ঢাকা, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে কেন? ৮টি সম্ভাব্য কারণ জেনে নিন

স্বাস্থ্য ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৪:৫৮:৫১
হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে কেন? ৮টি সম্ভাব্য কারণ জেনে নিন

হঠাৎ বুকের ভেতর হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, জোরে ধাক্কা দেওয়ার মতো অনুভূতি কিংবা মনে হওয়া যে হার্ট যেন একবার থেমে আবার চলছে—এ ধরনের অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়। কখনো ভয়, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত চা-কফি বা ঘুমের অভাবে এমন হতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বুক ধড়ফড় করা হৃদস্পন্দনের ছন্দের সমস্যা, রক্তস্বল্পতা, থাইরয়েডের অস্বাভাবিকতা কিংবা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে বুক ধড়ফড় করার এই অনুভূতিকে বলা হয় প্যালপিটেশন (Palpitations)। এর অর্থ সব সময় হৃদস্পন্দন বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গেছে, এমন নয়। হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক থাকলেও কেউ কেউ নিজের হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে জোরে, দ্রুত বা অনিয়মিতভাবে অনুভব করতে পারেন। তাই হঠাৎ বুক ধড়ফড় করলে এর সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ আছে কি না, কতক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে এবং কতবার ঘটছে—এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

হঠাৎ বুক ধড়ফড় করার সম্ভাব্য কারণ

বুক ধড়ফড় করার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। সব ক্ষেত্রে হৃদ্‌রোগ দায়ী নয়; আবার উপসর্গকে শুধু দুশ্চিন্তা বলে উড়িয়ে দেওয়াও ঠিক নয়।

১. মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও আতঙ্ক

মানসিক চাপ, ভয়, দুশ্চিন্তা বা হঠাৎ আতঙ্কের সময় শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মতো হরমোনের প্রভাব বাড়ে। এতে হৃদস্পন্দন দ্রুত বা জোরে অনুভূত হতে পারে। কখনো এর সঙ্গে ঘাম, কাঁপুনি, শ্বাস দ্রুত হওয়া কিংবা অস্বস্তিও দেখা দেয়।

প্যানিক অ্যাটাকের সময় বুক ধড়ফড় করতে পারে। তবে বুক ধড়ফড় হলেই সেটিকে উদ্বেগ বা প্যানিক অ্যাটাক ধরে নেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে প্রথমবার এমন হলে, বারবার হলে বা নতুন উপসর্গ যুক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

২. অতিরিক্ত চা-কফি ও ক্যাফেইন

চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক এবং ক্যাফেইনযুক্ত কিছু পানীয় বেশি গ্রহণ করলে কারও কারও বুক ধড়ফড় করতে পারে। ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীলতা ব্যক্তিভেদে আলাদা। তাই যে পরিমাণে একজনের সমস্যা হয় না, অন্যজনের ক্ষেত্রে সেই পরিমাণেও উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

বুক ধড়ফড়ের সঙ্গে ক্যাফেইনের সম্পর্ক আছে বলে মনে হলে কিছুদিন গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে উপসর্গের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যেতে পারে। এনার্জি ড্রিংক ও একসঙ্গে অনেক ক্যাফেইন গ্রহণ এড়িয়ে চলা ভালো।

৩. ঘুমের অভাব ও অতিরিক্ত ক্লান্তি

পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, দীর্ঘ সময় বিশ্রাম না নেওয়া কিংবা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের পর হৃদস্পন্দন বেশি অনুভূত হতে পারে। অনিয়মিত ঘুমের সঙ্গে মানসিক চাপ বা ক্যাফেইন গ্রহণ যুক্ত হলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

তবে বিশ্রাম নেওয়ার পরও যদি বুক ধড়ফড় চলতে থাকে, বারবার ফিরে আসে কিংবা অন্য উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে শুধু ক্লান্তিকে কারণ ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

৪. পানিশূন্যতা ও শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা

শরীরে পানির ঘাটতি হলে রক্তের পরিমাণ কমে যেতে পারে এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। গরমে অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়ার কারণে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে পটাশিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের মতো ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হলেও হৃদস্পন্দনের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

পানিশূন্যতার সন্দেহ হলে এবং ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে পান করতে পারলে পানি পান করা উপকারী। তবে গুরুতর দুর্বলতা, অজ্ঞান হওয়ার ভাব বা দীর্ঘস্থায়ী বুক ধড়ফড় হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ইলেকট্রোলাইট সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত নয়।

