যুদ্ধের মুখে যুদ্ধবিরতি! ভারত-পাকিস্তানকে থামাল কে?
নিজস্ব প্রতিবেদক:
৩৬ দেশের কূটনৈতিক তৎপরতায় বড় সংঘাত এড়াল দক্ষিণ এশিয়া
টানা উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা ও পারমাণবিক হুমকির মাঝেই এক নাটকীয় মোড় নিল ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব। গত শনিবার দুপুরে আকস্মিকভাবে ঘোষিত হয় যুদ্ধবিরতি। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রথম কে দিয়েছিল?
বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছিল টানা কয়েকদিন। অন্তত ৩৬টি দেশ এই সংঘাত প্রশমনে নানাভাবে মধ্যস্থতায় জড়িত ছিল।
কিন্তু ঘোষণার মুহূর্তে যে নাটকীয়তা তৈরি হয়েছিল, তা আরও চমকপ্রদ।
যুক্তরাষ্ট্রের গোপন ভূমিকা:
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সিএনএনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকিস্তানের একটি ঘনিষ্ঠ সরকারি সূত্র স্বীকার করেছে যে, এই যুদ্ধবিরতির পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। সূত্রটি বলেছে, “দুই পক্ষই বুঝেছিল পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি তখন একমাত্র বিকল্প হয়ে দাঁড়ায়।”
আলোচনার মাঝেই ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা:
চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও, শনিবার ভোরে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের তিনটি বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে পাকিস্তান হতবাক হয়ে পড়ে। ইসলামাবাদ ভেবেছিল আলোচনার একদম শেষ ধাপে পৌঁছে গিয়েছে তারা।
‘চোখের বদলে চোখ’ নীতি:
এর জবাবে পাকিস্তানও দ্রুত পাল্টা হামলা চালায় ভারতের বিমানঘাঁটি ও নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, এই হামলা ছিল ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির বাস্তবায়ন।
ভারতের মনোভাব পরিবর্তন:
পাকিস্তানের শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখে নয়াদিল্লিও নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হয়। সেই সময়েই যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার নতুন ভিত্তি তৈরি হয়।
বিশ্বের ভূমিকা ও মার্কো রুবিও:
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আলোচনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখেন। সৌদি আরব, তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশও পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতায় জড়িত ছিল। দুপুর নাগাদ গোলাগুলি বন্ধ হয় এবং পরে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।
ভারতের ভিন্ন মত:
তবে ভারতীয় একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতির মূল আলোচনা সরাসরি পাকিস্তানের সঙ্গে হয়েছিল এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকে কিছুটা কম গুরুত্ব দিচ্ছে।
কে প্রথম যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল—তা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও নিশ্চিত একটিই: দক্ষিণ এশিয়া বড় ধরণের যুদ্ধের মুখ থেকে ফিরে এসেছে। আর এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে কূটনৈতিক চাপ ও বৈশ্বিক উদ্বেগ।
FAQ উত্তর:
1. ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় কে প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিল?
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আসে। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল, তাই বিশ্ব ক্ষমতাগুলোর কূটনৈতিক চাপের ফলে যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়।
2. ভারত ও পাকিস্তান কতদিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল?
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগেই ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও পাকিস্তানের পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে, এরপর কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।
3. যুদ্ধবিরতির ঘোষণা পরে কী ঘটেছিল?
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পর উভয় পক্ষই শত্রুতার অবসান ঘটিয়ে শান্তি আলোচনা শুরু করে এবং বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় যুদ্ধের পরিণতি রোধ করা সম্ভব হয়।
জামিরুল ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আজকের খেলার সময়সূচী: বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ২য় টি-টোয়েন্টি: বন্ধ ম্যাচ কখন শুরু হবে খেলা
- ৯ কোম্পানির কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ: কার লাভ কার লোকসান
- বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করলো একমি পেস্টিসাইডস
- আজ বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ২য় টি-টোয়েন্টি: কখন, কোথায় দেখবেন লাইভ?
- যমুনা ও উত্তরা ব্যাংকসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা
- স্কয়ার ফার্মা ও খান ব্রাদার্সসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করলো মালেক স্পিনিং
- সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- খুলনা পাওয়ার ও তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- বিডিকম ও বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
- পেনিনসুলা চিটাগং ও এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- কোহিনূর কেমিক্যাল, স্কয়ার টেক্সটাইলসসহ ৪ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- সায়হাম টেক্সটাইলের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