রোজায় গ্যাস-অ্যাসিডিটি তাড়াতে জাদুর মতো কাজ করবে ৩ খাবার
সিয়াম সাধনার মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ভাজাপোড়া কিংবা অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। মূলত ইফতার ও সাহরিতে অসচেতন খাদ্যাভ্যাসের কারণেই পাকস্থলীতে গ্যাসের উদ্রেক হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রমজানে সুস্থ থাকতে এবং অ্যাসিডিটির অস্বস্তি এড়াতে খাবারের তালিকায় সঠিক পরিবর্তন আনা জরুরি। বিশেষ করে ইফতার ও সাহরির মেন্যুতে নির্দিষ্ট কিছু খাবার রাখলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
জেনে নিন রোজায় অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক এমন তিনটি প্রাকৃতিক খাবার সম্পর্কে:
১. কলার জাদুকরী গুণ
পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড প্রশমিত করতে কলা অত্যন্ত কার্যকর। এটি মূলত একটি ক্ষারীয় খাবার, যা পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে সুরক্ষাকবচ তৈরি করে। কলায় থাকা পটাশিয়াম ও প্রাকৃতিক উপাদানগুলো অ্যাসিডের কারণে হওয়া জ্বালাপোড়া কমিয়ে দেয়। এছাড়া এটি পাকস্থলীতে এমন এক ধরনের সুরক্ষা স্তর তৈরি করতে উদ্দীপিত করে, যা অ্যাসিডের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
খাওয়ার নিয়ম: পেটের গ্যাস ও অ্যাসিডিটির ঘরোয়া সমাধান হিসেবে প্রতিদিন সাহরি বা ইফতারে অন্তত একটি পাকা কলা খান। এটি সরাসরি বা অন্যান্য খাবারের সাথে মিশিয়েও খাওয়া যায়। নিয়মিত এই অভ্যাস হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
২. তাৎক্ষণিক স্বস্তিতে ঠান্ডা দুধ
অ্যাসিডিটির তীব্র যন্ত্রণা থেকে দ্রুত রেহাই পেতে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ হতে পারে আপনার জন্য মহৌষধ। দুধের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম কার্বনেট একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড হিসেবে কাজ করে, যা পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হতে বাধা দেয়। ঠান্ডা দুধ খেলে এটি কেবল অ্যাসিড শুষে নেয় না, বরং পাকস্থলীর ভেতরের তপ্ত অনুভূতি কমিয়ে আরামদায়ক শীতলতা এনে দেয়।
সতর্কতা: যাদের দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার হজমে সমস্যা (ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স) রয়েছে, তারা এটি এড়িয়ে চলবেন। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
৩. প্রাকৃতিক পানীয় ডাবের পানি
ইফতারে কৃত্রিম রং ও চিনিযুক্ত শরবতের বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক উপাদান। এক্ষেত্রে ডাবের পানি হতে পারে আদর্শ পানীয়। এটি পেট থেকে গ্যাস বের করে দিতে এবং হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ডাবের পানিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ উপাদান শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
রাসায়নিক মিশ্রিত পানীয়র বদলে নিয়মিত ইফতারে ডাবের পানি রাখলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে। একইসঙ্গে এটি রমজানের ক্লান্তি দূর করে শরীরে নতুন শক্তি যোগাতে অত্যন্ত কার্যকর।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ৮ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার ধুম
- আপনার ফান্ডের কী হবে? বিএসইসির বড় সিদ্ধান্ত
- শেয়ারবাজারে আসছে বড় পরিবর্তন
- ৫ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা: আসছে ডিভিডেন্ড ও ইপিএস
- বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিএসই সতর্কবার্তা
- ধেয়ে আসছে ‘সুপার এল নিনো’: ১৪০ বছরের রেকর্ড ভাঙার আশঙ্কা
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন
- সময় বাড়ানোর আগে ব্রোকারদের ‘আমলনামা’ চায় বিএসইসি
- আজকের স্বর্ণের দাম: (মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬)
- আবহাওয়ার খবর: তীব্র গরমে বড় সুখবর, ৪ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস
- দলে ফিরলেন সাব্বির-সৌম্য
- আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট (১৩এপ্রিল ২০২৬)
- আজকের খেলার সময়সূচি:পেশোয়ার বনাম মুলতান
- আর্জেন্টিনার কপালে চিন্তার ভাঁজ: ৩ তারকার চোট!
- আজকের খেলার সময়সূচি:অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনা