ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

লিটনকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে নেয়ার কারণ জানালেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২৪ মে ১৪ ১৪:৪৯:৪৪
লিটনকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে নেয়ার কারণ জানালেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর আজ বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। তেমন কোনো চমক দেয়নি বিসিবি। অফ ফর্মে থাকার পরও বিশ্বকাপ দলে ঠিকে গেছেন লিটন দাস। ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে আফিফ ও হাসান মাহমুদকে নিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে বাদ পড়েছেন সাইফউদ্দিন। তার জায়গাতে নেয়া হয়েছে তানজিম হাসান সাকিবকে। তার উপর আস্থা রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট।

সাইফউদ্দিনের বাদ পড়া নিয়ে চারে দিকে শুরু হয়ে গেছে তুমুল আলোচনা সমালোচনা। তেমনি লিটন দাসকে দলে নেয়াতেও হচ্ছে সমালোচনা। এই বিষয়টি দল ঘোষণার পর ব্যাখ্যা করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ।

সদ্য শেষ হওয়া জিম্বাবুয়ে সিরিজে তিন ম্যাচ খেলে ৪৩ বলে ৩৬ রান করে লিটন দাস। যার বাদ পড়েন শেষ দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থেকে। পুরো বছরটাই অফ ফর্মে আছেন তিনি। তবে তার হাতে বাড়তি অপশন হিসেবে আছে উইকেটকিপিং। সে বিষয়টাই তাকে দলে নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন বিসিবির নির্বাচক।

এ নিয়ে গাজী আশরাফ লিপু বলেন, ‘লিটনকে তৃতীয় (মূলত চতুর্থ) ম্যাচে বাদ দেওয়ার কারণ সেটি ছিল সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ। সেজন্য ওই বিশেষ ম্যাচের জন্য আমাদের এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। লিটন কেবল ওপেনারই নয়, তার বিষয়টা তুললে উইকেটকিপিং সামর্থ্যের কথাও চলে আসে। আমাদের দুটো উইকেটকিপার নিয়ে যেতেই হবে। ওপেনিংয়ে হয়তো তার পরিবর্তে রিপ্লেস করতে পারছি।’

লিটনকে ফর্মে ফেরাতে কাজ চলছে বলেও জানান লিপু। তবে তার বিকল্প হিসেবে আলোচনায় এসেছিল এনামুল হক বিজয়ের নামও, ‘এক্ষেত্রে আবার আমরা এনামুল হক বিজয়কে নিয়েও আলোচনা করেছিলাম। তবে ফর্মহীন থাকার পরও আমাদের লিটনের ওপর আস্থা রাখতে হয়েছে। কারণ তাকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে এবং দুটো ম্যাচ যে তিনি খেলেননি সে সময়ও তার আস্থার জায়গা কিভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন কোচিং স্টাফরা। কতটুকু উন্নতি হয়েছে সেটা তো বলা যায় না। তবে বল বাছাই ও শট খেলার দিক থেকে তাকে আরও দৃঢ় করার জন্য কোচরা কাজ করছেন।’

লিটনের বিকল্প হিসেবে উইকেট কিপিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল জাকের আলী অনিককে। কিন্তু তিনি টিম ম্যানেজমেন্টর ভরসা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বেশ কয়েকটি ক্যাচ হাতছাড়া হয়েছে তার হাত থেকে, এমনকি বল ক্যারি করতেও জাকেরকে নড়বড়ে দেখা গেছে। মনে হচ্ছিল বল ঠিক গ্লাভসে থাকছে না। আর এ কারণেই লিটনের হাতেই কিপিংয়ের দায়িত্ব ছাড়তে হচ্ছে জাকেরকে!

উল্লেখ্য, জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে ইতিবাচক কিছু খুঁজতে হলে তাকাতে হবে স্পিনারদের দিকে। কারণ ব্যাটসম্যানরা সেভাবে স্ট্রাইকরেটে সফলতা দেখাতে পারেননি। লিটনের মতো ধারাবাহিক ফর্মহীনতায় সময় পার করছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। দুজনের সিরিজই রানের জন্য সংগ্রাম করে কেটেছে। তার মধ্যেই সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান সিরিজ-সর্বোচ্চ ১৬০ রান করা তানজিদ তামিম। অথচ এই সিরিজে তিনি ছিলেন বাংলাদেশ দলের তৃতীয় ওপেনার হিসেবে! এ ছাড়া মিডল অর্ডারে খেলা তাওহীদ হৃদয় করেছেন ১৪০ রান। এই দুজন বাদে সব ম্যাচ মিলিয়ে কেউই একশ’র বেশি রানও করতে পারেননি!

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



রে