৫. রক্তস্বল্পতা

রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে শরীরের বিভিন্ন অংশে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছে দিতে হৃদ্‌যন্ত্রকে বেশি কাজ করতে হতে পারে। এর ফলে বুক ধড়ফড়, ক্লান্তি, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা কিংবা অল্প পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন:

খালি পেটে গ্যাস কেন বাড়ে? কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন

প্রতিদিন মাথাব্যথা হয় কেন? যেসব লক্ষণ অবহেলা নয়

রক্তস্বল্পতার কারণ হতে পারে আয়রনের ঘাটতি, রক্তক্ষরণ, ভিটামিনের ঘাটতি বা অন্য কোনো অসুস্থতা। তাই শুধু আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেলেই সব ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান হয় না। প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা করে কারণ নির্ণয় করতে হয়।

৬. থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা

থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত হরমোন নিঃসৃত হলে শরীরের বিপাকক্রিয়া বেড়ে যেতে পারে। এতে দ্রুত হৃদস্পন্দন, বুক ধড়ফড়, অতিরিক্ত ঘাম, হাত কাঁপা, গরম সহ্য করতে অসুবিধা এবং অকারণে ওজন কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

এসব লক্ষণ থাকলে চিকিৎসক থাইরয়েডের কার্যকারিতা যাচাই করতে রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

৭. হৃদস্পন্দনের ছন্দে অস্বাভাবিকতা

কখনো বুক ধড়ফড়ের কারণ হতে পারে হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম বা ছন্দের সমস্যা, যাকে অ্যারিদমিয়া (Arrhythmia) বলা হয়। এ ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত, খুব ধীর বা অনিয়মিত হতে পারে।

কিছু অ্যারিদমিয়া তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকির হলেও কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। বুক ধড়ফড়ের সঙ্গে মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা বুকব্যথা থাকলে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।

৮. কিছু ওষুধ ও উত্তেজক পদার্থ

কিছু ঠান্ডার ওষুধ, নাক বন্ধ কমানোর ওষুধ, হাঁপানির কিছু ইনহেলার, নির্দিষ্ট উদ্দীপক ওষুধ এবং নিকোটিন হৃদস্পন্দন বাড়াতে পারে। কোনো নতুন ওষুধ শুরু করার পর বুক ধড়ফড় দেখা দিলে ওষুধটির সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সঙ্গে কথা বলা উচিত।

নিজের সিদ্ধান্তে নিয়মিত ওষুধ বন্ধ করবেন না। বিশেষ করে হৃদ্‌রোগ, হাঁপানি বা অন্য দীর্ঘমেয়াদি রোগের ওষুধ পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।

বুক ধড়ফড় করলে কখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন?

বুক ধড়ফড়ের সঙ্গে নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে জরুরি চিকিৎসা নিন:

বুকব্যথা, চাপ বা বুক চেপে ধরার অনুভূতি।

শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি।

তীব্র মাথা ঘোরা, হঠাৎ দুর্বল হয়ে পড়া বা ঠান্ডা ঘাম।

দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সঙ্গে শরীর খুব খারাপ লাগা।

এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে নিজে থেকে সমস্যাটি সেরে যাওয়ার অপেক্ষা না করে স্থানীয় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন। উপসর্গ থেমে গেলেও গুরুতর লক্ষণ দেখা দিয়ে থাকলে চিকিৎসা মূল্যায়ন জরুরি।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?

বুক ধড়ফড় বারবার হলে, আগের তুলনায় বাড়লে, কয়েক মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে, বিশ্রামের সময় অকারণে দেখা দিলে কিংবা দৈনন্দিন কাজে বাধা সৃষ্টি করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আগে থেকে হৃদ্‌রোগ থাকলে অথবা পরিবারে অল্প বয়সে আকস্মিক হৃদ্‌মৃত্যুর ইতিহাস থাকলেও মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।

চিকিৎসক উপসর্গের ধরন, স্থায়িত্ব, ব্যবহৃত ওষুধ, পারিবারিক ইতিহাস এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্ধারণ করবেন।

বুক ধড়ফড়ের কারণ জানতে কী কী পরীক্ষা করা হয়?

