MD. Razib Ali
Senior Reporter
হার্ট অ্যাটাক এড়াতে চান? এই শীতের সবজিই ভরসা!
হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে শীতের ডায়েটে আবশ্যক এই সবজি
বাঙালির হেঁশেলে বিট (Beetroot) এর পরিচিতি সাধারণত 'ভেজিটেব্ল চপ'-এর বাইরে খুব একটা দেখা যায় না। কিন্তু শীতের বাজারে আসা এই সবজিটি স্বাদে অনেকের অপছন্দ হলেও, এর অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্যগুণ উপেক্ষা করার উপায় নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, শীতকালীন ডায়েটে বিট রাখা অত্যাবশ্যক, কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে কেবল চপ নয়, সুস্বাদু উপায়ে এটি গ্রহণ করতে একে স্মুদি, স্যালাড অথবা তরকারির মতো নানা পদে ব্যবহার করা যায়। এমনকি, বিট থেঁতো করে বা পেস্ট বানিয়ে আটার সঙ্গে মিশিয়ে পরোটা কিংবা সাধারণ রুটি/গোলা রুটি বানিয়েও স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশ তৈরি করা যেতে পারে, যা সহজেই বানানো সম্ভব।
হৃদয়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিটের কার্যকারিতা
বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও হৃদরোগের প্রবণতা বাড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হৃদযন্ত্রকে সতেজ রাখতে নিয়মিত বিট সেবনের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক শুভম সাহা।
ডাঃ সাহা ব্যাখ্যা করেন, বিটের রসে প্রাপ্ত নাইট্রেট শরীরে প্রবেশ করে দ্রুত নাইট্রিক অক্সাইড-এ রূপান্তরিত হয়। রক্তনালীর সংকুচিত ভাব দূর করে সেগুলোর প্রসারণে এই নাইট্রিক অক্সাইড সহায়ক। এই প্রক্রিয়ার ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। এর ফলস্বরূপ হার্ট অনেক বেশি তরতাজা ও সতেজ বোধ করে এবং শারীরিক শক্তি-সামর্থ্যও বাড়ে।
তিনি আরও জানান, কেবল রক্তচাপ কমানোই নয়, বিটের মধ্যে থাকা বিটেইন নামক উপাদানটি ইস্কিমিক হার্ট রোগের ঝুঁকি কমাতেও সক্ষম। এই বিটেইন শরীরের যেকোনও প্রদাহ বা জ্বালা-যন্ত্রনার বিরুদ্ধে লড়াই করে। তাই হৃদযন্ত্র ছাড়াও অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার ঝুঁকি হ্রাস করতেও এটি বিশেষভাবে সহায়ক।
অন্যান্য স্বাস্থ্য সুবিধা
হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা ছাড়াও, এই শ্বেত রক্তকণিকার একাধিক গুণ রয়েছে:
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: যারা শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে সচেষ্ট, তাদের জন্য এটি চমৎকার। কারণ এতে ক্যালোরির মাত্রা খুবই কম এবং চর্বি প্রায় অনুপস্থিত।
উচ্চ রক্তচাপ মোকাবিলা: আগেই বলা হয়েছে, এতে থাকা উচ্চ পরিমাণের নাইট্রেট রক্তনালীকে প্রসারিত করে রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
রক্তের বিশুদ্ধতা: এটি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ নিষ্কাশনে অত্যন্ত কার্যকরী। একাধিক গবেষণায় দেখা যায়, বিট রক্তে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়ায় এবং রক্তকে বিশুদ্ধ করে।
পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ: এই সবজিটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস। এতে আয়রন, ফাইবার, পটাশিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বিদ্যমান।
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের জোগান: বিটের গাঢ় লাল রঙের জন্য দায়ী হল বিটানিন, যা একইসঙ্গে একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এটি শরীরের কোষের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ২১ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় যে ব্যাংক
- শেয়ার বাজারের পতন থামাতে অবকাঠামো সংস্কারের তাগিদ, সিসিপি নিয়ে প্রশ্ন
- দরপতন থামছে না, শীর্ষ ব্রোকারদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ডিএসই
- ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচ কবে, জেনে নিন পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও প্রতিপক্ষ
- আবারও বাড়লো তেলের দাম, জানুন নতুন মুল্য তালিকা
- বিক্রির চাপে ডিএসই, কমেছে প্রধান তিন সূচক
- পে-স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ, জানা গেল দিন তারিখ
- নিয়মিত ভেজানো ছোলা খাচ্ছেন? জানুন উপকারিতা, ক্ষতি ও কারা খাবেন
- মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স, যতো উইকেট ও যতো রান করলেন
- আজকের অবহাওয়ার খবর: বৃষ্টি নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- এআই ঘিরে নতুন শঙ্কা, বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি ও চিপ শেয়ারে বড় ধাক্কা
- প্রতিদিন রসুন খাচ্ছেন? জানুন উপকারিতা, ক্ষতি ও কারা সতর্ক থাকবেন
- পে-স্কেলের গেজেট কবে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও কেন অপেক্ষা
- সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করল ইসি
- তিন সরকারি ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন ও কুপন পেমেন্টের রেকর্ড ডেট ঘোষণা