্তির সমন্বয়। চারটি সংস্করণ থাকায় ক্রেতারা ব্যাটারি ও চার্জিংয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প বেছে নিতে পারবেন।
তবে দাম ও ফিচার বিবেচনার পাশাপাশি বাস্তব রেঞ্জ, চার্জিং সুবিধা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিক্রয়োত্তর সেবা যাচাই করা জরুরি। বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিক উপস্থিতি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ দেশের ক্রেতাদের জন্য বাইকটির মোট খরচ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।
প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন ও উত্তর
১. Ultraviolette X-47 Venom-এর দাম কত?
ভারতে বাইকটির প্রাথমিক এক্স-শোরুম দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ভারতীয় রুপি থেকে শুরু। সংস্করণ ও রঙভেদে দাম ৪ লাখ ১২ হাজার রুপি পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিক মূল্য প্রথম ৫ হাজার ক্রেতার জন্য প্রযোজ্য।
২. Ultraviolette X-47 Venom এক চার্জে কত দূর চলে?
৭.৫ kWh ব্যাটারির সংস্করণের দাবি করা IDC রেঞ্জ ২২৭ কিলোমিটার। ১১ kWh ব্যাটারির Recon সংস্করণের দাবি করা IDC রেঞ্জ ৩৪৩ কিলোমিটার। বাস্তব রেঞ্জ ভিন্ন হতে পারে।
৩. Ultraviolette X-47 Venom-এর সর্বোচ্চ গতি কত?
প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৫৫ কিলোমিটার। ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাতে সময় লাগে ৫.৯ সেকেন্ড বলে দাবি করা হয়েছে।
৪. Ultraviolette X-47 Venom-এ কী ধরনের নিরাপত্তা প্রযুক্তি রয়েছে?
এতে ডুয়াল-চ্যানেল ABS, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল ও ডায়নামিক স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোল রয়েছে। নির্দিষ্ট উচ্চতর সংস্করণে UV Hypersense রাডারভিত্তিক ব্লাইন্ড-স্পট মনিটরিং, লেন-চেঞ্জ সহায়তা ও রিয়ার-কলিশন সতর্কতার সুবিধা রয়েছে।
৫. Ultraviolette X-47 Venom কি বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে?
বাংলাদেশে বাইকটির আনুষ্ঠানিক দাম, বাজারজাতকরণ বা বিক্রির তারিখ এখনো নিশ্চিত নয়। স্থানীয় বাজারে কেনার আগে আমদানি, নিবন্ধন, ওয়ারেন্টি ও চার্জিং সুবিধার তথ্য যাচাই করা উচিত।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কি না যাচাই করবেন যেভাবে
- ওয়ানডে দলে ফিরবেন মুশফিক-রিয়াদ? ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন ডি ভিলিয়ার্স?
- জমির দাগ, খতিয়ান ও নকশা যাচাইয়ের সহজ নিয়ম
- টেক্সটাইল খাতে সংকট, বন্ধ ১৪ কোম্পানির কারখানা,বিপাকে বিনিয়োগকারীরা
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৯টি দেশের টাকার মান
- জমির দলিল হারালে নকল তুলতে কত টাকা খরচ হবে?
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ৬টি দেশের টাকার মান
- আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট কত (২৩ অক্টোবর ২০২৬)