ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রবাসে থেকেও এনআইডি ও জন্মনিবন্ধনের কাজ করবেন যেভাবে

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৩ ২১:০৫:১৫
প্রবাসে থেকেও এনআইডি ও জন্মনিবন্ধনের কাজ করবেন যেভাবে

বিদেশে বসবাস করলেও জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) প্রয়োজনীয় কাজ করার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশি নাগরিকদের। এ জন্য সব ক্ষেত্রে দেশে ফেরার প্রয়োজন হয় না। অনলাইনে আবেদন করে এবং সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটের নির্দেশনা অনুসরণ করে অনেক কাজ সম্পন্ন করা যায়। তবে নতুন এনআইডি তৈরি, পুরোনো এনআইডির তথ্য সংশোধন এবং জন্মনিবন্ধন—প্রতিটি সেবার প্রক্রিয়া আলাদা।

বিশেষ করে প্রথমবার এনআইডি করতে চাইলে অনলাইনে আবেদন করার পাশাপাশি সশরীরে উপস্থিত হয়ে ছবি, আঙুলের ছাপসহ প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হতে পারে। অন্যদিকে, জন্মনিবন্ধনের আবেদনও অনলাইনে শুরু করা যায়; এরপর আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় নথি কীভাবে জমা দিতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

তাই বিদেশে বসে এসব সেবা নিতে চাইলে প্রথমেই নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক প্রক্রিয়া জানা জরুরি।

প্রবাস থেকে জন্মনিবন্ধনের আবেদন করবেন যেভাবে

বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিক এবং বিদেশে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের সন্তানদের জন্মনিবন্ধনের জন্য সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তবে কোন মিশন কোন এলাকার আবেদন গ্রহণ করে এবং কী কী নথি চায়, তা আগে যাচাই করতে হবে।

জন্মনিবন্ধনের আবেদন করতে সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়।

প্রথম ধাপ: অনলাইনে আবেদন

জন্মনিবন্ধনের সরকারি ওয়েবসাইট bdris.gov.bd/br/application থেকে আবেদন শুরু করতে হবে। আবেদন করার সময় জন্মস্থান, স্থায়ী ঠিকানা অথবা বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করার উপযুক্ত বিকল্প নির্বাচন করতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: তথ্য ও নথি প্রস্তুত

আবেদনকারীর নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের পরিচয় এবং স্থায়ী ঠিকানার তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট মিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী জন্মের প্রমাণ, বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধন বা বাংলাদেশি পাসপোর্ট কিংবা এনআইডির কপি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি প্রস্তুত রাখতে হতে পারে।

বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের হাসপাতাল বা কর্তৃপক্ষের দেওয়া জন্মসনদও চাওয়া হতে পারে।

তৃতীয় ধাপ: আবেদনপত্র জমা দেওয়া

অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন হলে আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি বা নির্ধারিত নথি সংরক্ষণ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটের নির্দেশনা অনুযায়ী সশরীরে অথবা ডাকযোগে কাগজপত্র জমা দিতে হবে। কিছু মিশনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া বা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ফি পরিশোধের নিয়ম রয়েছে।

আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ নির্দেশনা দেখে নেওয়া ভালো। কারণ সব দেশে জন্মনিবন্ধনের ফি, কাগজপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি ও সেবা দেওয়ার সময় এক নয়।

প্রবাস থেকে প্রথমবার এনআইডি করতে কী করতে হবে?

যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের আগে কখনো এনআইডি তৈরি হয়নি, তাঁরা যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ সাপেক্ষে বিদেশে অবস্থিত নির্ধারিত বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করতে পারেন।

এ জন্য নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সেবা পোর্টাল services.nidw.gov.bd/nid-pub ব্যবহার করা যায়। তবে আবেদন করার আগে নিজের বসবাসের দেশে সংশ্লিষ্ট মিশন নতুন এনআইডি নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।

সাধারণভাবে প্রক্রিয়াটি এমন—

১. এনআইডি সেবা পোর্টালে গিয়ে নতুন নিবন্ধনের আবেদন পূরণ করতে হবে।

২. আবেদনপত্রে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে।

৩. অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মিশনের নিয়ম অনুযায়ী বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।

