Alamin Islam
Senior Reporter
শীতে খালি পেটে খেজুর খেলেই ম্যাজিক! জানুন ৫টি জাদুকরী উপকারিতা
শীতের রুক্ষতা আর হিমেল হাওয়ায় শরীর প্রায়ই নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে ক্লান্তি দূর করে শরীরে প্রাণশক্তি ফিরিয়ে আনতে প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর ভরসা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। পুষ্টিবিদদের মতে, কেবল শীতকালীন জড়তা কাটাতে নয়, বরং শরীরকে ভেতর থেকে চাঙা রাখতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কয়েকটা খেজুর হতে পারে আপনার সেরা সঙ্গী।
প্রাকৃতিক শক্তিতে শীত জয়
শীতের দিনে আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বজায় রাখা জরুরি হয়ে পড়ে। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা যেমন— ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ রক্তে মিশে দ্রুত শক্তি সঞ্চার করে। ফলে শীতের সকালে যে আলসেমি ভাব কাজ করে, তা নিমেষেই কেটে যায় এবং শরীর দীর্ঘক্ষণ উষ্ণ থাকে।
স্বাস্থ্য রক্ষায় খেজুরের বহুমুখী গুণ:
পাচনতন্ত্রের সুরক্ষা: খেজুরে বিদ্যমান উচ্চমাত্রার আঁশ বা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। যারা নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এটি একটি প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে কাজ করে।
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন ও খনিজের পাওয়ার হাউস বলা হয় খেজুরকে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে, ফলে শীতকালীন সাধারণ সর্দি-কাশি বা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।
মস্তিষ্ক ও হাড়ের যত্ন: মস্তিষ্কের কোষগুলোকে সচল রাখতে এবং মেজাজ ফুরফুরে রাখতে এতে থাকা ভিটামিন বি৬ ও ফ্ল্যাভোনয়েড অত্যন্ত কার্যকর। পাশাপাশি খেজুরে থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড়ের ঘনত্ব বাড়িয়ে হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।
শীতকালীন রূপচর্চা: শীত মানেই ত্বকের শুষ্কতা আর বলিরেখার ভয়। খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন-সি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা বাড়ায়, যা এই রুক্ষ মৌসুমে ত্বকের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।
উচ্চ রক্তচাপ ও শর্করা নিয়ন্ত্রণ
ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে খেজুর রক্তে শর্করার শোষণ ধীরগতিতে সম্পন্ন করে, যা রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে খেজুরের মিষ্টতার কথা মাথায় রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
সেবনের সঠিক মাত্রা ও পদ্ধতি
অতিরিক্ত কোনো কিছুই শরীরের জন্য ইতিবাচক নয়। খেজুর ক্যালোরি সমৃদ্ধ হওয়ায় প্রতিদিন ৩ থেকে ৫টির বেশি না খাওয়াই ভালো। দিনের শুরুটা দারুণ করতে সকালে খালি পেটে এটি চিবিয়ে খেতে পারেন অথবা এক গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে পুষ্টিকর পানীয় হিসেবেও গ্রহণ করা যায়। এমনকি বিকেলের নাস্তায় অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প হিসেবেও খেজুর একটি চমৎকার চয়েস।
প্রকৃতির এই ক্ষুদ্র উপহারটি আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যোগ করে এই শীতে নিজেকে রাখুন সুস্থ ও প্রাণবন্ত।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- টানা দ্বিতীয় বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে আর্জেন্টিনা: হুঙ্কার আলভারেজের
- ব্রাজিল বনাম পানামা: মুখোমুখি দুই দলে দেখুন সময়সূচি
- হন্ডুরাস বনাম আর্জেন্টিনা: মাঠে নামছে দুই দল দেখেনিন সময় সূচী
- ভূমিকম্পে কাঁপলে বাংলাদেশ, উৎপত্তিস্থল কোথায়?
- পর্তুগালের পরবর্তী ম্যাচ কবে কখন, কার সাথে জানুন সময়সূচি
- জার্মানির পরবর্তী ম্যাচ কবে কখন, কার সাথে জানুন সময়সূচি
- আজকের খেলার সময়সূচি:ক্রিস্টাল প্যালেস বনাম রায়ো ভায়েকানো