সব রোগীর একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসক নিচের পরীক্ষাগুলোর এক বা একাধিক দিতে পারেন:

ইসিজি (ECG): হৃদ্‌যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম ও ছন্দ পরীক্ষা করতে।

হোল্টার মনিটর বা দীর্ঘমেয়াদি হার্ট মনিটর: উপসর্গের সময় সাধারণ ইসিজিতে সমস্যা ধরা না পড়লে দীর্ঘ সময় হৃদস্পন্দন পর্যবেক্ষণ করতে।

রক্ত পরীক্ষা: রক্তস্বল্পতা, থাইরয়েডের সমস্যা বা ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা সন্দেহ হলে।

ইকোকার্ডিওগ্রাম: হৃদ্‌যন্ত্রের গঠন বা কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে।

কোন পরীক্ষা প্রয়োজন, তা রোগীর উপসর্গ ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে।

হঠাৎ বুক ধড়ফড় করলে তাৎক্ষণিকভাবে কী করবেন?

প্রথমে কাজ বা ব্যায়াম বন্ধ করে নিরাপদ জায়গায় বসুন এবং শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। ধীরে, স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন। গরমে থাকা, অতিরিক্ত ঘাম বা পানিশূন্যতার সম্ভাবনা থাকলে এবং পানি পান করতে সমস্যা না হলে পানি পান করতে পারেন। আপাতত চা-কফি, এনার্জি ড্রিংক, ধূমপান ও অন্যান্য উত্তেজক পদার্থ এড়িয়ে চলুন।

সম্ভব হলে লক্ষ্য করুন, বুক ধড়ফড় কখন শুরু হয়েছে, কতক্ষণ স্থায়ী হয়েছে এবং এর সঙ্গে কী কী উপসর্গ ছিল। এই তথ্য চিকিৎসককে কারণ বুঝতে সাহায্য করতে পারে।

তবে বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হওয়ার ভাব বা গুরুতর দুর্বলতা থাকলে এসব পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করে অপেক্ষা করবেন না—জরুরি চিকিৎসা নিন। নিজের ইচ্ছায় হার্টের ওষুধ বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করাও নিরাপদ নয়।

বুক ধড়ফড় প্রতিরোধে কী অভ্যাস সাহায্য করতে পারে?

সব ধরনের বুক ধড়ফড় প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে কিছু অভ্যাস উপকারী হতে পারে:

নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা।

চা-কফি ও এনার্জি ড্রিংক অতিরিক্ত গ্রহণ না করা।

শরীরে পানির ঘাটতি এড়ানো।

ধূমপান ও নিকোটিনজাত পণ্য পরিহার করা।

মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত বিশ্রাম ও শিথিলায়নের অভ্যাস গড়ে তোলা।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার না করা।

বারবার উপসর্গ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কারণ নির্ণয় করা।

শেষ কথা: হঠাৎ বুক ধড়ফড় করা সব সময় গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। কিন্তু বারবার হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন কিংবা এর সঙ্গে বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গ থাকলে অবহেলা করা উচিত নয়। সঠিক কারণ জানতে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা মূল্যায়নই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য: এই প্রতিবেদনটি সাধারণ স্বাস্থ্যসচেতনতার জন্য। এটি ব্যক্তিগত রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

১. হঠাৎ বুক ধড়ফড় করলে কি হার্টের সমস্যা হয়েছে বোঝায়?

না। মানসিক চাপ, ক্যাফেইন, ঘুমের অভাব, পানিশূন্যতা বা কিছু ওষুধের কারণেও বুক ধড়ফড় হতে পারে। তবে হৃদস্পন্দনের ছন্দের সমস্যাও এর কারণ হতে পারে। শুধু উপসর্গ দেখে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

২. বুক ধড়ফড় করলে কখন হাসপাতালে যেতে হবে?

বুক ধড়ফড়ের সঙ্গে বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি থাকলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

৩. চা-কফি পান করলে কি বুক ধড়ফড় করতে পারে?

হ্যাঁ। ক্যাফেইন কিছু মানুষের হৃদস্পন্দন দ্রুত বা জোরে অনুভূত হওয়ার কারণ হতে পারে। উপসর্গের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে ক্যাফেইন গ্রহণ কমিয়ে দেখা যেতে পারে।

৪. বুক ধড়ফড়ের কারণ জানতে কোন পরীক্ষা করা হয়?

প্রাথমিকভাবে ইসিজি করা হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষা, হোল্টার মনিটর বা ইকোকার্ডিওগ্রামের পরামর্শ দিতে পারেন। সব রোগীর সব পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না।

৫. কয়েক সেকেন্ড বুক ধড়ফড় করে থেমে গেলে কি চিন্তার কারণ আছে?

মাঝেমধ্যে অল্প সময়ের জন্য বুক ধড়ফড় হওয়া অনেক ক্ষেত্রেই গুরুতর নয়। তবে এটি বারবার হলে, বাড়তে থাকলে, আগে থেকে হৃদ্‌রোগ থাকলে অথবা অন্য উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: