দেশে ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আশরাফুজ্জামান মিনহাজ, নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের নিরাপত্তা বাহিনী এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ পদের উপর প্রভাব খাটানোর জন্য একাধিক বিতর্কিত কার্যক্রমে লিপ্ত আশরাফুজ্জামান মিনহাজ, যিনি মিনহাজ উদ্দিন নামে পরিচিত। তিনি শুধু যে মামলা নিয়োগ, বদলি এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন তা নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে নিজেকে এক প্রভাবশালী লবিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ একাধিক আন্তর্জাতিক নেতার সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
সম্প্রতি, দুর্নীতি দমন কমিশনে (ডিএসসি) অভিযোগ জমা পড়ার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন মিনহাজ, তবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। তিনি সামাজিক মাধ্যমে নিজের প্রোফাইলটি এভাবে উপস্থাপন করেছেন যে, দেশের বিচারপতি, সেনাপ্রধান, এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পদের ব্যাপারে তার মতামত গ্রহণ করা হয়। তার দাবি, তিনি শেখ হাসিনার দুঃখের মুহূর্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলাপে তার সহায়তা করেছেন এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে তার ভূমিকা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১১টি নির্দেশনা
আওয়ামী লীগের নামে নতুন দল গঠন, নিবন্ধন চেয়ে ইসিতে আবেদন
এছাড়াও, মিনহাজের ফোনালাপে শোনা যায় যে তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সূত্রে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছেন। বিশেষ করে, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দখল এবং তার নিজস্ব পছন্দের প্রক্রিয়ায় নেতাদের সহায়তা চাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
এছাড়া, তিনি তার সংযোগের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করতে চাইছেন, এমনকি তিনি সাবেক প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোও প্রভাবিত করেছেন বলে দাবি করেছেন।
মিনহাজ তার কথায় বলেন:
"আমি যখন ইউকে থেকে ফ্রান্সে যাচ্ছিলাম, তখন শেখ হাসিনা আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। উনি আমাকে বললেন, 'তুমি কি ১০ মিনিট সময় দেবে, আমি কিছু কথা শোনাতে চাই?'। আমি তাকে বলেছিলাম, 'শুনবো', এরপর উনি আমাকে বলেছেন, 'আমার এই দেশকে ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে, চোখে পানি পড়ছে।'"
"ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমি জানি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম বিদেশি সফর হবে ভারত, এবং আমি তার সাথে যাব।"
"আমি শেখ হাসিনার জন্য অনেক কিছু করেছি, সে আমাকে নিজে ফোন করেছে। তার সাথে ৩০ মিনিট কথা বলেছিলাম, তিনি কেঁদেছেন এবং আমাকে বলেছেন, 'বাংলাদেশের জন্য কিছু করো, আমাকে সহযোগিতা করো।'"
"আমার পরিচিতি অনেক দূর পর্যন্ত গেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং সিআইএ, সবই আমার সাথে যোগাযোগ রেখেছে। আমার একেবারে ক্লিয়ার ইনস্ট্রাকশন আছে, আমি জানি কোথায় কোন কাজ করতে হবে।"
এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে মিনহাজ নানা বিতর্কিত ও অস্বাভাবিক দাবির মাধ্যমে নিজেকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চেয়েছেন। তিনি তার কর্মকাণ্ডে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে, আশরাফুজ্জামান মিনহাজ তার বক্তব্যের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
এখন প্রশ্ন হলো, এই বিতর্কিত ব্যক্তির কার্যক্রম দেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।
মো: রাজিব আলী/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- অ্যাটলেটিকো বনাম রিয়াল: কিছুক্ষণ পর ম্যাচ, লাইভ দেখবেন যেভাবে
- অ্যাটলেটিকো-রিয়াল ম্যাচ চলছে: লাল কার্ড ও গোল দেখুন Live
- চলছে অ্যাটলেটিকো বনাম রিয়াল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন Live
- নতুন পে স্কেলে বকেয়া পাবেন যেভাবে, কার্যকর ১ জুলাই
- শেয়ারবাজারের এই কোম্পানির নাম বদলে গেল
- শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শেখাতে বিএসইসির বড় পরিকল্পনা
- নতুন পে স্কেলে আপনার বেতন কত, জানুন হিসাবের নিয়ম
- শেয়ারবাজারে এখন বিনিয়োগের সময়? সুযোগ-ঝুঁকির হিসাব
- অ্যাটলেটিকো বনাম রিয়াল মাদ্রিদ: লাল কার্ড, ২ গোলের ম্যাচে ফলাফল কী
- সরকারি কোম্পানিতে বড় ধাক্কা, লোকসানে ১২টি
- কম দামে বেশি মাইলেজ, ২০২৬-এর সেরা ৫ বাইক
- শেয়ারবাজারে এআই, অস্বাভাবিক লেনদেনে আসবে ‘রেড ফ্ল্যাগ’
- একাদশ শ্রেণির মাইগ্রেশন ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে
- নতুন পে-স্কেলের বেতন পেতে লাগবে যেসব তথ্য
- ইউসিবির রাইট শেয়ার: বিনিয়োগকারীদের যা জানা জরুরি