এনআইডি ও পাসপোর্টে নামের মিল নেই? কী করবেন জেনে নিন
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্টে নিজের নামের বানান বা পুরো নামের অমিল থাকলে প্রথমেই বুঝতে হবে, ভুলটি কোন নথিতে রয়েছে। এনআইডিতে নাম ভুল হলে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় তা সংশোধন করতে হবে। আর এনআইডিতে তথ্য সঠিক থাকলেও পাসপোর্টে নামের ভুল থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দিয়ে পাসপোর্ট সংশোধন বা পুনরায় ইস্যুর আবেদন করতে হবে।
নামের সামান্য বানানগত পার্থক্যকেও অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, পাসপোর্ট, ভিসা, বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি কিংবা অভিবাসনের মতো কাজে পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের সময় নথির অমিল নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে সব ক্ষেত্রে একই নিয়মে সংশোধন হয় না। নামের বানান, নামের ক্রম, আংশিক পরিবর্তন কিংবা পুরো নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র ও যাচাইয়ের ধরন আলাদা হতে পারে।
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্য অনুসরণ করতে হয়। তাই আবেদন করার আগে নথিগুলোর তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
এনআইডি ও পাসপোর্টে নামের অমিল হলে প্রথমে যা করবেন
সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করুন।
১. দুই নথিতে নাম কীভাবে লেখা আছে দেখুন। বাংলা ও ইংরেজি বানান, নামের অংশ বাদ পড়েছে কি না, প্রথম ও শেষ নামের ক্রম এবং অতিরিক্ত কোনো শব্দ যুক্ত হয়েছে কি না—এসব খেয়াল করুন।
২. অন্যান্য সরকারি নথির সঙ্গে মিলিয়ে নিন। জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং আগে ইস্যু করা পাসপোর্ট থাকলে সেগুলোর তথ্য দেখুন। কোন বানানটি আপনার প্রকৃত ও প্রমাণযোগ্য পরিচয়ের সঙ্গে মেলে, তা নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
৩. কোন নথিতে সংশোধন প্রয়োজন ঠিক করুন। এনআইডিতে ভুল থাকলে এনআইডি সংশোধনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। পাসপোর্টে ভুল থাকলে পাসপোর্ট সংশোধনের আবেদন করতে হবে। শুধু একটি নথির ভুল ঠিক করতে গিয়ে অন্য নথির সঠিক তথ্য পরিবর্তন করবেন না।
এনআইডিতে নাম ভুল থাকলে কী করবেন?
এনআইডিতে নিজের নামের বানান ভুল, নামের অংশ বাদ পড়া কিংবা অন্য কোনো তথ্যগত ভুল থাকলে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশোধনের আবেদন করতে হবে।
আবেদনের সময় ভুলের ধরন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়। সাধারণভাবে প্রয়োজন হতে পারে—
সংশোধনের আবেদন;
বর্তমান জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য;
জন্মনিবন্ধন সনদ;
এসএসসি বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, যদি থাকে;
পাসপোর্ট বা অন্য গ্রহণযোগ্য সরকারি নথি;
সংশোধনের পক্ষে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত প্রমাণপত্র।
সব ধরনের নাম সংশোধনে একই কাগজপত্র লাগে না। বিশেষ করে পুরো নাম পরিবর্তন এবং ছোটখাটো বানান সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রমাণের চাহিদা ভিন্ন হতে পারে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নির্দেশনা দেখে নিতে হবে।
এনআইডি সংশোধনের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তথ্য পাওয়া যাবে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের ওয়েবসাইটে: https://nidw.gov.bd/
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের নির্ধারিত ফরম পাওয়া যায়:
https://ecs.gov.bd/
এনআইডি ঠিক, কিন্তু পাসপোর্টে নাম ভুল হলে করণীয়
এনআইডিতে নাম সঠিক থাকলেও পাসপোর্টে বানান ভুল বা নামের অংশে অমিল থাকলে পাসপোর্ট সংশোধন বা পুনরায় ইস্যুর জন্য আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্টে থাকা ভুল তথ্য এবং সংশোধনের জন্য চাওয়া সঠিক তথ্যের পক্ষে গ্রহণযোগ্য সরকারি প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
সাধারণভাবে যেসব নথি প্রস্তুত রাখতে হতে পারে—
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;
বর্তমান বা আগের পাসপোর্ট;
পাসপোর্ট সংশোধন বা পুনরায় ইস্যুর আবেদনসংক্রান্ত কাগজপত্র;
নামের সঠিকতা প্রমাণ করে এমন প্রয়োজনীয় নথি;
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে অঙ্গীকারনামা বা অতিরিক্ত দলিল।
আবেদন ইতিমধ্যে জমা দিয়ে থাকলেও ভুল তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকতে পারে। ই-পাসপোর্টের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনপত্রের তথ্য ভুল ধরা পড়লে প্রিন্ট করা ‘Application Summary’ এবং সঠিক তথ্যের প্রমাণ হিসেবে এনআইডি, জন্মনিবন্ধন সনদ, আগের পাসপোর্ট বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। ভুল নাম ব্যবহার করে ফি জমা দেওয়া হয়ে থাকলে অতিরিক্ত অনুমোদন বা ছাড়পত্রের প্রয়োজন হতে পারে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে ই-পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে:
https://www.epassport.gov.bd/landing/faqs/20
এনআইডি ও পাসপোর্ট—দুটিতেই নাম ভুল থাকলে কী করবেন?
দুই নথিতেই নাম ভুল থাকলে তাড়াহুড়া করে যেকোনো একটি সংশোধনের আবেদন না করে আগে সঠিক নামের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংগ্রহ করুন। এরপর কোন নথি আগে সংশোধন করা প্রয়োজন, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ঠিক করুন।
যদি এনআইডির তথ্য ভুল হয়, তাহলে আগে এনআইডি সংশোধনের আবেদন করা যুক্তিযুক্ত হতে পারে। সংশোধন অনুমোদিত হওয়ার পর সেই তথ্যের সঙ্গে মিল রেখে পাসপোর্টের প্রয়োজনীয় সংশোধন বা পুনরায় ইস্যুর প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
আরও পড়ুন:
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নে কত টাকা লাগে, দেরি হলে কত জরিমানা
স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ট্যাটাস দেখবেন যেভাবে
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে কী কী কাগজ লাগে?
তবে প্রত্যেক আবেদনকারীর পরিস্থিতি এক নয়। কারও জন্মনিবন্ধন সনদে ভুল থাকতে পারে, কারও শিক্ষাগত সনদের সঙ্গে এনআইডির তথ্য মিলতে পারে না, আবার কারও পুরোনো পাসপোর্টে ভিন্ন বানান থাকতে পারে। এ ধরনের ক্ষেত্রে কোন নথি সংশোধন করতে হবে এবং কোন প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
শুধু ইংরেজি বানানে পার্থক্য থাকলেও কি সংশোধন করতে হবে?
বাংলা নাম একই হলেও ইংরেজি বানানে পার্থক্য থাকলে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন। যেমন, একটি নথিতে নামের একটি অংশের বানান এক রকম, অন্য নথিতে আরেক রকম হতে পারে। আবার কোনো নথিতে মাঝের নাম বাদ পড়তে পারে বা নামের ক্রম আলাদা হতে পারে।
এ ধরনের পার্থক্য সব ক্ষেত্রে একইভাবে বিবেচিত হয় না। তবে পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে এনআইডি, ভিসা আবেদন বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নথির অমিল থাকলে যাচাইয়ের সময় প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই বিদেশযাত্রা বা ভিসার আবেদনের আগে নামের বানান ও ক্রম যথাসম্ভব সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা ভালো।
সংশোধনের সময় নিজের ইচ্ছামতো নতুন বানান নির্বাচন না করে গ্রহণযোগ্য সরকারি নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
নাম সংশোধনে কি হলফনামা বা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়?
সব ধরনের নাম সংশোধনের জন্য হলফনামা বা সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি বাধ্যতামূলক—এমন সাধারণ নিয়ম ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সংশোধনের ধরন, নামের পরিবর্তনের ব্যাপ্তি এবং কর্তৃপক্ষের চাহিদার ওপর প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র নির্ভর করে।
জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের বড় ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দলিল বা আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন হতে পারে। একইভাবে পাসপোর্টের নাম, পিতা-মাতার নাম কিংবা জন্মতারিখের মতো মৌলিক তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত যাচাই হতে পারে।
তাই কোনো দালালের পরামর্শের ওপর নির্ভর না করে নির্বাচন কমিশন বা পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কী কী নথি লাগবে, তা জেনে নিন।
সংশোধনের আবেদন করার আগে যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
এনআইডি ও পাসপোর্টে নামের অমিল দূর করতে গিয়ে কয়েকটি ভুলে আবেদন প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে।
ভুল তথ্যের পক্ষে অসংগত বা পরস্পরবিরোধী কাগজপত্র জমা দেবেন না।
সংশোধনের আবেদন করার আগে নামের বাংলা ও ইংরেজি বানান যাচাই করুন।
শুধু বানান ভুলের কারণে পুরো নাম পরিবর্তনের আবেদন করবেন না, যদি তাতে প্রকৃত তথ্য বদলে যায়।
আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটির তথ্য ও নম্বর গোপন করবেন না।
আবেদন জমা দেওয়ার পর রসিদ, আবেদন নম্বর ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সংরক্ষণ করুন।
সংশোধন অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত নতুন নথিতে তথ্য পরিবর্তন হয়েছে ধরে নেবেন না।
কোথায় যোগাযোগ করবেন?
এনআইডির তথ্য সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের ওয়েবসাইট অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করা যায়।
পাসপোর্টের তথ্য সংশোধন বা পুনরায় ইস্যুর বিষয়ে জানতে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট: https://dip.gov.bd/
ই-পাসপোর্ট আবেদন ও নির্দেশনা: https://www.epassport.gov.bd/
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এনআইডি ও পাসপোর্টে নামের অমিল থাকলে এক নথির তথ্য দেখে অন্য নথিতে অনুমান করে নাম বসাবেন না। সঠিক পরিচয়ের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নথি সংগ্রহ করে যে কর্তৃপক্ষের নথিতে ভুল রয়েছে, সেই কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী সংশোধনের আবেদন করুন। এতে পরবর্তী সময়ে পাসপোর্ট, ভিসা বা বিদেশসংক্রান্ত কাজে অপ্রয়োজনীয় জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: এনআইডি ও পাসপোর্টে নাম আলাদা হলে প্রথমে কোনটি সংশোধন করব?
উত্তর: কোন নথিতে ভুল রয়েছে, তার ওপর নির্ভর করবে। এনআইডিতে ভুল থাকলে নির্বাচন কমিশনের নিয়মে এনআইডি সংশোধনের আবেদন করুন। এনআইডি সঠিক কিন্তু পাসপোর্টে ভুল থাকলে পাসপোর্ট সংশোধনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন।
প্রশ্ন ২: পাসপোর্টে নামের ইংরেজি বানান ভুল হলে কি সংশোধন করা যায়?
উত্তর: প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দিয়ে পাসপোর্ট সংশোধন বা পুনরায় ইস্যুর আবেদন করা যেতে পারে। সংশোধনের অনুমোদন নির্ভর করবে ভুলের ধরন, জমা দেওয়া নথি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের ওপর।
প্রশ্ন ৩: এনআইডি ও পাসপোর্টে নামের অমিল থাকলে কি ভিসা পেতে সমস্যা হবে?
উত্তর: নথিতে অমিল থাকলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় প্রশ্ন বা অতিরিক্ত নথির প্রয়োজন হতে পারে। তবে অমিল থাকলেই ভিসা প্রত্যাখ্যান হবে—এমন নয়। সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুসরণ করা উচিত।
প্রশ্ন ৪: নাম সংশোধনের জন্য কি হলফনামা করা বাধ্যতামূলক?
উত্তর: সব ক্ষেত্রে নয়। সংশোধনের ধরন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী হলফনামা বা অতিরিক্ত দলিল প্রয়োজন হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: ই-পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়ার পর নামের ভুল ধরা পড়লে কী করব?
উত্তর: আবেদনপত্রের প্রিন্ট করা সারাংশ এবং সঠিক তথ্যের প্রমাণপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ফি জমা দেওয়া হয়ে থাকলে অতিরিক্ত অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কি না যাচাই করবেন যেভাবে
- জমি রেজিস্ট্রির সময় কী কী দেখে স্বাক্ষর করবেন? জেনে নিন
- ওয়ারিশের জমি নামজারি ও আলাদা খতিয়ান করার নিয়ম
- আজকের টাকার রেট কত:বেড়েছে২টি দেশের টাকার বিনিময় হার
- OnePlus Turbo 7 Pro-তে ১৮৫Hz ডিসপ্লে, ১০,০০০mAh ব্যাটারি?
- জমির রেকর্ডে ভুল? সংশোধনের আবেদন করবেন যেখানে
- জমির দাগ, খতিয়ান ও নকশা যাচাইয়ের সহজ নিয়ম
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৯টি দেশের টাকার মান
- আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট কত (২৩ অক্টোবর ২০২৬)