৪. নির্ধারিত দিনে আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি ও প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটে উপস্থিত হতে হবে।

৫. সেখানে ছবি, আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস স্ক্যান বা প্রযোজ্য অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হতে পারে।

৬. এরপর বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস আবেদনকারীর পরিচয়, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করতে পারে।

আবেদন অনুমোদনের পর এনআইডি নম্বর পাওয়া, অনলাইন কপি ডাউনলোড বা স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের নিয়ম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুসরণ করতে হবে। যাচাই ও কার্ড প্রস্তুতের সময় একেক আবেদনে একেক রকম হতে পারে।

এনআইডির জন্য কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে?

প্রথমবার এনআইডির আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনকারী ও সংশ্লিষ্ট মিশনের নিয়মের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত যেসব নথি চাওয়া হতে পারে, সেগুলো হলো—

১৭ সংখ্যার বাংলাদেশি জন্মনিবন্ধন সনদ এবং অনলাইনে যাচাইযোগ্য কপি।

বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ বাংলাদেশি পাসপোর্টের কপি; কিছু ক্ষেত্রে অন্য পরিচয়সংক্রান্ত নথি গ্রহণের বিধান থাকতে পারে।

বাবা-মায়ের এনআইডি, জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্টের কপি।

শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, যেমন এসএসসি বা সমমানের সনদ, যদি থাকে।

সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ বা জাতীয়তা-সংক্রান্ত সনদ, যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চায়।

বিবাহিত আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বিয়ের সনদ ও স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি, যদি প্রয়োজন হয়।

এগুলো সম্ভাব্য নথির উদাহরণ, সব আবেদনকারীর জন্য বাধ্যতামূলক তালিকা নয়। সংশ্লিষ্ট মিশনের হালনাগাদ নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করতে হবে।

আগে থেকেই এনআইডি থাকলে কি দূতাবাসে সংশোধন করা যাবে?

এখানেই অনেক প্রবাসী ভুল করেন। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে নতুন এনআইডি নিবন্ধনের সুযোগ থাকলেও, অনেক মিশনে আগে থেকে থাকা এনআইডির তথ্য সংশোধনের আবেদন গ্রহণ করা হয় না।

বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মিশনের মাধ্যমে শুধু নতুন এনআইডির আবেদন নেওয়া হয়; আগে থেকে এনআইডি থাকা ব্যক্তিদের সংশোধনের জন্য ওই মিশনে আবেদন করা যায় না।

তাই নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম বা ঠিকানায় ভুল থাকলে প্রথমেই নিজের দেশের বাংলাদেশ মিশনের নির্দেশনা যাচাই করুন। প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনলাইন সেবা ব্যবহার করে সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানুন অথবা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

বিদেশে বসবাস করলেই সব ধরনের এনআইডি সংশোধন অনলাইনে সম্পন্ন হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। সংশোধনের ধরন, প্রমাণপত্র এবং নির্বাচন কমিশনের যাচাইয়ের ভিত্তিতে প্রক্রিয়া নির্ধারিত হবে।

জন্মনিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করতে চাইলে কী করবেন?

জন্মনিবন্ধনে নাম, জন্মতারিখ বা অন্য কোনো তথ্য ভুল থাকলে সংশোধনের আবেদন করতে হবে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন সব ধরনের জন্মনিবন্ধন সংশোধন করে দেবে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

বাংলাদেশের কোনো স্থানীয় নিবন্ধন কার্যালয় থেকে জন্মনিবন্ধন করা হয়ে থাকলে সংশোধনের জন্য কোথায় আবেদন করতে হবে, তা ওই কার্যালয় বা সরকারি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা থেকে নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুর নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

আবেদন করার আগে জন্মনিবন্ধন নম্বর, অনলাইনে থাকা তথ্য এবং সংশোধনের পক্ষে প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখুন। আবেদন জমা দেওয়ার পর অতিরিক্ত নথি বা যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

জন্মনিবন্ধন ও এনআইডিতে তথ্যের অমিল থাকলে করণীয়

জন্মনিবন্ধন, এনআইডি ও পাসপোর্টে নাম বা জন্মতারিখের অমিল থাকলে নতুন কোনো আবেদন করার আগে বিষয়টি সমাধান করা জরুরি। কারণ এক নথির সঙ্গে অন্য নথির তথ্য না মিললে পরিচয় যাচাই বা পাসপোর্টের মতো সেবা নিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

প্রথমে কোন নথিতে ভুল রয়েছে, তা নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ধারণ করুন। এরপর যে কর্তৃপক্ষ নথিটি ইস্যু করেছে, তার নিয়ম অনুযায়ী সংশোধনের আবেদন করুন। একটি নথির তথ্য পরিবর্তন হলেই অন্য নথির তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে—এমন নয়।

তথ্য সংশোধনের সময় প্রকৃত তথ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দিতে হবে। শুধু নথিগুলোতে তথ্য মেলানোর জন্য ভুল জন্মতারিখ বা পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া উচিত নয়।

আবেদন করার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখবেন

প্রবাস থেকে জন্মনিবন্ধন বা এনআইডির কাজ করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নিজের বসবাসের দেশ অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেট কোন সেবা দেয়, তা যাচাই করুন।

অনলাইনে আবেদন করলেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে—এমন ধরে নেবেন না; সশরীরে উপস্থিতি, বায়োমেট্রিক তথ্য বা কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

কোনো দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তির মাধ্যমে কাজ করানোর আগে সতর্ক থাকুন। সরকারি ওয়েবসাইট ও মিশনের নির্দেশনা ব্যবহার করুন।

আবেদন নম্বর, জমা দেওয়ার রসিদ এবং অ্যাকাউন্টের তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।

নির্ধারিত ফি, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও প্রক্রিয়াকরণের সময় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মিশনের ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য জেনে নিন।

প্রবাসে থেকে এসব সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জন্মনিবন্ধন ও এনআইডির জন্য আলাদা নিয়ম বুঝে সঠিক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা। এতে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত, ভুল আবেদন ও কাগজপত্রের জটিলতা কমানো সম্ভব।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

১. প্রবাসে বসে কি জন্মনিবন্ধন করা যায়?

হ্যাঁ। অনলাইনে আবেদন শুরু করে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সেবার প্রাপ্যতা ও পদ্ধতি দেশভেদে আলাদা হতে পারে।

২. বিদেশ থেকে প্রথমবার এনআইডি করতে কি বাংলাদেশে যেতে হবে?

যোগ্য আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বিদেশে অবস্থিত নির্ধারিত বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে নতুন এনআইডির আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। সাধারণত অনলাইন আবেদন ও বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার জন্য সশরীরে উপস্থিতির প্রয়োজন হয়। তাই আগে সংশ্লিষ্ট মিশনের নিয়ম যাচাই করুন।

৩. আগে থেকেই এনআইডি থাকলে বিদেশের দূতাবাসে সংশোধন করা যাবে?

অনেক বাংলাদেশ মিশনে শুধু নতুন এনআইডির আবেদন নেওয়া হয়; বিদ্যমান এনআইডি সংশোধনের সেবা দেওয়া হয় না। নিজের দেশের মিশনের নির্দেশনা এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিয়ম যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।

৪. জন্মনিবন্ধনের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?

সাধারণত অনলাইন আবেদনপত্র, জন্মের প্রমাণ, আবেদনকারী ও বাবা-মায়ের পরিচয়সংক্রান্ত নথি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ছবি বা অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হতে পারে। সুনির্দিষ্ট তালিকা সংশ্লিষ্ট মিশনের ওয়েবসাইটে দেখে নিতে হবে।

৫. জন্মনিবন্ধন ও এনআইডির তথ্য আলাদা হলে কোনটি আগে ঠিক করব?

প্রথমে নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কোন নথিতে ভুল আছে, তা নির্ধারণ করুন। এরপর যে কর্তৃপক্ষ নথিটি ইস্যু করেছে, তার নিয়ম মেনে সংশোধনের আবেদন করুন। এক নথি সংশোধন হলে অন্যটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধিত হবে—এমন ধরে নেওয়া যাবে না।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: