ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০

ভালো খেলেও মিরাজের সঙ্গে একি ধরনের রাজনীতি!

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২৪ ফেব্রুয়ারি ০৪ ১৯:০৬:৩৬
ভালো খেলেও মিরাজের সঙ্গে একি ধরনের রাজনীতি!

বাংলাদেশ জাতীয় দলের এমন একজন ক্রিকেটার যিনি ফিল্ডিং, ব্যাটিং এবং ক্যাপ্টেনসি সবক্ষেত্রে তিনি অসাধারণত। তাঁকে যখন যেখানে খুশি নামিয়ে দিলে, স্কোর করতে পারেন, বল হাতে যে কোনও সময় তিনি প্রতিপক্ষকে ধসিয়ে দিতে পারেন, সেই দলটা শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া৷ হতে পারে। তিনি আসলে প্রতিপক্ষ হিসাব করে প্রতিপক্ষকে পাত্তা দিয়ে পারফরম্যান্স করেন না। তিনি মাঠে নামলেই গর্জে উঠেছে। তাঁর ব্যাট বল ফিল্ডিং সবকিছুই তার সতীর্থদের অনুপ্রাণিত করে।

আপনি যদি এমন সতীর্থ হন, আপনি যদি অধিনায়ক হন এবং আপনি যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কোচ হন, আপনি কি সেই ক্রিকেটারকে আপনার দলে রাখতে পারবেন না? কিন্তু সত্য যে ক্রিকেটারকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি আর কেউ নন, মেহেদী হাসান মেরাজ।

ডিসেম্বর ২০১৮ এর পর, মেহেদি হাসান মিরাজকে চার বছর এবং প্রায় ৪৬ মাসের জন্য T20 আন্তর্জাতিকের বাইরে রাখা হয়েছিল। চার বছর টি-টোয়েন্টি খেলেননি। ডিসেম্বর ২১০৮এর পর, তিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে টি-টোয়েন্টিতে ফিরে আসেন এবং বাংলাদেশ দল তখন টি-টোয়েন্টিতে ভালো ফর্মে ছিল না।

মেহেদী হাসান মিরাজকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হল। এশিয়া কাপে তাকে নামিয়ে দেওয়া হল। ৪৬ মাস পরে ক্রিকেট খেলেছেন। তাঁকে ওপেনিংয়ে নামিয়ে দেওয়া হল। মেহেদি হাসান মিরাজ ২৬ বলে ৩৮ রান করলেন। এর পরের ম্যাচে ১২ রান করলেন । তাঁর পরের ৪০ প্লাস রান উইকেট নিয়ে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়ে গেলেন।

বাংলাদেশের সাথে এরপর আমরা দেখলাম যে ইংল্যান্ডের হোম সিরিজ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি সিরিজ। সেখানে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ জিতে নিয়েছে এবং টি টোয়েন্টিতে পরের ম্যাচটা জিতলেই বাংলাদেশ সিরিজ জিতে যাবে। মেহেদী হাসান মিরাজ দলে রয়েছেন মিডল অর্ডারে ব্যাট করছেন ১৬ বলে ২০ রান করেছেন ৪ ওভারে ১২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ইংল্যান্ডে টেস্টে। সেই মেহেদি হাসান মিরাজ টি -২০ ভাইস ক্যাপ্টেন তিনি। ৩ টি টোয়েন্টির একটাতেও খেলার সুযোগ পেলেন না।

চলতি বিপিএলে মেহেদী হাসান মিরাজ গতকাল যেই ম্যাচটা খেলেছেন সেখানে তিনি করেছেন ১৫ বলে ৩১। যেখানটায় আসলে ফরচুন বরিশালের কোনও চান্সই ছিল না ম্যাচ জেতার। সেই মিরাজ পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন। পরে শোয়েব মালিক ফিনিশিং টেনেছেন ২০০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন। তার আগের ম্যাচে অপরাজিত ১৫, দুই উইকেট নিয়েছেন। তার আগের ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে যে ম্যাচটা অল্পের জন্য ফরচুন বরিশাল হেরে গেল, সেখানে ১৫ বলে ৩১ করে। গতকাল ১৬ বল খেলে ৩৫ রান করেন মানে।

এখন কথা হচ্ছে যে মেহেদী হাসান মিরাজের সবচেয়ে বড় প্রবলেম জায়গাটা কী, তিনি কি সব পারেন সেটা, নাকি তিনি আসলে এক ওরা মেন্টেন করতে পারেন না নাকি অন্য কিছু। কারণটা হচ্ছে অন্য কিছু। মেহেদী হাসান মিরাজের সবচেয়ে বড় প্রবলেম এর জায়গা যেটা সেটা হচ্ছে ইস আ ক্যাপ্টেন্স ম্যাটেরিয়াল। তারমধ্যে নেতৃত্বে সেই গুণটা রয়েছে।

সেখানটায় কখনও লিটন কুমার দাসকে নিয়ে আসি। লিটন কুমার দাস ক্যাপটেন। তিনি হচ্ছে ক্যাপ্টেন্সি ওয়াইজ কতটুকু পারফর্ম করতে পেরেছেন এবং স্কিল কতটুকু পারফরম্যান্স করতে পেরেছেন সেটা প্রশ্নবিদ্ধ। নাজমুল শান্তকে, বিভিন্ন সময় নুরুল হাসান সোহানকে আমরা ক্যাপ্টেন্সিতে দেখেছি। মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে আমাদের একটি বড় ধরনের অ্যালার্জি কাজ করে। যে মিরাজ বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে শুরু করে সব স্তরেই ক্যাপ্টেন্সি করেছে জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন, সেই বিবেচনায় তাকে দূরে রাখা হয় এবং সেই কারণেই সেই পার্টিকুলার কারণেই তাঁকে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি টোয়েন্টিতে ভাইস ক্যাপ্টেন বানানোর পরেও।

বিসিবির প্ল্যান হচ্ছে এই ক্রিকেটারকে ভবিষ্যৎ নেতা বানানো, ভাইস ক্যাপ্টেন বানিয়ে নিউজিল্যান্ডে পাঠানোর পরেও বাংলাদেশ দল যখন টি 20 খেলতে নামে ওই ১১ জনের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজের জায়গা হয় না কেন হয় না। ঐ যে ক্যাপ্টেন মেটেরিয়াল অন্য আরও কেউ একজন ক্যাপ্টেন হতে চান। যখন সেই একজন ক্যাপ্টেন হতে চান এবং যখন ব্যর্থতা তাঁর প্রিয় সতীর্থের সাথে, যার সাথে এক সময়ে এই কৃতী ক্রিকেটটা তিনি বা তারা একসাথে খেলেছিলেন৷ আবার সেখানে আরও একটি দারুণ সুবিধা তার কাজ করে কোচের পছন্দের মানুষ তিনি। তখন তারা চেষ্টা করে যান মিরাজকে বসিয়ে রাখে ড্রপ করে দেই।

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ



রে